📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 হজ্জ, উমরাহ ও সংশ্লিষ্ট আমলের ফযীলত

📄 হজ্জ, উমরাহ ও সংশ্লিষ্ট আমলের ফযীলত


হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عبد الله بن عباس - رضي الله عنهما - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم- في الحَجَر : «والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يُبْصِرُ بهما ، ولسان يَنْطِقُ به ، يَشْهَدُ على من اسْتَلَمَهُ بحق». أخرجه الترمذي.

অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ অবশ্যই কিয়ামতের দিন হাজরে আসওয়াদকে উত্থিত করবেন। তার দুটি চোখ থাকবে যা দিয়ে সে কথা বলবে এবং যারা তাকে ন্যায়নিষ্ঠভাবে স্পর্শ করেছে তাদের পক্ষে সাক্ষী দেবে। (তিরমিযী হা/৯৬১)

হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ ‏"‏ إِنَّ مَسْحَهُمَا كَفَّارَةٌ لِلْخَطَايَا

অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ পাপ সমূহকে সম্পূর্ণ মুছে দেয়। (তিরমিযী হা/৯৫৯)

হাজরে আসওয়াদের আলো
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنَّ الرُّكْنَ وَالْمَقَامَ يَاقُوتَتَانِ مِنْ يَاقُوتِ الْجَنَّةِ ، طَمَسَ اللَّهُ نُورَهُمَا ، وَلَوْ لَمْ يَطْمِسْ نُورَهُمَا لَأَضَاءَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ

অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের ইয়াকুত থেকে দুটি ইয়াকুত। এ দুটির আলোকপ্রভা আল্লাহ্ নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। তিনি যদি এ দুটির প্রভা নিষ্প্রভ না করতেন তাহলে তা পূর্ব পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে সব আলোকিত হত। (তিরমিযী হা/৮৭৮)

হাজরে আসওয়াদ সাদা ছিল
মহানবী (সা.) বলেছেন,
نَزَلَ الْحَجَرُ الأَسْوَدُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهُوَ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ فَسَوَّدَتْهُ خَطَايَا بَنِي آدَمَ )
অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাজরে আসওয়াদ হল জান্নাতের পাথর। পাথরেরটি দুধের চেয়েও বেশি সাদা ছিল। কিন্তু আদম সন্তানের গুনাহ একে কাল করে দিয়েছে। (তিরমিযী হা/৮৭৭)

যমযমের পানির ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ

অর্থ: জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমযমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (আহমাদ হা/১৪৮৪৯)

যমযমের পানি ওষুध
মহানবী (সা.) বলেছেন,
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ ، وَهِيَ طَعَامُ طُعْمٍ ، وَشِفَاءُ سُقْمٍ. رواه أبو داود الطيالسي بسند الصحيح

অর্থ: আবু যার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমযমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ওষুध। (তায়ালিসি হা/৪৫৩)

عن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله عليه و سلم " خير ماء على وجه الأرض زمزم فيه طعم من الطعم وشفاء من السقم " .

অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমীনের ওপর সর্বোত্তম পানি হল যমযমের পানি। (তাবারানী কাবীর হা/১১০৩৪)

হজ্জের বাহনের বিনিময়ে হাজীর সওয়াব লাভ
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عن ابن عمر قال سمعت النبي صلى الله عليه و سلم يقول : ما يرفع إبل الحاج رجلا و لا يضع يدا إلا كتب الله له بها حسنة أو محا عنه سيئة أو رفعه بها درجة

অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি নবী (সা.) কে বলতে শুনেছি, হজ্জে গমনকারী ব্যক্তির উট চলার পথে যখনই পা উত্তোলন করে এবং হাত রাখে এর বিনিময়ে আল্লাহ্ সে হজ্জকারীর জন্য সওয়াব লিখে দেন। অথবা এর দ্বারা তার একটি গুনাহ মুছে দেন অথবা এর দ্বারা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। (আত-তারগীব হা/১১৩৬)

হজ্জ ও ওমরাকারীর দু'আ কবুল হয়
মহানবী (সা.) বলেছেন,
অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ্র পথের গাজী, হজ্জ এবং ওমরাকারী। এরা আল্লাহ্র দল। তারা দু'আ করলে কবুল হয় এবং তারা কিছু চাইলে তাদেরকে তা দেয়া হয়। (ইবনু মাজাহ হা/২৮৯৩)

