📄 কিয়ামতের দিন আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত এবং ক্ষমার প্রত্যাশা
সানাবিহি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি উবাদা ইবনু সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর দরবারে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি মৃতুশয্যায় ছিলেন। যার কারণে আমি কেঁদে ফেললাম। তখন তিনি বললেন, শান্ত হও, কাঁদছ কেন? আল্লাহ্র কসম! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে হাদিস শ্রবণ করেছি, সবগুলোতেই তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত আছে। কিন্তু কল্যাণের একটি হাদিস—যেটা তোমাদের কাছে বর্ণনা করেছিলাম এবং আজকেও সেটি তোমাদের কাছে বর্ণনা করব, একদিকে আমার জীবন-প্রদীপ নিভু নিভু। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—
مَن شَهِدَ أَن لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُولُ اللَّهِ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ النَّارَ.
যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেবে যে, আল্লাহ্ই একমাত্র উপাস্য এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল, আল্লাহ তার ওপর জাহান্নামকে হারাম করে দেবেন。
সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— ‘আল্লাহ তাআলা যেদিন আকাশ-জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন একশ রহমত ও সৃষ্টি করেছেন। প্রতিটি রহমত আকাশ-জমিন সমপরিমাণ। তার মধ্য থেকে একটি রহমত জমিনে প্রেরণ করেছেন। একটি রহমত রয়েছে কারণে যা সন্তানকে ভালোবাসে, পশু-পাখি পরস্পরকে ভালোবাসে। যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে তখন সেই ভালোবাসাকে এই রহমত দ্বারা পূর্ণ করবেন。
টিকাঃ
[১৩৮] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১২৯, হাদিস: ৪২।
[১৩৯] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৩১, হাদিস: ৬৪৯৯।
📄 জান্নাতের ওপর কষ্টের এবং জাহান্নামের ওপর কামনার আবরণ
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
حُفَّتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ وَحُفَّتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ
জান্নাত ঢেকে দেওয়া হয়েছে অপছন্দনীয় বস্ত্ত দ্বারা এবং জাহান্নাম আচ্ছাদিত কামনীয় বস্ত্ত দ্বারা。
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— ‘আল্লাহ তাআলা যখন জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন জিবরীলকে জান্নাতের দিকে প্রেরণ করে বললেন, জান্নাত দেখে এসো এবং জান্নাতিদের জন্য তাতে আমার তৈরি ব্যবস্থাপনাও দেখে এসো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুতরাং তিনি জান্নাতে এলেন, জান্নাত এবং জান্নাতিদের জন্য তৈরি ব্যবস্থাপনাও দেখলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারপর আল্লাহ তাআলার কাছে ফিরে এসে বললেন, আপনার ইজ্জতের কসম, যে ব্যক্তিই জান্নাতের কথা শুনবে—সেই তাতে প্রবেশ করবে। সুতরাং নির্দেশ দিয়ে জান্নাতকে অপছন্দনীয় বস্ত্তর মাধ্যমে আচ্ছাদিত করা হলো। তারপর হজরত জিবরীলকে বললেন, আবার দেখে এসো—আমি জান্নাতিদের জন্য কী প্রস্তুত করেছি! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হজরত জিবরীল আলাইহি সাল্লাম ফিরে আবার জান্নাতে গিয়ে দেখলেন—জান্নাত অপছন্দনীয় বস্ত্ত দ্বারা আবৃতা। এবার তিনি ফিরে গিয়ে আল্লাহকে বললেন, আপনার ইজ্জতের শপথ, আমি তো এখন ভয় করছি, কেউ হয়তো তাতে প্রবেশ করবে না। এবার আল্লাহ তাআলা বললেন, জাহান্নামে যাও, তা দেখো এবং জাহান্নামিদের জন্য প্রস্তুতকৃত বস্ত্তগুলোও দেখো। তিনি দেখলেন, একটি আরেকটির ওপর চড়া চেষ্টা করছে। সুতরাং তিনি আল্লাহ্র কাছে ফিরে গিয়ে বললেন, আপনার ইজ্জতের শপথ, জাহান্নামের কথা শুনলে কেউ তাতে প্রবেশ করবে না। অতঃপর নির্দেশ দেওয়া হলে জাহান্নামকে কামনীয় বস্ত্তর মাধ্যমে ঢেকে দেওয়া হলো। তারপর বললেন, জিবরীল, এবার গিয়ে জাহান্নাম দেখে এসো। জিবরীল আবার গেলেন। তারপর ফিরে এসে আল্লাহকে বললেন, আপনার ইজ্জতের কসম, আশঙ্কা করছি, হয়তো কেউ জাহান্নামে প্রবেশ করা থেকে বাঁচতে পারবে না。
টিকাঃ
[১৪৩] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪৪৮, হাদিস: ২৮১৮১।
[১৪৪] সুনানুত তিরমিজি, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১২০, হাদিস: ২৫৫৫১।
📄 জান্নাত এবং জাহান্নামের ঝগড়া
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
أَخْتَلَفَ النَّارِ وَالْجَنَّةُ فَقَالَتْ هُذِهِ تَدْخُلِي الْجَارُونَ وَالْمُتَكَبِّرُونَ فَقَالَتْ هُذِهِ تَدْخُلِي الضُّعَفَاءُ وَالْمَسَاكِينُ فَقَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لِهَذِهِ أَنْتِ عَذَابِي أُعَذِّبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ وَرُبَّمَا قَالَ أَصِيبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ وَقَالَ لِهَذِهِ أَنْتِ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا.
