📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 দ্বীন ধ্বংসের আশঙ্কায় মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করার বিধান

📄 দ্বীন ধ্বংসের আশঙ্কায় মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করার বিধান


ইউসুফ আলাইহিস সালাম অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জানিয়েছেন, তিনি আল্লাহর কাছে নিম্নের দুআ করেছিলেন—
تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ
আমাকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং নেককারদের সাথে যুক্ত করুন। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ১০১]
মারইয়াম আলাইহিস সালাম দুআ করেছিলেন এভাবে—
يَلَيْتَنِي مِتُّ قَبْلَ هَذَا وَكُنْتُ نَسْيًا مَنْسِيًّا
হায়! আমি যদি এর পূর্বেই মারা যেতাম এবং হয়ে যেতাম চিরবিস্মৃতা! [সূরা মারইয়াম, আয়াত: ২৩]
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ بِقَبْرِ الرَّجُلِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي مَكَانَهُ.
ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ অন্য কারও কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় এ কথা না বলবে যে—হায় আমি যদি তার স্থানে হতাম।

টিকাঃ
[৩] সহীহুল বুখারী, খণ্ড: ১২, পৃষ্ঠা: ৩৯, হাদীস: ৬৫৪৬; সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১০, পৃষ্ঠা: ১১২, হাদীস: ৪৭৭৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২০৭, হাদীস: ৫০৬।

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 মৃত্যুর আলোচনার ফজিলত এবং মৃত্যুর প্রস্তুতি

📄 মৃত্যুর আলোচনার ফজিলত এবং মৃত্যুর প্রস্তুতি


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
أَكْثِرُوا ذِكْرَ هَاذِمِ اللَّذَّاتِ.
[মৃত্যু ওপরে আলোচিত] 'স্বাদ বিনাশকারী [মৃত্যুর] আলোচনা বেশি বেশি করো।'
আব্দুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। ইন্তেজারে জনৈক আনসারি ব্যক্তি এলেন এবং নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম দিলেন। তারপর বললেন— হে আল্লাহর রাসূল! কোন মুমিন সবচেয়ে উত্তম? জবাবে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন—যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর। আনসারি আবার বললেন, কোন মুমিন সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমান? নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—যে ব্যক্তি মৃত্যুকে অধিকহারে স্মরণ করে, মৃত্যুরূপবর্তী জীবনের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তারাই অধিক জ্ঞানী সচেতন।
শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মৃত্যুরূপবর্তী জীবনের জন্য আমল করে। আর অক্ষম ওই ব্যক্তি, যে নফসকে প্রবৃত্তির দাস বানালো এবং আল্লাহর ওপর আশা করে থাকল。
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَوةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا.
যিনি জীবন-মরণকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নেককার কে-তা পরীক্ষা করার জন্য। [সূরা মূলক, আয়াত: ২]
ইমাম সুদ্দি রাহিমাহুল্লাহু এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে মৃত্যুকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করে, মৃত্যুর জন্য সবচেয়ে সুন্দরভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং মৃত্যুকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে, সেই হলো প্রকৃত বুদ্ধিমান।
উলামায়ে কিরাম বলেছেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথাটি— أَكْثِرُوا ذِكْرَ هَاذِمِ اللَّذَّاتِ 'স্বাদ বিনাশকারী (মৃত্যুর) আলোচনা বেশি বেশি করো'—অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। কিন্তু এই বাণীটি সমস্ত উপদেশের পরিব্যাপ্ত করেছে এবং উচ্চারণের ভাষায় নিশ্চিত করেছে। কেননা, যে ব্যক্তি সত্যিকারেরই মৃত্যুকে স্মরণ করে, পার্থিব জীবনের স্বাদ-আস্বাদ তার কাছে বিস্বাদ হয়ে ওঠে, তার ভবিষ্যৎ আশঙ্কা লোকে বিনাশ করে দেয় এবং তাকে সমস্ত আশা থেকে বিরান করে তুলে। কিন্তু আবদ্ধ নফস এবং উদাস হৃদয়গুলো দীর্ঘ উপদেশ এবং আড়ম্বরপূর্ণ শব্দের মুখাপেক্ষী হয়। নতুবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণী 'স্বাদ বিনাশকারী মৃত্যুর আলোচনা বেশি বেশি করো' এবং সাথে আল্লাহ তাআলার কালাম—
كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ.
প্রতিটি প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে
প্রাণের জন্য যথেষ্ট এবং দর্শককে তাতে ব্যস্ত রাখতে পারত।
গোটা উম্মত একমত যে, মৃত্যুর জন্য নির্ধারিত কোনো বয়স নেই, জানা নেই নির্ধারিত কোনো সময় আর না আছে নির্ধারিত কোনো রোগ। এর কারণ হলো—মানুষ যেন সর্বদা মৃত্যুর ভয়ে ভীত থাকে এবং মৃত্যুর জন্য সদা প্রস্তুত থাকে। জনৈক বুজুর্গ রাতের বেলা শহরের প্রাচীরে উঠে ডেকে ডেকে বলছেন—আর-রাহিল! আর-রাহিল—মৃত্যুপথের যাত্রী! মৃত্যুরূপথের যাত্রী! তার মৃত্যু হলে ওই শহরের শাসক ওই ডাকের আওয়াজ শুনতে না পেয়ে তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তাকে জানানো হলো—লোকটি মারা গেছেন। তখন তিনি এই কবিতা আবৃত্তি করলেন—
مَا زَالَ يَلْهَجُ بِالرَّحِيْلِ وَذِكْرِهِ حَتَّى أَنَاخَ بِبَابِهِ الْآجَال
فَأَصَابَهُ مُتَيَقَّظًا وَمُشَمِّرًا ذَا أَهْبَةٍ لَمْ تُلْهِهِ الْأَمَال
'সর্বদা মৃত্যু ও তার আলোচনা নিয়ে করত আসক্ত, এমনকি তার দরজায় উভয়লোও হেঁকে উঠত। সুতরাং সে জাগ্রত হয়ে দ্রুত চলত— ঐশ্বপ্রব্যয়! আর আকাঙ্ক্ষা হতো পরাজিত।'
ইমাম আত-তাইমি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, দুটি বস্তু আমার থেকে দুনিয়ার স্বাদকে বিচ্ছিন্ন করেছে। কেননা, যে ব্যক্তি সত্যিকারেরই মৃত্যুর স্মরণ করে, পার্থিব জীবনের স্বাদ-আস্বাদ তার কাছে বিস্বাদ হয়ে ওঠে, তার ভবিষ্যৎ আশঙ্কা লোকে বিনাশ করে দেয়।
ইমাম আল-জিফাফ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি অধিকহারে মৃত্যুর কথা স্মরণ করবে, তাকে তিনটি বস্তু দ্বারা সম্মানিত করা হবে—(১) দ্রুত তওবা করার সুযোগ হবে। (২) হৃদয়ে তুষ্টি সৃষ্টি হবে (৩) ইবাদতের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

