📄 ফিতনার সময় মৃত্যুর দুআ করার বিধান
ইহইইয়া ইবনু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করতেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ فِي النَّاسِ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ غَيْرَ مَفْتُونٍ
হে আল্লাহ! তোমার কাছে আবেদন করছি কল্যাণময় কাজ করার তাওফিক, গর্হিত কাজ না করার শক্তি এবং মিসকিনদেরকে ভালোবাসার স্পৃহা। আর যখন তুমি মানুষের মাঝে ফিতনা দেওয়ার ইচ্ছা করবে, তখন আমাকে ফিতনায় না জড়িয়ে তোমার কাছে তুলে নিয়ো。
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—
لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ
যতক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না—যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো মানুষ আরেক মানুষের কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় এ কথা না বলবে যে, হায় আমি যদি তার জায়গায় থাকতাম!’ অর্থাৎ জীবনের চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়。
টিকাঃ
[১০৭] ইমাম আযম আবু হানিফা, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৫৯。
[১০৮] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ২২, পৃষ্ঠা: ২৯, হাদিস: ৫৫৪৬; সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১৪, পৃষ্ঠা: ১১২, হাদিস: ৫১৭৫。
📄 কষ্ট, ফিতনা এবং বিপদের কারণ
আব্দুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
إِذَا مُتِّ أُمَّتِي بِالْعَظَائِمِ وَخَدَمَهَا أَبْنَاءُ الْمُلُوكِ أَبْنَاءُ فَارِسَ وَالرُّومِ سُلِّطَ شِرَارُهَا عَلَى خِيَارِهَا
আমার উম্মত যখন হাত লম্বা করে দম্ভভরে চলবে, রোম ও পারস্যের রাজপুত্ররা যখন তাদের সেবা করবে, তখন উম্মতের দুষ্ট লোকদেরকে ভালোদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে。
কায়েস ইবনু আবু হাযিম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে আল্লাহর তাআলার প্রশংসা করলেন, তাঁর স্তুতি গাইলেন, তারপর বললেন, হে লোকসকল! তোমরা এই আয়াতে পড়বে—
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ
হে মুমিনগণ, তোমাদের নিজেদের চিন্তা করা আবশ্যক। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রষ্ট হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। [সুরা মায়েদা, আয়াত: ১০৫]
কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—
إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوُا الْمُنْكَرَ لَا يُغَيِّرُوْهُ أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمْ اللَّهُ بِعِقَابِهِ
মানুষ যখন গর্হিত কাজ দেখেও তা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করবে না, তখন আল্লাহ তাআলা ব্যাপকাকারে তাদেরকে আযাবে গ্রেফতার করেন。
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—‘যখন তোমাদের জন্য পারস্য ও রোমের বিষয় দান করা হবে, তখন তোমরা কেমন হবে?’
আব্দুর রহমান ইবনু আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বললেন, ‘আমরা আল্লাহ তাআলার নির্দেশ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করব।’
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘এর বিপরীতও হবে, তোমরা (জাগতিক) প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে, তারপর পরস্পরে হিংসায় জড়াবে, তারপর একে অপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তারপর পরস্পরের প্রতি ক্রোধান্বিত হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপর দুর্বল মুহাজিরদের পিছনে নেবে। তারপর তোমরা পরস্পরকে ভয় করবে।’
উসামা ইবনু জায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ
আমার অর্ধাঙ্গমার পক্ষে পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বড় কোনো ফিতনা রেখে যাইনি না。
আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেওয়ার একপর্যায়ে বলেছেন—
'দুনিয়া সবুজ মিষ্টি। এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা তোমাদের পশ্চাতে রেখেছেন যে, তোমরা কী করো! সাবধান, দুনিয়াকে পরিহার করো এবং নারীদের থেকে দূরে থাকো。'
অন্য বর্ণনায় আছে—
إِنَّ الدُّنْيَا حُلْوَةٌ خَضِرَةٌ وَإِنَّ اللَّهَ مُسْتَخْلِفُكُمْ فِيهَا فَيَنْظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ فَاتَّقُوا الدُّنْيَا وَاتَّقُوا النِّسَاءَ فَإِنَّ أَوَّلَ فِتْنَةٍ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَتْ فِي النِّسَاءِ.