জান্নাত ও জাহান্নাম তর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল, জালিম ও অহংকারীরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, দুর্বল ও অসহায়রা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। তখন আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে বললেন, তুই আমার আজাব, তোর মাধ্যমে আমি যাকে চাই আজাব দেব এবং অনেক সময় তোর মাধ্যমে যাকে চাই বিপদে ফেলব। জান্নাতকে বললেন, তুই আমার রহমত, তোর মাধ্যমে যাকে চাই দয়া করব। তোদের দুজনকেই পূর্ণ করব。
টিকাঃ
নোট: হাদীসে উল্লিখিত তিনটি শব্দের বিশ্লেষণ—
১. اَلنَّارُ – নার (অগ্নি): প্রত্যেক এমন রূহ—যা নফসকে ওপরে কঠিন হয়, যার ওপর আমল করা কষ্টকর। যেমন শীতোষ্ণ সমাজে পবিত্রতা অর্জন করা এবং অন্যান্য নেককাজ করা, বিপদে ধৈর্য ধারণ করা এবং সমস্ত অপছন্দনীয় কাজ সবর করা।
২. اَلْجَنَّةُ – জান্নাত (উদ্যান): প্রত্যেক এই কাজ—যা প্রবৃত্তির অনুকূল হয়, প্রবৃত্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয়, সেদিকে আকর্ষণ করে এবং তার সঙ্গে ভাল মিশিয়ে চলে।
৩. اَلْخِفَافُ – খালাফ: কোনো বস্তুকে পূর্বরূপে আভ্যন্তরীণ করে রাখা। সীমালঙ্ঘন না করলে যেখানে পৌঁছা যায় না। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাকারিহ ও শাহাওয়াতের মাধ্যমে ফাসিকের উপমা পেশ করেছেন। তো জান্নাতে প্রবেশ করতে হলে মাকারিহকে জয় করে তার ওপর ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আর জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই শাহাওয়াতকে পরিহার করতে হবে এবং প্রবৃত্তিকে দমন করতে হবে।
৪. فَيَدْخُلُ মুমিনিন প্রান্তে কাজু আবু বকর ইবনুল আরাবি রাহিমাহুল্লাহু বলেছেন—রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী—الْخِفَافُ الَّذِي بَالْتَجْوِيدُ وَالْخِفَافُ بالْخَفَافِ—এর মর্ম হলো—জান্নাত ও জাহান্নামের চারিদিকে অপছন্দনীয় ও কমনীয় বস্তুগলো রাখা হয়েছে। আর মানুষ মনে করেছে, এর প্রেক্ষাপট উপমা। যদি এমনটি হততো, তাহলে উপমা হিসেবে বিশুদ্ধ হতো। কিন্তু বাস্তবে জাহান্নামের চারিদিকে কমনীয় এবং জান্নাতের চারিদিকে অপছন্দনীয় বস্তু রাখা হয়েছে। যেমন: জান্নাত জাহান্নাম স্বর্গ যাতনা দারিদ্র অপছন্দনীয় বস্তু যুদ্ধ নারী অর্থ পদ-ক্ষমতা
[৪০১] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৪২০, হাদিস: ৫০৮১; সহিহ বুখারি, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ৮৭, হাদিস : ৪৪৭১।
📄 জান্নাতি ও জাহান্নামিদের গুণাবলি
আয়াজ ইবনু হিমান আল-মাজাশী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন খুতবায় যায়েদ বলেছেন— ‘জান্নাতি মানুষ দুই শ্রেণি— (১) ক্ষমতাশীল ন্যায়পরায়ণ, দানশীল এবং কল্যাণকর কাজের তাওফিকপ্রাপ্ত; (২) দয়াবান ও আত্মীয়স্বজনসহ প্রতিটি মুসলিমদের প্রতি কোমল হৃদয়ের অধিকারী; (৩) পূতপবিত্র চরিত্রের অধিকারী, যাচঞাকারী নয় এবং সন্তানাদি-সম্পন্ন লোক। এমনিভাবে জাহান্নামি মানুষ পাঁচ শ্রেণি: (১) এমন দুর্বল লোক যার মাঝে (স্বেচ্ছ-মিথ্যা এবং ভালো-মন্দের মাঝে) পার্থক্য করার বিবেক নেই, যারা তোমাদের এমন তাবেদার যে, না তারা পরিবার-পরিজন চায় আর না অর্থও কামনা করে। (২) এমন খেয়ানতকারী মানুষ—যার লোভও কারও কাছেই লুকায়িত নয়। (৩) এমন মানুষ—যে সকাল-সন্ধ্যা তোমার পরিবার ও সম্পদ সম্পর্কে তোমাকে ধোঁকা দেয়। (৪) কৃপণ লোক (৫) মিথ্যাবাদী এবং অশ্লীলতাপ্রিয়。
