📄 জান্নাতিদের বালাখানা, বাড়ি-ঘর
বুরাইদা ইবনু হাসিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকে বললেন—
'হে বিলাল, তুমি কোন আমলের কারণে আমার আগেই জান্নাতে প্রবেশ করেছো? আমি যেই জান্নাতেই প্রবেশ করেছি, সেখানেই আমার সামনে তোমার পদধ্বনি শুনছি। আমি স্বপ্নে জান্নাতে প্রবেশ করলাম, সেখানেও আমার সামনে তোমার পদধ্বনি শুনলাম। অতঃপর স্বপ্নের স্তরে পৌঁছার উঁচু এলাকায় এলাম, তারপর জিজ্ঞেস করলাম, এই বালখানায়টি কার? তারা বলল, অমুকের এক ব্যক্তির। আমি বললাম, আমি তো একজন আরব; সুতরাং এই বালখানাটি কার? তারা বলল, একজন কুরাইশি মানুষের। বললাম, আমি তো কুরাইশি। তারা, বলল, উম্মতে মুহাম্মাদীর একজন মানুষের। আমি বললাম, আমি মুহাম্মাদ? এই বালখানাটি কার? তারা বলল, উমর ইবনুল খাত্তাবের। হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি যখনই আজান দিয়েছি, তখনই দু রাকাত নামাজ পড়েছি। আমার অজু ছুটে গেলেই অজু করেছি এবং আল্লাহর জন্য দুই রাকাত নামাজ পড়েছি। তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এজন্যই。
টিকাঃ
[১১০] সুনানুত তিরমিজি, খণ্ড: ১২, পৃষ্ঠা: ১৪৯, হাদিস: ৩৬৮২। হাদিসটি হাসান, সহীহ।
📄 জান্নাতের তাঁবু ও বাজার
আবু মুসা আশয়ারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—
فِي الْجَنَّةِ خَيْمَةٌ مِّن لُّؤْلُؤَةٍ مُجَوَّفَةٍ عَرْضُهَا سِتُّونَ مِيلًا فِي كُلِّ زَاوِيَةٍ مِّنْهَا أَهْلٌ مَّا يَرَوْنَ الْآخَرِينَ يَطُوفُ عَلَيْهِمُ الْمُؤْمِنُ
জান্নাতে উজ্জ্বল মুক্তার তৈরি এমন তাঁবু থাকবে—যার প্রস্থ হবে ষাট মাইল, তার চারদিকে মুমিনের পরিবার থাকবে, যারা অন্যেদেরকে দেখতে পারবে না। মুমিন তাদের কাছ দিয়ে ঘুরে বেড়াবে。
আরেক বর্ণনায় আছে—
'তারু হবে মুক্তারা। ওপরেক দিকে যার উচ্চতা হবে ষাট মাইল। তার চারদিকে থাকবে মুমিনের পরিবার। তাদেরকে অন্যেরা দেখতে পারবে না।’
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
'জান্নাতে একটি বাজার রয়েছে। প্রত্যেক জুমাবার জান্নাতিরা সেখানে জমায়েত হবে। তখন প্রবল বেগে উত্তরবাযু প্রবাহিত হবে। এই বাতাস সকলের চেহারা ও পোশাকে লাগবে। যার কারণে তাদের সৌন্দর্য ও লাবণ্য বেড়ে যাবে। অতঃপর তারা এমন অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরে যাবে যে, তাদের সৌন্দর্য ও লাবণ্য থাকবে (পূর্বের চেয়ে) অনেকগুণ বেশি। যার কারণে তাদের পরিবারের তাদেরকে বলবে, আল্লাহর কসম! আমাদের কাছ থেকে যাওয়ার পর তোমাদের সৌন্দর্য ও লাবণ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তখন জান্নাতিরা বলবে, আল্লাহর কসম, আমাদের অবর্তমানে তোমাদের সৌন্দর্য ও লাবণ্য অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’
টিকাঃ
[১১১] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪৭৯, হাদিস: ৩০৭১。
[১১২] সহীহুল বুখারী, খণ্ড: ১১, পৃষ্ঠা: ২১, হাদিস: ৩০৭২; সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪৮০, হাদিস: ৩০৭২। তবে সহীহুল মুসলিম হাদিসে হাদিসের শেষে রয়েছে—'لَا يَرَاهُمُ الْأَخَرُونَ' তাদেরকে অন্যেরা দেখতে পারবে না'।
[১১৩] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪৪৫, হাদিস: ২৮৩৩。
📄 জান্নাতে প্রথম প্রবেশ করবে গরিব মানুষেরা
হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ قَبْلَ أَغْنِيَائِهِمْ بِخَمْسِ مِائَةِ سَنَةٍ.