হাজীগণের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عَلَيْهِ السَّلَامُ : مَنْ خَرَجَ حَاجًّا فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْحَاجِّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَمَنْ خَرَجَ مُعْتَمِرًا فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْمُعْتَمِرِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَمَنْ خَرَجَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْغَازِي إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে। কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য হজ্জের সওয়াব লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি ওমরার উদ্দেশ্যে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে। কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য ওমরার সওয়াব লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি জিহাদের উদ্দেশ্যে যোদ্ধা হিসেবে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য জিহাদের সওয়াব লিখা হবে। (আবু ইয়ালা হা/৬২২৭)

হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عبد الله بن عباس - رضي الله عنهما - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم- في الحَجَر : «والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يُبْصِرُ بهما ، ولسان يَنْطِقُ به ، يَشْهَدُ على من اسْتَلَمَهُ بحق». أخرجه الترمذي.

অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ অবশ্যই কিয়ামতের দিন হাজরে আসওয়াদকে উত্থিত করবেন। তার দুটি চোখ থাকবে যা দিয়ে সে কথা বলবে এবং যারা তাকে ন্যায়নিষ্ঠভাবে স্পর্শ করেছে তাদের পক্ষে সাক্ষী দেবে। (তিরমিযী হা/৯৬১)

হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ ‏"‏ إِنَّ مَسْحَهُمَا كَفَّارَةٌ لِلْخَطَايَا

অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ পাপ সমূহকে সম্পূর্ণ মুছে দেয়। (তিরমিযী হা/৯৫৯)

হাজরে আসওয়াদের আলো
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنَّ الرُّكْنَ وَالْمَقَامَ يَاقُوتَتَانِ مِنْ يَاقُوتِ الْجَنَّةِ ، طَمَسَ اللَّهُ نُورَهُمَا ، وَلَوْ لَمْ يَطْمِسْ نُورَهُمَا لَأَضَاءَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ

অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের ইয়াকুত থেকে দুটি ইয়াকুত। এ দুটির আলোকপ্রভা আল্লাহ্ নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। তিনি যদি এ দুটির প্রভা নিষ্প্রভ না করতেন তাহলে তা পূর্ব পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে সব আলোকিত হত। (তিরমিযী হা/৮৭৮)

হাজরে আসওয়াদ সাদা ছিল
মহানবী (সা.) বলেছেন,
نَزَلَ الْحَجَرُ الأَسْوَدُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهُوَ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ فَسَوَّدَتْهُ خَطَايَا بَنِي آدَمَ )
অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাজরে আসওয়াদ হল জান্নাতের পাথর। পাথরেরটি দুধের চেয়েও বেশি সাদা ছিল। কিন্তু আদম সন্তানের গুনাহ একে কাল করে দিয়েছে। (তিরমিযী হা/৮৭৭)

যমযমের পানির ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ

অর্থ: জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমযমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (আহমাদ হা/১৪৮৪৯)

যমযমের পানি ওষুध
মহানবী (সা.) বলেছেন,
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ ، وَهِيَ طَعَامُ طُعْمٍ ، وَشِفَاءُ سُقْمٍ. رواه أبو داود الطيالسي بسند الصحيح

অর্থ: আবু যার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমযমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ওষুध। (তায়ালিসি হা/৪৫৩)

عن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله عليه و سلم " خير ماء على وجه الأرض زمزم فيه طعم من الطعم وشفاء من السقم " .

অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যমীনের ওপর সর্বোত্তম পানি হল যমযমের পানি। (তাবারানী কাবীর হা/১১০৩৪)

হজ্জের বাহনের বিনিময়ে হাজীর সওয়াব লাভ
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عن ابن عمر قال سمعت النبي صلى الله عليه و سلم يقول : ما يرفع إبل الحاج رجلا و لا يضع يدا إلا كتب الله له بها حسنة أو محا عنه سيئة أو رفعه بها درجة

অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি নবী (সা.) কে বলতে শুনেছি, হজ্জে গমনকারী ব্যক্তির উট চলার পথে যখনই পা উত্তোলন করে এবং হাত রাখে এর বিনিময়ে আল্লাহ্ সে হজ্জকারীর জন্য সওয়াব লিখে দেন। অথবা এর দ্বারা তার একটি গুনাহ মুছে দেন অথবা এর দ্বারা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। (আত-তারগীব হা/১১৩৬)

হজ্জ ও ওমরাকারীর দু'আ কবুল হয়
মহানবী (সা.) বলেছেন,
অর্থ: ইবনু ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ্র পথের গাজী, হজ্জ এবং ওমরাকারী। এরা আল্লাহ্র দল। তারা দু'আ করলে কবুল হয় এবং তারা কিছু চাইলে তাদেরকে তা দেয়া হয়। (ইবনু মাজাহ হা/২৮৯৩)

হাজীগণের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عَلَيْهِ السَّلَامُ : مَنْ خَرَجَ حَاجًّا فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْحَاجِّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَمَنْ خَرَجَ مُعْتَمِرًا فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْمُعْتَمِرِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَمَنْ خَرَجَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَمَاتَ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ الْغَازِي إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে। কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য হজ্জের সওয়াব লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি ওমরার উদ্দেশ্যে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে। কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য ওমরার সওয়াব লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি জিহাদের উদ্দেশ্যে যোদ্ধা হিসেবে বের হল। এরপর মৃত্যুবরণ করেছে কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য জিহাদের সওয়াব লিখা হবে। (আবু ইয়ালা হা/৬২২৭)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 রোযার ফযীলত

📄 রোযার ফযীলত


পরিবার পরিজন বিপদ স্বরূপ
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَنْ يَحْفَظُ حَدِيثًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ قَالَ حُذَيْفَةُ أَنَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصِّيَامُ وَالصَّدَقَةُ

অর্থ: হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের জন্য তার পরিবার, ধন-সম্পদ ও প্রতিবেশী হল ফিতনা স্বরূপ। তার কাফফারা হল সালাত, সিয়াম ও সাদাকাহ। (বুখারী হা/১৭৬২)

রোযার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ، يَقُولُ الصِّيَامُ ‏:‏ رَبِّ إِنِّي مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ، وَيَقُولُ الْقُرْآنُ ‏:‏ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ، فَيُشَفَّعَانِ
অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রোযা ও কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, হে রব! আমি তাকে খাদ্য ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত রেখেছি। অতএব, তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। কুরআন বলবে, আমি তাকে রাতের ঘুম থেকে বিরত রেখেছি সে আমাকে তিলাওয়াত করেছে। অতএব তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এরপর তাদের উভয়ের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। (আহমাদ হা/৬৬২৬)

শাওয়াল মাসের ছয় রোযার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ ثَابِتٍ أَبُو أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ « مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَذَاكَ صِيَامُ الدَّهْرِ

অর্থ: আবু আইয়ুব আল আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযানের রোযা এবং এর পরপরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযাও রাখে সে যেন সারা বছরের সিয়াম পালন করেছে। (মুসলিম হা/২৮১৫)

পরিবার পরিজন বিপদ স্বরূপ
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَنْ يَحْفَظُ حَدِيثًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ قَالَ حُذَيْفَةُ أَنَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصِّيَامُ وَالصَّدَقَةُ

অর্থ: হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের জন্য তার পরিবার, ধন-সম্পদ ও প্রতিবেশী হল ফিতনা স্বরূপ। তার কাফফারা হল সালাত, সিয়াম ও সাদাকাহ। (বুখারী হা/১৭৬২)

রোযার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ، يَقُولُ الصِّيَامُ ‏:‏ رَبِّ إِنِّي مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ، وَيَقُولُ الْقُرْآنُ ‏:‏ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ، فَيُشَفَّعَانِ
অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রোযা ও কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, হে রব! আমি তাকে খাদ্য ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত রেখেছি। অতএব, তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। কুরআন বলবে, আমি তাকে রাতের ঘুম থেকে বিরত রেখেছি সে আমাকে তিলাওয়াত করেছে। অতএব তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এরপর তাদের উভয়ের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। (আহমাদ হা/৬৬২৬)

