📄 মাইয়্যিতকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর তালকিন করানো
ফুজাইল ইবনু ইলাহ্ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন—‘যখন সুস্থ থাকে, তখন আমার চেয়ে ভয় করা বেশি উত্তম। আর যখন মৃত্যুর সময় হবে, তখন তার ভয়ের চেয়ে আশা বেশি করা প্রয়োজন।
আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ
‘তোমাদের মৃত্যুপথযাত্রীকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর তালকিন করো।'
মৃত্যুপথযাত্রীকে এই কালিমার তালকিন করা প্রতিশ্রুত সুন্নাত, যার ওপর মুসলিমরা যুগ-যুগ যাবৎ আমল করে আসছেন। যেন তার শেষ কথাটি হয় 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ'। যার মাধ্যমে সৌভাগ্যের ওপর তার পরিসমাপ্তি ঘটবে এবং সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিম্নোক্ত হাদীসের সুসংবাদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— مَنْ كَانَ آخِرُ كَلَامِهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ
যে ব্যক্তির শেষ কথাটি হবে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।'
মৃত্যুপথযাত্রীকে এমন বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করতে হবে—যার মাধ্যমে সে শয়তানকে প্রতিরোধ করতে পারবে। কেননা, শয়তান মৃত্যুপথযাত্রীর সামনে এমনসব বিষয় উপস্থাপন করতে থাকে—যার মাধ্যমে তার আক্বিদা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতএব, যখন তার কাছে আপনি কালিমার তালকিন করবেন, আর সে একবার তা বলবে, এরপর কালিমার পুনরাবৃত্তি করবেন না, যেন সে বোঝা না মনে করে। যার কারণে উলামায়ে কিরাম অধিক পরিমাণ তালকিন করাকে এবং পীড়াপীড়ি করাকে মাকরূহ বলেছেন। বিশেষত যখন বোঝা যাবে যে, মৃত্যুশয্যায় শায়িত ব্যক্তি কালিমা পাঠ করবে বা তার পাঠ করার বিষয়টি অনুমিত হবে。
টিকাঃ
[১] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭২, হাদীস: ১৫২৩。
[২] সুনানু আবি দাউদ, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭৩, হাদীস: ৩১০৯।
📄 মৃত্যুর সময়ে স্বজনদের করণীয়
তালকিনের উদ্দেশ্য হলো—মানুষ মারা যাওয়ার প্রাক্কালে যেন তার হৃদয়ে কেবল আল্লাহই থাকেন। কেননা, মূল ভিত্তিই হলো কলব। কলবের আমলই দেখা হবে এবং এর মাধ্যমেই মুক্তির ফায়সালা হবে। আর মুখের উচ্চারণ? যদি এর মাধ্যমে হৃদয়ের ভাষার বহিঃপ্রকাশ না ঘটে, তাহলে তার কোনো উপকার নেই এবং তার কোনো প্রয়োজনীয়তাও নেই।
আমার কথা হলো—মৃত্যুপথযাত্রীকে তালকিন করা জরুরি। তার সামনে কালিমায়ে শাহাদাতের যিকির করতে হবে; যদিও চূড়ান্ত পর্যায়ের জাগরণমূলকভাবে হয়।
মৃত্যুর সময়ে রোদনপ্রার্থনা
উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— إِذَا حَضَرْتُمُ الْمَرِيضَ أَوِ الْمَيِّتَ فَقُولُوا خَيْرًا فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ يُؤْمِّنُونَ عَلَى مَا تَقُولُونَ.
‘যখন তোমরা অসুস্থ বা মৃত ব্যক্তির কাছে উপস্থিত হবে, তখন উত্তম কথা বলো। কেননা, তোমরা যে কথাগুলো বলো—সেগুলো কবুলের জন্য ফিরিশতারা আমিন বলেন。
উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন—যখন আবু সালামা (তার স্বামী) মারা গেলেন, আমি নবিজ্বী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এসে বললাম—'হে আল্লাহর রাসূল! আবু সালামা মারা গেছেন!' নবিজ্বী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন— اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِأَبِي سَلَمَةَ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ.
‘বলো—হে আল্লাহ, আমাকে এবং তাকে ক্ষমা করো এবং তার অবর্তমানে আমার জন্য উত্তম ব্যবস্থা করে দাও!
উম্মে সালামা বলেন—সুতরাং আল্লাহ তাআলা আমাকে তার চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, আমার জন্য আল্লাহর রাসূলকে স্বামী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।'
উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবিজ্বী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু সালামার কাছে গিয়ে দেখলেন তার চোখ খোলা। তখন তিনি চোখ বন্ধ করে বললেন—‘যখন রুহ বিদায় নেয় চক্ষুও তার অনুসরণ করে।'
এতদশ্রবণে তার পরিবারের লোকজন শিহরিত হলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—'তোমরা নিজেদের জন্য কেবল কল্যাণের দুআয়ই করো। কেননা, তোমাদের কথার ওপর ফিরিশতারা আমিন বলেন। তারপর বললেন— اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِأَبِي سَلَمَةَ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ.