গরিবা মুহাজিরগণ বর্ণিতের পঞ্চাশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে。
হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—‘গরিবা মুহাজির তুলনায় সাড়ে পাঁচশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—‘গরিবা মুহাজিরগণ কিয়ামতের দিন ধনীদের চল্লিশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’
টিকাঃ
[১২৮] সুন্নাতু তিরমিযি, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩৩০, হাদিস: ২২২৪। হাদিস ইমান তিরমিযি আ'আমের সূত্রে, তিনি ফাজিলান শাহ্-আলফাকি থেকে, তিনি হজরত আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। এই সূত্রেই হাদিসটি হাসান গরিব。
[১২৯] সুন্নাতু তিরমিযি, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩৩০, হাদিস: ২২২৬。
[১৩০] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৪০, হাদিস: ২১৬১。
📄 জান্নাতিদের গুণাগুণ
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
إِنَّ أَوَّلَ زُمْرَةٍ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ وَالَّذِينَ يَلُونَهُمْ عَلَى أَشَدِّ كَوْكَبٍ دُرِّيٍّ فِي السَّمَاءِ إِضَاءَةً لَا يَبُولُونَ وَلَا يَتَغَوَّطُونَ وَلَا يَتَمَخَّطُونَ وَلَا يَتْفِلُونَ أَمْشَاطُهُمُ الذَّهَبُ وَرَشْحُهُمُ الْمِسْكُ وَمَجَامِرُهُمُ الْأَلْوَةُ وَأَزْوَاجُهُمُ الْحُورُ الْعِينُ.
(আমার উম্মতের) প্রথম দলটি পূর্ণিমার চারের আকৃতিতে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তার পরের দলটি হবে আকাশের উজ্জ্বল তারকার চেয়েও বেশি সুন্দর। তারা পেশাব করবে না, পায়খানা করবে না, কাশি ফেলবে না, থুতু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের। (অন্য এক বর্ণনায় আছে—রূপার) তাদের ঘাম হবে মিশক, তাদের ধুনচি হবে আগর (সুগন্ধিযুক্ত কাঠ) এবং তাদের স্ত্রী হবে আয়তলোচনা。
অন্য বর্ণনায় আছে— ‘তাদের প্রত্যেকের এমন দুজন স্ত্রী থাকবে, সুন্দরের কারণে যাদের গোপন ভেদ করে পাড়ের নলার অস্থিমজ্জা দেখা যাবে। দুই স্ত্রীর মাঝে কোনো দ্বন্দ্ব থাকবে না, একজনের হৃদয়ে আরেকজনের ব্যাপারে কোনো বিদ্বেষ থাকবে না। তারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহ তায়ালার তাসবিহ পড়বে。
অন্য বর্ণনায় আছে—
أَخْلاَقُهُمْ عَلَى خَلْقِ رَجُلٍ وَاحِدٍ عَلَى صُورَةِ أَبِيهِمْ آدَمَ سِتُّونَ ذِرَاعًا فِي السَّمَاءِ.
‘তাদের প্রত্যেকজনের শারীরিক গঠন হবে তাদের পিতা আদম আলাইহিস সালামের গঠনের মতো ষাট হাত লম্বা。
হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, লোকজন যখন আলোচনা করতে লাগল যে, জামাতে পুরুষ বেশি নাকি নারী? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—
لِكُلِّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ زَوْجَتَانِ اثْنَتَانِ يُرَى مُخُّ سَاقِهِمَا مِنْ وَرَاءِ اللَّحْمِ وَمَا فِي الْجَنَّةِ أَعْزَبٌ.
‘প্রত্যেক পুরুষ পাবে দুজন স্ত্রী, যাদের মাংসের নিচ দিয়ে পায়ের অস্থিমজ্জা দেখা যাবে। জান্নাতে কোনো অবিবাহিত মানুষ থাকবে না。
হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন—
وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِّنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ اطَّلَعَتْ إِلَى أَهْلِ الْأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا وَلَمَلأَتْهُ رِيحًا وَلَنَصِيفُهَا عَلَى رَأْسِهَا خَيْرٌ مِّنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا.
‘যদি জান্নাতি কোনো নারী জমিনবাসীর প্রতি উঁকি দেয়, তাহলে আকাশ ও জমিনের মাঝে সম্পূর্ণটা আলোকিত হয়ে যাবে, সুগন্ধিতে ভরে যাবে, তাদের মাথার ওড়না দুনিয়া ও তার মাঝের সমস্ত কিছু চেয়ে উত্তম。
হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
أَهْلُ الْجَنَّةِ جُرْدٌ مُرْدٌ كُحْلٌ لَا يَفْنَى شَبَابُهُمْ وَلَا تَبْلَى ثِيَابُهُمْ.
‘জান্নাতিরা হবে লোমমুক্ত নবযুবক, সুসমাথা। তাদের যৌবন শেষ হবে না এবং তাদের পোশাক পুরাতন হবে না。
মুআজ ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
‘জান্নাতিরা সেখানে লোমহীন, নবযুবক ও সুসমাথা হয়ে প্রবেশ করবে। তারা হবে ত্রিশ বছর বা তেত্রিশ বছরের যুবক।’
জ্ঞাতব্য: হাদিসে বলা হয়েছে—তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের বা রূপার এবং তাদের খুনচিগুলো হবে আগরের! কেউ কেউ এখান থেকে আপত্তি উত্থাপন করেছেন যে, তাদের চিরুনি প্রমাণ করে যে, তাদের চুলগুলো এলোমেলোও হবে না, নোংরাও হবে না। আগুন দিয়ে খুব জ্বালানোর প্রয়োজন কেন হবে, অথচ তাদের বাতাসও হবে মিশকের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত?