শাওয়াল মাসের ছয় রোযার ফযীলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ ثَابِتٍ أَبُو أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ « مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَذَاكَ صِيَامُ الدَّهْرِ

অর্থ: আবু আইয়ুব আল আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযানের রোযা এবং এর পরপরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযাও রাখে সে যেন সারা বছরের সিয়াম পালন করেছে। (মুসলিম হা/২৮১৫)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 জ্ঞানার্জন এবং আলেমদের মর্যাদা

📄 জ্ঞানার্জন এবং আলেমদের মর্যাদা


দ্বীনি ছাত্র ও শিক্ষকের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيه وسَلَّم : مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ لَا يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يَتَعَلَّمَ خَيْرًا أَوْ يُعَلِّمَهُ كَانَ لَهُ أَجْرُ مُعْتَمِرٍ تَامِّ الْعُمْرَةِ وَمَنْ رَاحَ إِلَى الْمَسْجِدِ لَا يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يَتَعَلَّمَ خَيْرًا أَوْ يُعَلِّمَهُ فَلَهُ أَجْرُ حَاجٍّ تَامِّ الْحَجَّةِ
অর্থ: আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কেবলমাত্র কল্যাণকর ইলম শিখার জন্য অথবা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে সকাল বেলায় মসজিদে যায়, তার জন্য এমন একজন হাজীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে, যিনি তার হজ্জকে পরিপূর্ণভাবে আদায় করেছেন। (আত-তারগীব হা/৮১)

আলেমের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنَّ الْعُلَمَاءَ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ وَإِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا، وَإِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ فَمَنْ أَخَذَهُ فَقَدْ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِرٍ(٢)

অর্থ: আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিশ। আর নবীগণ কোন দীনার বা দিরহাম উত্তরাধিকার রূপে রেখে যাননি, বরং তারা হিসেবে রেখে গিয়েছেন ইলম। সুতরাং যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করেছে, সে পূর্ণ অংশ লাভ করেছে। (তিরমিযী হা/২৬৮২)

মৃত শিশুরা জান্নাতে কার কাছে থাকবে
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : « أطفال المسلمين في جبل في الجنة يكفلهم إبراهيم وسارة عليهما السلام حتى يدفعوهم إلى آبائهم يوم القيامة »

অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) বলেছেন, রাসূল বলেছেন, ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আ.) মুসলমানদের শিশুদেরকে জান্নাতের কোন পাহাড়ের পাশে লালন পালন করছেন, কিয়ামতের দিন শিশুদেরকে তাদের পিতার কাছে সমর্পণ করার পূর্ব পর্যন্ত তারা তাদের লালন পালন করবেন। (সিলসিলা সহীহাহ হা/১৪৬৭)। সকল শিশু এখন জান্নাতে প্রতিপালিত হচ্ছে। তাদের প্রতিপালনের দায়িত্বে রয়েছেন ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আ.)। জান্নাতে আনন্দফুর্তি করার জন্য মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পাহাড়ও রয়েছে।

দ্বীনি ছাত্র ও শিক্ষকের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيه وسَلَّم : مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ لَا يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يَتَعَلَّمَ خَيْرًا أَوْ يُعَلِّمَهُ كَانَ لَهُ أَجْرُ مُعْتَمِرٍ تَامِّ الْعُمْرَةِ وَمَنْ رَاحَ إِلَى الْمَسْجِدِ لَا يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يَتَعَلَّمَ خَيْرًا أَوْ يُعَلِّمَهُ فَلَهُ أَجْرُ حَاجٍّ تَامِّ الْحَجَّةِ
অর্থ: আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কেবলমাত্র কল্যাণকর ইলম শিখার জন্য অথবা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে সকাল বেলায় মসজিদে যায়, তার জন্য এমন একজন হাজীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে, যিনি তার হজ্জকে পরিপূর্ণভাবে আদায় করেছেন। (আত-তারগীব হা/৮১)

আলেমের মর্যাদা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنَّ الْعُلَمَاءَ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ وَإِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا، وَإِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ فَمَنْ أَخَذَهُ فَقَدْ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِرٍ(٢)