হারিসা ইবনু ওহাব আল-খুজা'য়ি রাহিমাহুল্লাহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَهْلِ الْجَنَّةِ كُلُّ ضَعِيفٍ مُتَضَعِّفٍ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَهْلِ النَّارِ كُلُّ عَتَلٍ جَوَّاظٍ مُسْتَكْبِرٍ.
আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতিদের সম্পর্কে বলব না? তারা হলো প্রত্যেক ওই মানুষ—দুনিয়ার কাজে দুর্বল কিন্তু দ্বীনের কাজে শক্তিশালী। যদি আল্লাহর নামে কসম করে, তাহলে পূরণ করে। আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামিদের সম্পর্কে বলব না? তারা হলো—অসভ্য, রুক্ষভাষী, কৃপণ (অবৈধভাবে জমা করে, জরুরি খাতেও দান করে না) এবং অহংকারী。
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমাদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করার সময় সাহাবিরা জানাযার প্রশংসা করল। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে। আরেকটি জানাযা অতিক্রম করল, যার জন্য নিন্দা করা হলো। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে। তখন হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আপনার প্রতি আমার পিতা-মাতা কোরবান হোক! একটা জানাযা গেল, তার জন্য প্রশংসা করা হলো, আপনি বললেন, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে। আবার আরেকটা জানাযা অতিক্রম করল, তার নিন্দা করা হলো, আপনি বললেন, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে, অবধারিত হয়েছে। (মূল বিষয়টি কী?) জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—
مِنْ أَنْتُمْ عَلَيْهِ خَيْرًا وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَمَنْ أَثْنَيْتُمْ عَلَيْهِ شَرًّا وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ أَنْتُمْ شُهَدَاءُ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ أَنْتُمْ شُهَدَاءُ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ شُهَدَاءُ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ.
তোমরা যার ভালো গুণ বর্ণনা করলে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়েছে। আর তোমরা যার নিন্দা করলে, তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়েছে। তোমরা জমিনে আল্লাহর সাক্ষী, তোমরা জমিনে আল্লাহর সাক্ষী, তোমরা জমিনে আল্লাহর সাক্ষী。
টিকাঃ
[৪০২] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ২৪, হাদিস: ৪১০৬।
[৪০৩] সহিহ বুখারি, খণ্ড: ১৫, পৃষ্ঠা: ২১০, হাদিস: ৪৫৫৭; সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ১৪, পৃষ্ঠা: ৪, হাদিস : ৫০৯২।
[৪০৪] সহিহ মুসলিম, খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৪৮, হাদিস: ১৩৭১।
জান্নাত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— 'শক্তিশালী মুমিন (দ্বীনদারির দিক থেকে) আল্লাহর কাছে উত্তম ও প্রিয়, দুর্বল মুমিনের চেয়ে। তবে প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে।' সুতরাং যে ব্যক্তি তার জীবনে বিনয় দুর্বল হবে, দ্বীনের প্রতি পরোয়া করে না, তাহলে সে নিন্দিত। এটা জাহান্নামের পথ। যেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই দুর্বল ব্যক্তির বোধশক্তি নেই। আর যার বোধশক্তি নেই, সে ফাসাদ ও গণ্ডগোলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে, সেগুলোকে পরিহার করবে না। আর এটা দ্বীনী দুর্বলতা।