দুনিয়া সবুজ মিষ্টি। এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা তোমাদের পশ্চাতে রেখেছেন যে, তোমরা কী করো!! সাবধান, দুনিয়াকে পরিহার করো এবং নারীদের থেকে দূরে থাকো। কারণ, বনি ইসরাঈলের প্রথম ফিতনা নারীদেরকে。
কায়াব ইবনু আয়াজ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—
إِنَّ لِكُلِّ أُمَّةٍ فِتْنَةً وَفِتْنَتِي الْمَالُ.
নিশ্চয় প্রতিটি উম্মতের ফিতনা ছিল, আর আমার উম্মতের ফিতনা হলো সম্পদ。
টিকাঃ
[১০৯] সুনান তিরমিযি, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ২১৬, হাদিস: ২১৬৭。
[১১০] সুনান তিরমিযি, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ২৯১, হাদিস: ২১৯৫。
[১১১] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১৪, পৃষ্ঠা: ১২২, হাদিস: ৫১৮১。
[১১২] সহীহ বুখারী, খণ্ড: ২১, পৃষ্ঠা: ১২৬, হাদিস: ৭১৬১。
[১৯০] সহিহুল বুখারী, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪১, হাদিস: ৪৭৯৪; সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ২১০, হাদিস : ৭১২৪。
[১৯১] সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৩৯৯১。
[১৯২] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ২১০, হাদিস: ৭১২৪。
[১৯৩] সুনানুত তিরমিযি, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩২৭, হাদিস: ২২১৮। ইমাম তিরমিযি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন— হাদিসটি হাসান, সহিহ, গরিব。
📄 যুদ্ধের লক্ষণসমূহ
আউফ ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাবুক যুদ্ধের সময় আমি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এলাম, তখন তিনি মাটির একটি কুটিরে অবস্থান করছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন—
কিয়ামতৈর পূর্বে ছয়টি বিষয় গণনা করবে—আমার মৃত্যু, বাইতুল মাকদিসের বিজয়, মূতান নামক মহামারি—ছাগলের সর্দি মতো একটি রোগ, যা তোমাদের অনেককে হত্যা করবে, তারপর অর্থের বন্যা বইবে, মানুষকে একশ দিনার দিলেও অসন্তুষ্ট হবে, তারপর একটি ফিতনা আসবে—যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে, তারপর তোমাদের মাঝে এবং বনি আসফারের (রোমকদের) মাঝে সন্ধি ঘটবে। অতঃপর তারা গাদ্দারি করবে। সুতরাং তারা বারোটি পতাকাতলে তোমাদের ওপর আক্রমণ করবে, প্রতিটি পতাকাতলে থাকবে বারো হাজার মানুষ。
টিকাঃ
[১৯৪] সহিহুল বুখারী, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪৪০, হাদিস: ৭১৪৫。
📄 রোমের যুদ্ধ এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিজাতীয়দের ঐক্য
আউফ ইবনু মালিক আল-আশজায়ি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
تَلْبَسُونَ بَيْنَكُمُ الْقِتَالَ الْأَعْوَرَ ثُمَّ يَغْدِرُونَ بِكُمْ فَيَسِيرُونَ إِلَيْكُمْ فِي ثَمَانِينَ غَايَةٍ تَحْتَ كُلِّ غَايَةٍ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا.
তোমাদের মাঝে এবং বনি আসফারের মাঝে সন্ধি চুক্তি হবে। কিন্তু তারা গাদ্দারি করে আশিটি পতাকাতলে জমা হবে তোমাদের ওপর আক্রমণ করবে, যার প্রত্যেকটি পতাকাতলে বারো হাজার করে মানুষ থাকবে。
জাবির ইবনু জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—কুফায় লাল বাতাস প্রবাহিত হলো। তখন হ্যান্ডজাবিকের বাইরে একজন লোক এসে বলল, হে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, কিয়ামতও এসেছে! জাবির ইবনু জাবির বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ হেলান দিয়ে বললেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না—যতক্ষণ মিরাস বণ্টনীন না হয়ে পড়বে এবং গনিমাত পাওয়ার পরও আনন্দিত না থাকবে। তারপর হাত দিয়ে সিরিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এখানে মুসলিমদের শত্রুরা একত্রিত হবে এবং মুসলিমরা তাদের বিরুদ্ধে জমায়েত হবে। আমি বললাম, আপনি কি রোমের কথা বলছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সেখানে কঠিন যুদ্ধ হবে। সেখানে মুসলিমরা মৃত্যু শিকারকারী অগ্রগামী সেনাদল প্রেরণ করবে, যারা বিজয়ী হয়েই ফিরবে। যুদ্ধ করতে করতে একসময় রাতও এসে তাদের মাঝে অস্ত্রশস্ত্র সুপ্ত করবে। যার কারণে কেউ বিজয়ী হতে পারবে না। মুসলিমদের অগ্রগামী সেনাদল শেষ হয়ে যাবে। তারপর আবার মুসলিমরা মৃত্যু শিকারকারী অগ্রগামী সেনাদল প্রেরণ করবে, যারা বিজয়ী হয়েই ফিরবে। আবার যুদ্ধ আরম্ভ হবে। যুদ্ধ হতে হতে আবার রাতও অন্তরায় সৃষ্টি করবে। উভয় পক্ষের হাতে বিজয় অবরুদ্ধই থেকে যাবে। মুসলিমদের অগ্রগামী সেনাদল শেষ হয়ে যাবে। মুসলিমরা আবার মৃত্যু শিকারকারী অগ্রগামী সেনাদল প্রেরণ করবে, যারা বিজয়ী না হয়ে ফেরে না। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা যুদ্ধ করতে থাকবে। উভয় দল বিজয় থেকে দূরে অবস্থান করবে। মুসলিমদের অগ্রগামী সেনাদল শেষ হবে। যখন চতুর্থ দিনের সূর্য উদয় হবে, অবশিষ্ট মুসলিমরা যুদ্ধের ময়দানে অবতীর্ণ হবে। আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর বিপদ চাপিয়ে দেবেন। তারা কঠিন হত্যাযজ্ঞের শিকার হবে। এমন যুদ্ধ কেউ দেখেনি, সামনে দেখেও না। এমনকি পাহাড়েও তাদের শরীর নিয়ে যেতে পারবে না, মরে পড়ে যাবে। সুতরাং কুবুল অবাক ফিরিয়ে আনা হবে। যাদের সংখ্যা হবে একশ। অতঃপর তাদের মাঝেও কেবল একজন বাকি থাকবে। তখন কোন গনিমাতও পেয়ে খুশি হবে, আর কোন মিরাস বণ্টন করবে। অবশ্য যখন এমন ভয়ানক হবে, তখন তারা মুসলিমদের শত্রুদের চেয়েও বড় বিপদের কথা শুনতে পারবে। বিকট চিৎকার হবে। তারপর বলবেন, মুসলিমদের এই শত্রুদের মাঝেই রাসূলের আবির্ভাব ঘটুক। তখন কাফিররা তাদের হাতের জিনিস ফেলে দিয়ে দাজ্জালকে সাঙ্ঘাতিক জানাবে এবং পূর্ব পদক্ষেপনকারী দলটি ঘোড়সওয়ার করবে। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
إِنِّي لَأَعْرِفُ أَسْمَاءَهُمْ وَأَسْمَاءَ آبَائِهِمْ وَأَلْوَانَ خُيُولِهِمْ هُمْ خَيْرُ فَوَارِسَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ يَوْمَئِذٍ أَوْ مِنْ خَيْرِ فَوَارِسَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ يَوْمَئِذٍ.
'আমি অবশ্যই জানি তাদের নাম, তাদের পিতাদের নাম এবং তাদের ঘোড়াগুলোর রঙ। সেদিন তারাই হবে দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম ঘোড়সওয়ার।’
সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—'অচিরসঙ্গী অন্য জাতিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরস্পরকে তোমাদেরকে বিরুদ্ধে আহ্বান করবে, যেমন ভক্ষণকারীরা খাবারের পাত্রের দিকে আহ্বান করা হয়। তখন জনৈক ব্যক্তি জানতে চাইল, আমরা কি সেদিন সংখ্যায় অল্প হব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বরং তোমরা সেদিন অনেক হবে, তবে তোমরা হবে বন্যায় পানিতে ভাসমান খড়কুটোর মতো। আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের হৃদয় থেকে তোমাদের প্রভাব ছিনিয়ে নেবেন এবং তোমাদের হৃদয়ে ওয়াহান ঢুকিয়ে দেবেন। জনৈক সাহাবি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, ওয়াহান কী? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দুনিয়ার প্রেম এবং মৃত্যুর ঘৃণা।’
টিকাঃ
[১৯৫] সুনানু ইবনু মাজাহ, খণ্ড: ১২, পৃষ্ঠা: ৩৯৯, হাদিস: ৪০৪১。
[১৯৬] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১৪, পৃষ্ঠা: ২৮, হাদিস: ৭০৯১。
[১৯৭] সুনানু আবি দাউদ, খণ্ড: ১৩, পৃষ্ঠা: ৩৯, হাদিস: ৪২৯৭。