📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 যে ব্যক্তির মাধ্যমে জাহান্নামে প্রথম আগুন প্রজ্বলিত হবে

📄 যে ব্যক্তির মাধ্যমে জাহান্নামে প্রথম আগুন প্রজ্বলিত হবে


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন—
‘কিয়ামতের দিন প্রথম যে ব্যক্তির ফয়সালা করা হবে, সে হবে একজন শহীদ। তাকে (আল্লাহ তাআলার সামনে) উপস্থিত করা হবে, আল্লাহ তাআলা তার নিয়ামতগুলোকে চিনিয়ে দিলে সে চিনতে পারবে। তারপর তাকে বলবেন, তুমি এই নিয়ামতগুলোর জন্য কী আমল করেছ? সে বলবে, তোমার পথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়েছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি তো এজন্য যুদ্ধ করেছ যে, তোমাকে বাহাদুর বলা হবে। সুতরাং তোমাকে বাহাদুর বলা হয়েছে। তারপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আরেকজন মানুষ ইলম অর্জন করেছে, অন্যকে শিখিয়েছে এবং কুরআন পড়েছে। তাকে হাজির করা হবে। আল্লাহ তাআলা তার নিয়ামতগুলোকে চিনিয়ে দিলে সে চিনতে পারবে। আল্লাহ বলবেন, তুমি এসবের বিনিময়ে কী আমল করেছ? সে বলবে, ইলম শিখেছি, অন্যকে শিক্ষা দিয়েছি এবং তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পড়েছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি তো আলিম নামে প্রসিদ্ধ হওয়ার জন্য ইলম শিখেছ, কারি হিসেবে খ্যাত হওয়ার জন্য কুরআন পড়েছ। সুতরাং তোমাকে তা বলা হয়েছে। তারপর তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আরেকজন মানুষ—যাকে আল্লাহ ধনাতঢ়া দান করেছে। তাকে সদরক্বারার সম্পদ দিয়েছেন। তাকে উপস্থিত করা হবে। আল্লাহ তাআলা তার নিয়ামতগুলো চিনিয়ে দিলে সে চিনতে পারবে। আল্লাহ তাআলা জানতে চাইবেন—তুমি এগুলোর বিপরীতে কী আমল করেছ? সে বলবে, তোমার সন্তুষ্টির জন্য তোমার পছন্দনীয় প্রতিটি পথে দান করেছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি তো দান করেছ দানবীর হিসেবে বিখ্যাত হওয়ার জন্য। সুতরাং তোমাকে তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেওয়া হলে তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’

টিকাঃ
[১৩৪] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ২১৪, হাদিস: ৩৫৭১।

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 যারা বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে

📄 যারা বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে


ইমরান ইবনু হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعُونَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ قَالُوا مَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ هُمُ الَّذِينَ لَا يَسْتَرْقُونَ وَلَا يَتَطَيَّرُونَ وَلَا يَكْتَوُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ
সত্তর হাজার মানুষ বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যারা জাদু, ঝাড়ফুঁক এবং আগুনের দাগ গ্রহণ করে না; তারাই জান্নাতে যাবে।
আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন—
আমার রব আমার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আমার উম্মতের মধ্যে হতে সত্তর হাজার মানুষকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন—যাদের কোনো হিসাব হবে না এবং আজাবও দেওয়া হবে না। আর প্রতি হাজারের সঙ্গে থাকবে আরও সত্তর হাজার।
নোট: আপনি মনে করবেন না যে, যে ব্যক্তি ঝাড়ফুঁক করল এবং আগুনের দাগ দিয়ে চিকিৎসা করল—সে হিসাববিহীন জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কেননা, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই ঝাড়ফুঁক করেছেন এবং ঝাড়ফুঁক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এমনিভাবে সাহাবায়ে কিরামকে আগুন দিয়ে দাগ দিয়েছেন এবং রাসূল নিজেও দাগ দিয়েছেন। যার কারণে ইমাম তাবারানি রাহিমাহুল্লাহু বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত নিষেধাজ্ঞা বিশেষ প্রকারের ঝাড়ফুঁকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। প্রমাণ হলো—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবনু হাজিমের পরিবারকে বলেছেন—
اعْرِضُوا عَلَيَّ رُقَاكُمْ لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ شِرْكُ
তোমাদের ঝাড়ফুঁক আমার কাছে পেশ করো, যদি তাতে শিরিক বিষয় না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।
নিরুপায় হয়ে লোহা গরম করে দাগ দেওয়ার বিধানটাও এমনা। যে ব্যক্তি প্রয়োজনে ক্ষেত্র বিশেষে শর্তসাপেক্ষে এ কাজ করবে, তার জন্য এটা মাকরুহও হবে না এবং তার সম্মানেরও হ্রাস ঘটবে না।