হে আল্লাহ, আবু সালামাকে ক্ষমা করে দাও। হিদায়াতপ্রাপ্তদের মাঝে তার মর্যাদাকে উঁচু করে দাও! জীবিতদের মাঝে তার প্রতিনিধি হয়ে যাও! আমাদেরকে ও তাকেও ক্ষমা করো! হে সমগ্র জগতের রব, তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও এবং তার কবরকে নূর প্রদান করো!'
সালাফগণ: সালাফেরা বলেছেন, মায়্যিতের মৃত্যুকালে তার কাছে নেককার লোকদের উপস্থিতি মুস্তাহাব। যেন তারা মৃত্যুপথযাত্রীকে যিকির স্মরণ করিয়ে দেন, তার জন্য দুআ করেন, তার পরবর্তী প্রজন্মকে উপদেশ প্রদান করেন এবং উত্তম কথা বলেন। যার কারণে তাদের উত্তম কথা ও ফিরিশতাদের আমিন একত্রিত হয়ে যায়। আর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তি, তার পরবর্তী প্রজন্ম অথবা বিপদগ্রস্ত মানুষ উপকৃত হতে পারে।
টিকাঃ
[১] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭৬, হাদীস: ১৫২৯。
[১] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭০, হাদীস: ১৫২৮。
[২] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭১, হাদীস: ১৫২৯。
📄 চোখ বন্ধ করার সময়ে যা বলতে হবে
শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন— إِذَا حَضَرْتُمْ مَوْتَاكُمْ فَأَغْمِضُوا الْبَصَرَ فَإِنَّ الْبَصَرَ يَتْبَعُ الرُّوحَ وَقُولُوا خَيْرًا فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تُؤْمِّنُ عَلَى مَا قَالَ أَهْلُ الْبَيْتِ.
টিকাঃ
[১] সুনানু ইবনু মাজাহ, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৩৮৬, হাদীস: ৩৪৪৪。
📄 ফলাফলের মাপকাঠি হবে শেষ আমল
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন— إِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ الْعَمَلَ الْجَنَّةِ ثُمَّ لَهُ عَمَلُ أَهْلِ النَّارِ وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ الْعَمَلَ النَّارِ ثُمَّ لَهُ عَمَلُ أَهْلِ الْجَنَّةِ.
একজন মানুষ দীর্ঘ সময় যাবৎ জান্নাতি মানুষের মতো আমল করে, তারপর তার আমলের পরিসমাপ্তি ঘটে জাহান্নামের আমলের মাধ্যমে। তদ্রূপ একজন মানুষ দীর্ঘ সময় যাবৎ জাহান্নামি মানুষের মতো আমল করে, তারপর তার আমলের পরিসমাপ্তি ঘটে জান্নাতির আমলের মাধ্যমে।'
সাহল ইবনু সাআদ সূত্র বর্ণিত আছে, তিনি নবিজ্বী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন—‘নিশ্চয় কোনো বান্দা জাহান্নামির ন্যায় আমল করে, অথচ সে জান্নাতি। আবার কোনো বান্দা জান্নাতির ন্যায় আমল করে, অথচ সে জাহান্নামি। মূলত শেষ আমলের ওপরই (জান্নাত ও জাহান্নামের) ভিত্তি।'
ব্যাখ্যা: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক বলেছেন—'জেনে রাখুন! মন্দ পরিণতি ওই ব্যক্তির হয় না—যে তার বাহ্যিক আমলকে সঠিক রাখে এবং অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে। এমন কখনো শোনা যায়নি, জানাও যায়নি আলহামদুলিল্লাহ। বরং মন্দ পরিণতি (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই) ওই ব্যক্তিরই হয়—যার বুদ্ধিও থাকে নৈরাজ্যিক মনোভাব, গুনাহের প্রতি থাকে অবিচলতা, বড় বড় অপরাধে হয় অগ্রগামী। এমনকি এভাবে অপরাধেই তার ওপর থাকে বিজয়ী, আর এমতাবস্থায় অবস্থার পূর্বেই যখন তার ওপর মুদ্রা আবির্ভূত হয়, এই কঠোর মুহূর্তে শয়তান তাকে আক্রমণ করে এবং এই ভীতিকর পরিস্থিতিতে শয়তান তার ঈমানকে ছিনিয়ে নেয়। আল্লাহ তাআলার কাছে এমন ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি。