অর্থ: আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিশ। আর নবীগণ কোন দীনার বা দিরহাম উত্তরাধিকার রূপে রেখে যাননি, বরং তারা হিসেবে রেখে গিয়েছেন ইলম। সুতরাং যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করেছে, সে পূর্ণ অংশ লাভ করেছে। (তিরমিযী হা/২৬৮২)

মৃত শিশুরা জান্নাতে কার কাছে থাকবে
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : « أطفال المسلمين في جبل في الجنة يكفلهم إبراهيم وسارة عليهما السلام حتى يدفعوهم إلى آبائهم يوم القيامة »

অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) বলেছেন, রাসূল বলেছেন, ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আ.) মুসলমানদের শিশুদেরকে জান্নাতের কোন পাহাড়ের পাশে লালন পালন করছেন, কিয়ামতের দিন শিশুদেরকে তাদের পিতার কাছে সমর্পণ করার পূর্ব পর্যন্ত তারা তাদের লালন পালন করবেন। (সিলসিলা সহীহাহ হা/১৪৬৭)। সকল শিশু এখন জান্নাতে প্রতিপালিত হচ্ছে। তাদের প্রতিপালনের দায়িত্বে রয়েছেন ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারা (আ.)। জান্নাতে আনন্দফুর্তি করার জন্য মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পাহাড়ও রয়েছে।

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 কুরআন তিলাওয়াতের ফযীলত

📄 কুরআন তিলাওয়াতের ফযীলত


কুরআন সুপারিশকারী হবে
মহানবী সা. বলেছেন,
عن النواس بن سمعان رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يؤتى يوم القيامة بالقرآن وأهله الذين كانوا يعملون به في الدنيا تقدمه سورة البقرة وآل عمران، وضرب لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أمثال ما نسيتهن بعد قال كأنهما غمامتان أو ظلتان سوداوان بينهما شرق أو كأنهما حزقان من طير صواف تحاجان عن صاحبهما. أخرجه مسلم: ٨٠٥/١، والترمذي: / ١٩٦/٥،٢٨٨٣
অর্থঃ নাওয়াস ইবনু সামআন রা, বলেছেন, আমি রাসূল সা. কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন কুরআনকে এবং যারা দুনিয়াতে কুরআন অনুযায়ী আমল করেছে তাদেরকে আনা হবে। কুরআনের আগে আগে থাকবে সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান। আর এ সূরা দু'টি তাদের তিলাওয়াতকারীদের পক্ষ থেকে জবাবদিহি করবে। ( মুসলিম, মিশকাত, রিয়াদুস সালেহীন, ৩/৪০৭)

আরো বর্ণিত আছে, মহানবী সা. বলেছেন,
عن البراء رضي الله تعالى عنه قال : " كان رجل يقرأ سورة الكهف وإلى جانبه حصان مربوط بشطنين فتغشته سخة فجعلت تدنو وتدنو وجعل فرسه ينفر ؛ فلما أصبح أتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له ، فقال : تلك السكينة تنزلت بالقرآن " .
অর্থঃ বারা ইবনু আযিব রা. বলেছেন, একব্যক্তি সূরা কাহাফ পড়ছিল এবং তার কাছে তার ঘোড়াটি রশি দ্বারা বাঁধা ছিল। এসময় এক খণ্ড মেঘ তাকে ঢেকে নেয় এবং তার অতি নিকটবর্তী হতে থাকে। আর তার ঘোড়া লাফাচ্ছিল। সে যখন সকালে নবী করীম সা. এর কাছে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন রাসূল সা. বললেন, তা ছিল আল্লাহ্র রহমত ও শান্তি, যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নেমে এসেছিল। অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সা. বললেন, তাঁরা ছিল ফিরিশতা। তোমার কুরআন তিলাওয়াত শুনে নিকটবর্তী হয়েছিল। তুমি যদি পড়তে থাকতে তারা সকাল পর্যন্ত সেখানে থেকে যেত এবং মানুষ তাঁদের দেখতে পেত, তাঁরা মানুষের দৃষ্টি থেকে লুকোতে পারতে না। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/ ২১১৬-২১১৭)