তো এর জবাবে বলা হবে, জান্নাতিদের নিয়ামতগুলো, তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ তাদের কষ্ট দূর করার জন্য হবে না, তাদের পানাহার ক্ষুধা ও পিপাসা নিবারণের জন্য হবে না, তাদের সুগন্ধি ব্যবহার দুর্গন্ধ থেকে বাঁচার জন্য হবে না; তাহলে কেন হবে? এগুলো হবে তাদের মনোভাবনা এবং অন্তরস্থ নিয়ামতের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। আপনি কি দেখেননি আল্লাহ তায়ালা হজরত আদম আলাইহিস সালামকে কী বলেছেন—
إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَى وَأَنَّكَ لَا تَظْمَأُ فِيهَا وَلَا تَضْحَى.
‘তুমি জান্নাতে ক্ষুধার্ত হবে না এবং বস্ত্রহীন হবে না। তোমার পিপাসাও হবে না এবং রৌদ্রও কষ্ট পাবে না। [সুরা ত্বহা, আয়াত: ১১৮-১১৯]'
এর হিকমত হলো—আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে জান্নাতে যে নিয়ামত দান করবেন, সেসবের অনেকগুলোর সঙ্গে দুনিয়ার নিয়ামতের বাহ্যিক সাদৃশ্য থাকবে। এর ওপর আল্লাহ তায়ালা সীমাহীন প্রবৃদ্ধি দান করবেন।
আমি বলব, জাহান্নামিদের ব্যাপারেও এমন সাদৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। যেমন : আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন—
إِذِ الْأَغْلَالُ فِي أَعْنَاقِهِمْ وَالسَّلَاسِلُ يُسْحَبُونَ
তাদের গলায় থাকবে বেড়ি ও শিকল এবং তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে। [সুরা গাফির, আয়াত: ৭১]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
إِنَّ لَدَيْنَا أَنْكَالًا وَجَحِيمًا.
নিশ্চয় আমার কাছে আছে শিকল ও অগ্নিযুক্ত। [সুরা মুজ্জাম্মিল, আয়াত: ১২]
তো জাহান্নামিদেরকে সেখানে আগুন দ্বারা শাস্তি দেওয়া হবে, যার সঙ্গে দুনিয়ার আগুনের বাহ্যিক সাদৃশ্য রয়েছে।
ইমাম শায়'বি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, তোমরা কি মনে করো যে, আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামিদের পায়ে বেড়ি লাগিয়েছেন তাদের পানে যাওয়ার তরে? আল্লাহর কসম, বিষয়টি এমন নয়; বরং জাহান্নামিদের কষ্ট আরও বৃদ্ধি করার জন্যই আল্লাহ তায়ালা বেড়ি ও শিকল পরাবেন।
টিকাঃ
[১৩১] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৪৮, হাদিস: ৩০৩৩。
[১৩২] সুন্নাতু আহমাদ, খণ্ড: ১৫, পৃষ্ঠা: ৩১০, হাদিস: ৭৮৯১。
[১৩৩] আরবি ৬ হাত ২৪৬৬ মিটার হবে। তবে এই হাদিসের অনেকগুলো বর্ণনার ক্ষেত্রে মূল শব্দ 'ধীরা' ব্যবহার করা হয়েছে। এই 'ধীরা' শব্দটি নিয়ে বেশ ভিন্নতা দেখা যায়। এখানে সাধারণভাবে 'ধীরা' মানে হাতের আঙুল থেকে কনুই পর্যন্ত দূরত্ব বোঝায়। যদি 'ধীরা' মানে ৬০ হাত হয়, তাহলে সেটা অনেকটা অস্বাভাবিক হবে। এর ভিন্ন ব্যাখ্যাও আছে। যেমনঃ 'ধীরা' মানে হাতের আঙুল থেকে কনুই পর্যন্ত দূরত্ব, যা প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সেন্টিমিটার হয়। এই হিসেবে ৬০ 'ধীরা' হবে প্রায় ৯০ ফুট বা ২৭ মিটার。
[১৩৪] সুন্নাতু তিরমিযি, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৩৫৭, হাদিস: ৩০৩০০。
[১৩৫] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৪৯, হাদিস: ৩০৩৮。
[১৩৬] সহিh মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৫৭, হাদিস: ৩০৩৭。
[১৩৭] সহিহুল বুখারি, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ৩০২, হাদিস: ২৫৭৭。
[১৩৮] সুন্নাতু তিরমিযি, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ২৫৮, হাদিস: ২৪৬৭。
[১৩৯] সুন্নাতু তিরমিযি, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ২৫৮, হাদিস: ২৪৬৭。
[১৪০] সহিহুল বুখারি, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ৩০২, হাদিস: ২৫৭৮。