অথবা সঠিক পথেই পরিচালিত হতে থাকে। তারপর তার অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, ফের হয়ে যায় তার নীতি থেকে, গ্রহণ করে ভিন্ন পথ; যা তার মন্দ পরিণতি এবং শেষ পরিণাম অশুভ হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন : ইবলিস। বর্ণিত আছে—সে দীর্ঘ আশি হাজার বছর যাবত আল্লাহ তাআলার ইবাদত করেছে। তদ্রূপ বালআম ইবনু বাউরা। যাকে আল্লাহ তাআলা বিশেষ নিদর্শনে দিয়েছিলেন, তার সব দুআ কবুল হতো। সে সম্প্রদায়ের লোভে মুসা আ.-এর বিপক্ষে জালিমদের জন্য দুআ করতে সম্মত হয়েছিল; কিন্তু তার মুখ দিয়ে বদুআ বের হয়নি, তার জিহ্বা বেরিয়ে এসে বুকে লটকে গেল। প্রবৃত্তির অনুসরণের কারণেই তার এমন পরিণতি হয়েছে। তেমনি বায়সিস আবিদ। যার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা দিয়েছেন— كَمَا لَخْلَشَ الْقَلْبُ إِذْ قَالَ لِلْإِنْسَانِ اكْفُرْ সে শয়তানের অনুরূপ। কারণ, সে মানুষকে কুফরির নির্দেশ দিয়েছিলো। [সূরা হাশর, আয়াত : ১৬]
বসরাব একজন আবিদ রবি ইবনু সাবরাহ ইবনু মা’বাদ আল-জুহানি বলেছেন—আমি সিলিয়ায় কিছু মানুষকে দেখেছি। তাদের মধ্যে জনৈক ব্যক্তিকে বলা হলো—হে আল্লাহ বান্দা, বলো লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ! সে বলল—মদ পান করো! এবং আমাকে পান করাও! (কালিমা পড়তে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল)।
আহওয়ায শহরের এক ব্যক্তিকে বলা হলো, বলো, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ! জবাবে সে বলল—দাহ ইয়াওয়াছ দাহওয়াছ! যার ব্যাখ্যা হলো—দশ, এগারো, বারো। লোকটি ছিল অমিসসার ও হিসাব বিভাগের লোক। যার কারণে তার মন-মানসিকতায় হিসাব-নিকাসের বিষয়টিই জেঁকে বসে ছিল।
আমি (লেখক) বলি, এমন অনেক মানুষ রয়েছে—যাদের হৃদয় ও মানসিকতায় জাগতিক ব্যস্ততা, দুনিয়ার চিন্তা এবং পৃথিবীর নানা উপাস্য-উপকরণের কারণে এমনটা হয়েছে। এমনকি আমরা এমন ঘটনাও শুনেছি—জনৈক দালাল যখন মৃত্যুপথযাত্রী হলো, তাকে বলা হলো—বলো লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ! জবাবে সে বলাছিল—সাড়ে তিন এবং সাড়ে চার! দালালির তার ওপর জেঁকে বসেছিল।
আমি জনৈক হিসাবরক্ষককে দেখেছি—সে কঠিন রোগাক্রান্ত অবস্থায় আঙ্গুলের কড় গুনে গুণে হিসাব করছিল।
আরেকজনকে বলা হলো—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ! সে বলছিল—অমুক বাড়িতে এই সংস্কারমূলক কাজ এবং অমুক বাগানগুলোতে এই পরিমাণ-এই পরিমাণ কাজের লোক নিয়োগ করো।
আল্লাহর কাছে এমন পরিস্থিতি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি এবং তার অনুগ্রহ ও দয়ায় শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করছি!
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় কসম খেয়ে বলতেন— لَا وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ ‘কলব পরিবর্তনকারীর শপথ।’
যার মর্ম হলো—আল্লাহ তাআলা বাতাসকে চেয়েও দ্রুত গতিতে কোনো আবেদন/দুআ কবুল করতে পারেন কিংবা প্রত্যাখ্যানও করতে পারেন; তদ্রূপ কোনো কিছুর ইচ্ছা কিংবা অপছন্দ ইত্যাদিও দ্রুত হতে পারে। তাই কলব পরিবর্তনকারীর শপথ করা হয়েছে।
কুরআন কারিমে ইরশাদ হয়েছে— وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يَحُولُ بَيْنَ الْمَرْءِ وَقَلْبِهِ জেনে রেখো, আল্লাহ মানুষ এবং তার অন্তরের মাঝে অন্তরায় হয়ে যান। [সূরা আনফাল, আয়াত : ২৪]
উপরোক্ত আয়াতের ব্যাখ্যাতে মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, অন্তরায় হওয়ার অর্থ হলো—বান্দা বুঝতে পারে না যে, সে কী করবে! অন্য আয়াতে এভাবে তার বিবরণ দেওয়া হয়েছে— إِنَّ فِي ذَلِكَ لَذِكْرَى لِمَن كَانَ لَهُ قَلْبٌ এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্য, যার অনুধাবন করার মতো অন্তর রয়েছে। [সূরা ক্বাফ, আয়াত : ৩৭]
টিকাঃ
[২] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১৯০, হাদীস: ৪৭৬১。
[৩] সহীহ বুখারী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২৫৪, হাদীস: ৭১১৬。
[২৪] সহীহুল বুখারী, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ২৯০, হাদিস : ৬১২২