মহানবী সা. আরো বলেছেন,
عن أبي أمامة الباهلي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " اقرءوا القرآن فإنه يأتي يوم القيامة شفيعا لأصحابه اقرءوا الزهراوين البقرة وآل عمران فإنهما يأتيان يوم القيامة كأنهما غمامتان أو كأنهما غيايتان أو كأنهما فرقان من طير صواف تحاجان عن أصحابهما اقرءوا سورة البقرة فإن أخذها بركة وتركها حسرة ولا يستطيعها البطلة " .
অর্থঃ আবু উমামা রা. করীম সা. কে বলতে শুনেছি, তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর। কেননা কুরআন কিয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করতে আসবে। তোমরা দুই উজ্জ্বল সূরা বাকারা ও আলে ইমরান তিলাওয়াত কর। কেননা কিয়ামতের দিন সূরা দুইটি মেঘখণ্ড অথবা দুইটি সামিয়ানা অথবা দুইটি প্রসারিত পাখির ঝাঁকরূপে আসবে এবং পাঠকের পক্ষে আল্লাহ্র সাথে জোরদার দাবী জানাবে। বিশেষভাবে তোমরা সূরা বাকারা পড়। কারণ সূরা বাকারা পড়ার বিনিময়ে হচ্ছে বরকত আর না পড়ার পরিণাম হচ্ছে অনুশোচনা। অলস ব্যক্তিরাই এ সূরা পড়তে অক্ষম। ( মুসলিম, মিশকাত হা/ ২১২০)
এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কুরআন কিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান কিয়ামতের দিন মেঘের ন্যায় ছায়া হয়ে থাকবে।

আযান দেওয়ার সওয়াব
মহানবী সা. বলেছেন,
وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ « الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَّ صَوْتِهِ، وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِسٍ، وَشَاهِدُ الصَّلاَةِ يُكْتَبُ لَهُ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ حَسَنَةً وَيُكَفَّرُ عَنْهُ مَا بَيْنَهُمَا »

অর্থঃ হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেছেন, মহানবী সা. বলেছেন, মুয়াজ্জিনের কন্ঠের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করা হবে এবং কিয়ামতের দিন তার কল্যাণের জন্য প্রত্যেক সজীব ও নির্জীব বস্তু সাক্ষী দেবে এবং আযান শুনে যত লোক সালাত আদায় করবে সবার সমপরিমাণ নেকী মুয়াজ্জিনের হবে। আর যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের জন্য উপস্থিত হবে, তার জন্য পঁচিশ সালাতের নেকী লিখা হবে। এবং তার দুই সালাতের মধ্যার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। ( নাসাঈ হা/ ৬৬৭)

মহানবী সা. আরো বলেছেন,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ ‏:‏ « مَنْ أَذَّنَ ثِنْتَىْ عَشْرَةَ سَنَةً وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَكُتِبَ لَهُ بِتَأْذِينِهِ فِي كُلِّ مَرَّةٍ سِتُّونَ حَسَنَةً وَبِإِقَامَتِهِ ثَلاَثُونَ حَسَنَةً »
অর্থঃ হযরত ওমর রা. থেকে বর্ণিত, মহানবী সা. বলেছেন, যে বার বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায় এবং তার প্রত্যেক আযানের বিনিময়ে ৬০ নেকী এবং ইকামতের বিনিময়ে ৩০ নেকী অতিরিক্ত লিখা হয়। (ইবনু মাজাহ)

মৃত্যুর পর ৬টি সওয়াব পৌঁছবে
মহানবী সা. বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِمَّا يَلْحَقُ الْمُؤْمِنَ مِنْ عَمَلِهِ وَحَسَنَاتِهِ بَعْدَ مَوْتِهِ عِلْمًا عَلَّمَهُ وَنَشَرَهُ وَوَلَدًا صَالِحًا تَرَكَهُ وَمُصْحَفًا وَرَّثَهُ أَوْ مَسْجِدًا بَنَاهُ أَوْ بَيْتًا لِابْنِ السَّبِيلِ بَنَاهُ أَوْ نَهْرًا أَجْرَاهُ أَوْ صَدَقَةً أَخْرَجَهَا مِنْ مَالِهِ فِي صِحَّتِهِ وَحَيَاتِهِ يَلْحَقُهُ مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِ . وصحيح سنن ابن ماجة: ٢٤٢