টিকাঃ
[১৩৫] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ২১৪, হাদিস: ৩৫৭১।
[১৩৬] মুসনাদু তিরমিজি, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৪৭৩, হাদিস: ২০৬১। ইমাম তিরমিজি বলেছেন, হাদিসটি হাসান গরিব।
[১৩৭] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১১, পৃষ্ঠা: ২০২, হাদিস: ৪০৬৬।

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 উম্মতে মুহাম্মাদির শ্রেষ্ঠত্ব

📄 উম্মতে মুহাম্মাদির শ্রেষ্ঠত্ব


আবু সাইদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَا آدَمُ فَيَقُولُ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ قَالَ يَقُولُ أَخْرِجْ بَعْثَ النَّارِ قَالَ وَمَا بَعْثُ النَّارِ قَالَ مِنْ كُلِّ أَلْفٍ تِسْعَ مِائَةٍ وَتِسْعِينَ قَالَ فَذَاكَ حِينَ يَشِيبُ الصَّغِيرُ } وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ } قَالَ فَاشْتَدَّ عَلَيْهِمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّنَا ذَلِكَ الرَّجُلُ فَقَالَ أَبْشِرُوا فَإِنَّ مِنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ أَلْفًا وَمِنْكُمْ رَجُلٌ قَالَ ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَطْمَعُ أَنْ تَكُونُوا رُبُعَ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَحَمِدْنَا اللَّهَ وَكَبَّرْنَا ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَطْمَعُ أَنْ تَكُونُوا ثُلُثَ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَحَمِدْنَا اللَّهَ وَكَبَّرْنَا ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَطْمَعُ أَنْ تَكُونُوا شَطْرَ أَهْلِ الْجَنَّةِ إِنَّ مَثَلَكُمْ فِي الْأُمَمِ كَمَثَلِ الشَّعْرَةِ الْبَيْضَاءِ فِي جَلْدِ الثَّوْرِ الْأَسْوَدِ أَوْ كَالرَّقْمَةِ فِي ذِرَاعِ الْحِمَارِ.
আল্লাহ ডেকে বলবেন, হে আদম, তিনি বলবেন, হে আল্লাহ আমি উপস্থিত এবং যাবতীয় কল্যাণ আপনারই হাতে। আল্লাহ বলবেন, জাহান্নামে প্রেরিতদেরকে বের করে দাও। হজরত আদম বলবেন, কতজনকে? আল্লাহ বলবেন, প্রতি হাজার থেকে নয়শ নিরানব্বইজনকে। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সেসময় শিশু বৃদ্ধ হয়ে যাবে। (কুরআন কারিমে ইরশাদ হয়েছে—'সেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী তার দুধের শিশুকে ভুলে যাবে, প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত ঘটাবে এবং মানুষকে তুমি দেখবে মাতাল; অথচ তারা মাতাল নয়। বস্তুত আল্লাহর আজাব সুকঠিন।' [সুরা হজ, আয়াত: ১]) নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সময়টি তাদের জন্য খুব কঠিন হবে। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের মধ্য থেকে মুষ্টিভাগ্য লোকটি কে? নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ করো—এক হাজার হবে ইয়াজুজ মাজুজ এবং তোমাদের মধ্য থেকে হবে একজন মানুষ। তারপর বললেন, ওই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, আমি আশা করি যে, জান্নাতিদের এক চতুর্থাংশই হবে তোমরা। সুতরাং আমরা আল্লাহর প্রশংসা করলাম, তাঁর বড়ত্ব বর্ণনা করলাম। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন, ওই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, আমি আশাবাদী যে, তোমরাই হবে জান্নাতিদের অর্ধেক। কালো গাভীর সাদা পশমের দৃশ্য যেমন হবে, অন্যান্য উম্মতের মাঝে তোমাদের দৃশ্যটা তেমন হবে, অথবা গাধার পায়ে লালকালো রঙের মতো হবে। (কোরোর মাঝে সাদা এবং সাদার মাঝে কালো যেমন দৃষ্টি আকর্ষণকারী হয়, ঠিক তেমনি কিয়ামতের মাঠে অন্যান্য উম্মতের মাঝে উম্মতে মুহাম্মাদি দৃষ্টি আকর্ষণকারী।)