টিকাঃ
[৪] সুনানুন নাসাঈ, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৩৪২, হাদীস: ১৮০১; সুনানুত তিরমিজি; হাদীস: ২৬০৭; ইবনু মাজাহ হাদীস: ৪২৫৮。
[৫] সুনানুত তিরমিজি, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৪১১, হাদীস: ৪২৪১।
[৬] সুনানুত তিরমিজি, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৪১৯, হাদীস: ৪২০৮。

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 মৃত্যু ও আখিরাতের স্মরণ এবং দুনিয়া পরিত্যাগ

📄 মৃত্যু ও আখিরাতের স্মরণ এবং দুনিয়া পরিত্যাগ


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন—নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাতার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন, সঙ্গী-সাথিওরা কাঁদলেন। তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—
اسْتَأْذَنْتُ رَبِّيَ فِي أَنْ أَسْتَغْفِرَ لَهَا فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي وَاسْتَأْذَنْتُهُ فِي أَنْ أَزُورَ قَبْرَهَا فَأَذَنَ لِي فَزُورُوا الْقُبُورَ فَإِنَّهَا تُذَكِّرُ الْمَوْتَ.
আমি আমার রবের কাছে আমার মায়ের জন্য ক্ষমা চাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি অনুমতি দিলেন না। তারপর আমার রবের কাছে মায়ের কবর জিয়ারত করার অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিলেন। অতএব, তোমরা কবর জিয়ারত করো! কেননা, তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
সালাফগন: সালাফরা বলেছেন, অসুস্থ হৃদয়ের জন্য কবর জিয়ারত করার চেয়ে উপকারী কোনো আমল নেই। বিশেষভাবে যদি কারণও হৃদয় খুব শক্ত হয়, তাহলে তার জন্য কবর জিয়ারত অত্যন্ত উপকারী আমল। সুতরাং কঠিন হৃদয়ের মানুষগুলো এই কয়েকটি বিষয়ের মাধ্যমে তার হৃদয়ের চিকিৎসা করবে:
প্রথম বিষয়: হৃদয়ের কঠোরতা ও অপসাকে উপড়ে ফেলতে হবে। এর উপায় হলো, ইলমের এমন বৈঠকগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে—যেখানে ওয়াজ-নসিহত করা হয়, জাহান্নামের ভয় এবং জান্নাতের আশা প্রদর্শন করা হয় এবং নেককারের ঘটনা শোনানো হয়। কেননা, এগুলোতে হৃদয়কে করে কোমল-বিগলিত এবং তার মাঝে সৃষ্টি করে কল্যাণের পুষ্টি।
দ্বিতীয় বিষয়: মৃত্যুর আলোচনা। দুনিয়া ত্যাগ-আল্লাহ আদ বিনাশকারী, আজকে বিক্রমিকারী এবং সন্তানসন্ততিকে অতিক্রমকারী মৃত্যুর আলোচনা বেশি বেশি করতে হবে।
তৃতীয় বিষয়: মৃত্যুমুখ্য শাস্তিও ব্যক্তিদের কাছে উপস্থিত থাকা। কারণ, মৃত্যুর দিকে তাকিয়ে থাকা, মৃত্যুমুখী ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষ করা, মৃত্যুর সময়ের টানাটেনেগুলোকে অবলোকন করা এবং মৃত্যুপববর্তী অবস্থা সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা হৃদয়ের স্বাদ- আস্বাদনকে নিঃশেষ করে দেয়। অন্তরের খুশিতে ডিঙা দেয়। নিদ্রার খোকরকে নির্মূল করে দেয়, শরীরকে বিশ্রাম থেকে উঠিয়ে ইবাদতের পরিশ্রমে নিয়োজিত করে, আমলের প্রতি করে উদগ্রীব এবং অধিক পরিমাণ কষ্ট ও পরিশ্রমের প্রতি করে উৎসাহিত।