অর্থঃ হযরত আবু হোরায়রা রা. বলেছেন, মহানবী সা. বলেছেন, মুমিনের মৃত্যুর পরেও তার আমল ও নেক কাজসমূহের মধ্যে যার সওয়াব তার কাছে বরাবর পৌঁছাতে থাকবে তা হচ্ছেঃ
(১) ইলম- যা সে শিক্ষা করেছে এবং তা বিস্তার করেছে।
(২) নেক সন্তান, যাকে সে দুনিয়ায় রেখে গিয়েছে।
(৩) কুরআন, যা মীরাসরূপে রেখে গিয়েছে।
(৪) মসজিদ, যা সে নির্মাণ করে গিয়েছে।
(৫) মুসাফির খানা, যা সে মুসাফিরদের জন্য তৈরী করে গিয়েছে।
(৬) খাল (কূপ, পুকুর, প্রভৃতি) যা সে খনন করে গিয়েছে।
(৭) দান, যা সে সুস্থ ও জীবিত অবস্থায় তার মাল থেকে খরচ করে গিয়েছে। (এগুলোর সওয়াব। তার মৃত্যুর পরেও তার কাছে পৌঁছাতে থাকবে। (ইবনু মাজাহ, বায়হাকী, মিশকাত হা/ ২৫৪)

কুরআন সুপারিশকারী হবে
মহানবী সা. বলেছেন,
عن النواس بن سمعان رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يؤتى يوم القيامة بالقرآن وأهله الذين كانوا يعملون به في الدنيا تقدمه سورة البقرة وآل عمران، وضرب لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أمثال ما نسيتهن بعد قال كأنهما غمامتان أو ظلتان سوداوان بينهما شرق أو كأنهما حزقان من طير صواف تحاجان عن صاحبهما. أخرجه مسلم: ٨٠٥/١، والترمذي: / ١٩٦/٥،٢٨٨٣
অর্থঃ নাওয়াস ইবনু সামআন রা, বলেছেন, আমি রাসূল সা. কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন কুরআনকে এবং যারা দুনিয়াতে কুরআন অনুযায়ী আমল করেছে তাদেরকে আনা হবে। কুরআনের আগে আগে থাকবে সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান। আর এ সূরা দু'টি তাদের তিলাওয়াতকারীদের পক্ষ থেকে জবাবদিহি করবে। ( মুসলিম, মিশকাত, রিয়াদুস সালেহীন, ৩/৪০৭)

আরো বর্ণিত আছে, মহানবী সা. বলেছেন,
عن البراء رضي الله تعالى عنه قال : " كان رجل يقرأ سورة الكهف وإلى جانبه حصان مربوط بشطنين فتغشته سخة فجعلت تدنو وتدنو وجعل فرسه ينفر ؛ فلما أصبح أتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له ، فقال : تلك السكينة تنزلت بالقرآن " .
অর্থঃ বারা ইবনু আযিব রা. বলেছেন, একব্যক্তি সূরা কাহাফ পড়ছিল এবং তার কাছে তার ঘোড়াটি রশি দ্বারা বাঁধা ছিল। এসময় এক খণ্ড মেঘ তাকে ঢেকে নেয় এবং তার অতি নিকটবর্তী হতে থাকে। আর তার ঘোড়া লাফাচ্ছিল। সে যখন সকালে নবী করীম সা. এর কাছে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন রাসূল সা. বললেন, তা ছিল আল্লাহ্র রহমত ও শান্তি, যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নেমে এসেছিল। অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সা. বললেন, তাঁরা ছিল ফিরিশতা। তোমার কুরআন তিলাওয়াত শুনে নিকটবর্তী হয়েছিল। তুমি যদি পড়তে থাকতে তারা সকাল পর্যন্ত সেখানে থেকে যেত এবং মানুষ তাঁদের দেখতে পেত, তাঁরা মানুষের দৃষ্টি থেকে লুকোতে পারতে না। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/ ২১১৬-২১১৭)