টিকাঃ
[১৩৮] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৩০, হাদিস: ০২৭৭।

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 জাহান্নামের বিভিন্ন স্তর

📄 জাহান্নামের বিভিন্ন স্তর


আল্লাহ তাআলা বলেছেন—
كَلَّا إِنَّهَا لَظَى ۝ نَزَّاعَةً لِّلشَّوَى
কখনই নয়; নিশ্চয় এটা লেলিহান শিখা, যা (মাথার) চামড়া তুলে দেবে। [সুরা মাআরিজ, আয়াত: ১৫-১৬]
আরও ইরশাদ করেছেন—
وَمَا أَدْرَاكَ مَا سَقَرُ ۝ لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ ۝ لَوَّاحَةٌ لِّلْبَشَرِ
আপনি কি জানেন অগ্নি কি? এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না, মানুষকে দগ্ধ করবে। [সুরা মুদ্দাসসির: ২৭-২৯]
অর্থাৎ চামড়াকে জ্বালিয়ে পাল্টে ফেলবে, যেমন সূর্য তাপ দিয়ে পাল্টে দেয়।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেছেন—
وَمَا أَدْرَاكَ مَا هِيَهْ ۝ نَارٌ حَامِيَةٌ
তুমি কি জানো হাবিয়া কী? হাবিয়া হলো জ্বলন্ত আগুন। [সুরা কারিয়া, আয়াত : ১০-১১]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ ؕ نَارُ اللَّهِ الْمُوْقَدَةُ ۙ الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ ؕ
কখনো না, অবশ্যই হুতামায় নিক্ষেপ করবো। তুমি জানো হুতামা কী? আল্লাহর প্রজ্বলিত অগ্নি— যা কলিজাও পৌঁছে যাবে। [সুরা হামযা, আয়াত : ৪-৭]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ ؕ
এবং যখন জাহান্নামকে প্রজ্বলিত করা হবে। [সুরা তাকবির, আয়াত : ১২]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا ؕ
তারা অতিসত্বর প্রজ্বলিত আগুনে পৌঁছে যাবে। [সুরা নিসা, আয়াত : ১০]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
وَالَّذِينَ كَفَرُوا لَهُمْ نَارُ جَهَنَّمَ لَا يُقْضَى عَلَيْهِمْ فَيَمُوتُوا ؕ
আর যারা কাফির হয়েছে, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেওয়া হবে না যে— তারা মরে যাবে। [সুরা ফাতির, আয়াত : ৩৬]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
إِنَّ الْمُنَافِقِينَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ ؕ
নিঃসন্দেহে মুনাফিকরা অবস্থান করবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। [সুরা নিসা, আয়াত : ১৪৫]
এই আয়াতগুলোর মাধ্যমে কাফিরদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, সীমানালঙ্ঘনকারী সন্ত্রাসবাদীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে, একগুঁড়াবাদী পাপাচারীদেরকে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। যেন তারা আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়াবলি থেকে বিরত থাকে। যেমন আল্লাহ বলেছেন এবং সত্যিই বলেছেন—
فَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ ۙ أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ ؕ
তাহলে জাহান্নামকে ভয় করো, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর, যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফিরদের জন্য। [সুরা বাকারা, আয়াত : ২৪]
আরও ইরশাদ হয়েছে—
إِنَّ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَالَ الْيَتَامَى ظُلْمًا إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ نَارًا ؕ وَ سَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا ؕ
যারা এতিমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করছে এবং শীঘ্রই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে। [সুরা নিসা, আয়াত : ১০]
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে—
ذٰلِكَ يُخَوِّفُ اللَّهُ بِهِ عِبَادَهُ ؕ
এগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করেন। [সুরা জুমার, আয়াত : ১৬]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00