টিকাঃ
[১] সহীহ মুসলিম: খণ্ড: ৭০, পৃষ্ঠা: ১৩৯, হাদিস: ৯৯২২।

📘 মৃত্যুর ওপারে অনন্তের পথে > 📄 কবর জিয়ারতের বিধান

📄 কবর জিয়ারতের বিধান


বুরাইদা ইবনু হাসিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ فَزُورُوهَا فَإِنَّ فِي زِيَارَتِهَا تَذْكِرَةً
তোমাদেরকে কবর জিয়ারত করা থেকে বারণ করেছিলাম, (তবে এখন থেকে) তোমরা কবর জিয়ারত করো। কেননা, কবর জিয়ারতের মধ্যে (পরকালের) স্মরণ রয়েছে।
বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—'যে ব্যক্তি কবর জিয়ারত করতে চায়, সে যেন কবর জিয়ারত করে। এবং তোমরা মন্দ কথা বলো না।'
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন—'আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা তাদের (কবরবাসীর) জন্য কীভাবে দুআ করব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিহি ওয়াসাল্লাম বললেন এভাবে বলো—
اَلسَّلَامُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ يَرْحَمُ اللهُ الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لاَحِقُونَ.
মুমিন ও মুসলিম কবরবাসীর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, আমাদের থেকে আগের ও পরের সকলের প্রতি আল্লাহ রহম করুন। আল্লাহ চাইলে আমরা শিগগির তোমাদের সাথে মিলিত হব。
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা এক মহিলার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন—যে একটি কবরের পাশে কাঁদছিল। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন—
اتَّقِي اللهَ وَاصْبِرِي.
আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো。
নোট: আরবদের কাছে কান্নার ছিল একটি প্রসিদ্ধ রূপ। তারা বর্ণনা করে কাঁদত। সাথে করত চিৎকার, গালে থাপ্পড় মারত বাদ্যযন্ত্র, কাপড়চোপড়ও ফেঁড়ে ফেলত।
ইসলামে কিরাম এমন কান্না হারাম হওয়ার ব্যাপারে একমত। এমন কান্নার ব্যাপারে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে শাস্তিবাদী উচ্চারিত হয়েছে—
أَنَا بَرِيءٌ مِّمَّنْ حَلَقَ وَخَرَقَ وَشَقَّ.
আমি ওই ব্যক্তি থেকে মুক্ত—যে চিৎকার করে, কাট্ট ভাষায় কথা বলে এবং কাপড়চোপড় ফাড়ো。
তবে চিৎকার করা ছাড়া কান্নার ব্যাপারে অনুমতি রয়েছে। কবরের কাছে এবং মৃত্যুর সময় কান্নার বৈধতার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এটাকে মায়া ও রহমতের কান্না বলা হয়েছে, যা সকল মানুষের মাঝেই রয়েছে। এমনকি যখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুত্র হজরত ইবরাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু মারা গিয়েছিলেন তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রন্দন করেছিলেন—

টিকাঃ
[১] সুনানু আবি দাউদ, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ৪৪, হাদিস: ২৭৯৬
[২] সহীহ মুসলিম: খণ্ড: ৭০, পৃষ্ঠা: ১০০১। তবে আমি মাকতাবায়ে শামেলায় হাদিসের এই পার্টটি পাইনি—অনুবাদক。
[১০] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১০২, হাদিস: ৯৯৩৮。
[১১] সহীহ বুখারি, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪৭৬, হাদিস: ১২৮৩。
[১২] সহীহ মুসলিম, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৭১, হাদিস: ১৬৯১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00