মহানবী সা. আরো বলেছেন,
عن أبي أمامة الباهلي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " اقرءوا القرآن فإنه يأتي يوم القيامة شفيعا لأصحابه اقرءوا الزهراوين البقرة وآل عمران فإنهما يأتيان يوم القيامة كأنهما غمامتان أو كأنهما غيايتان أو كأنهما فرقان من طير صواف تحاجان عن أصحابهما اقرءوا سورة البقرة فإن أخذها بركة وتركها حسرة ولا يستطيعها البطلة " .
অর্থঃ আবু উমামা রা. করীম সা. কে বলতে শুনেছি, তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর। কেননা কুরআন কিয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করতে আসবে। তোমরা দুই উজ্জ্বল সূরা বাকারা ও আলে ইমরান তিলাওয়াত কর। কেননা কিয়ামতের দিন সূরা দুইটি মেঘখণ্ড অথবা দুইটি সামিয়ানা অথবা দুইটি প্রসারিত পাখির ঝাঁকরূপে আসবে এবং পাঠকের পক্ষে আল্লাহ্র সাথে জোরদার দাবী জানাবে। বিশেষভাবে তোমরা সূরা বাকারা পড়। কারণ সূরা বাকারা পড়ার বিনিময়ে হচ্ছে বরকত আর না পড়ার পরিণাম হচ্ছে অনুশোচনা। অলস ব্যক্তিরাই এ সূরা পড়তে অক্ষম। ( মুসলিম, মিশকাত হা/ ২১২০)
এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কুরআন কিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান কিয়ামতের দিন মেঘের ন্যায় ছায়া হয়ে থাকবে।

আযান দেওয়ার সওয়াব
মহানবী সা. বলেছেন,
وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ « الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَّ صَوْتِهِ، وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِسٍ، وَشَاهِدُ الصَّلاَةِ يُكْتَبُ لَهُ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ حَسَنَةً وَيُكَفَّرُ عَنْهُ مَا بَيْنَهُمَا »

অর্থঃ হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেছেন, মহানবী সা. বলেছেন, মুয়াজ্জিনের কন্ঠের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করা হবে এবং কিয়ামতের দিন তার কল্যাণের জন্য প্রত্যেক সজীব ও নির্জীব বস্তু সাক্ষী দেবে এবং আযান শুনে যত লোক সালাত আদায় করবে সবার সমপরিমাণ নেকী মুয়াজ্জিনের হবে। আর যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের জন্য উপস্থিত হবে, তার জন্য পঁচিশ সালাতের নেকী লিখা হবে। এবং তার দুই সালাতের মধ্যার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। ( নাসাঈ হা/ ৬৬৭)

মহানবী সা. আরো বলেছেন,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ ‏:‏ « مَنْ أَذَّنَ ثِنْتَىْ عَشْرَةَ سَنَةً وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَكُتِبَ لَهُ بِتَأْذِينِهِ فِي كُلِّ مَرَّةٍ سِتُّونَ حَسَنَةً وَبِإِقَامَتِهِ ثَلاَثُونَ حَسَنَةً »
অর্থঃ হযরত ওমর রা. থেকে বর্ণিত, মহানবী সা. বলেছেন, যে বার বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায় এবং তার প্রত্যেক আযানের বিনিময়ে ৬০ নেকী এবং ইকামতের বিনিময়ে ৩০ নেকী অতিরিক্ত লিখা হয়। (ইবনু মাজাহ)

মৃত্যুর পর ৬টি সওয়াব পৌঁছবে
মহানবী সা. বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِمَّا يَلْحَقُ الْمُؤْمِنَ مِنْ عَمَلِهِ وَحَسَنَاتِهِ بَعْدَ مَوْتِهِ عِلْمًا عَلَّمَهُ وَنَشَرَهُ وَوَلَدًا صَالِحًا تَرَكَهُ وَمُصْحَفًا وَرَّثَهُ أَوْ مَسْجِدًا بَنَاهُ أَوْ بَيْتًا لِابْنِ السَّبِيلِ بَنَاهُ أَوْ نَهْرًا أَجْرَاهُ أَوْ صَدَقَةً أَخْرَجَهَا مِنْ مَالِهِ فِي صِحَّتِهِ وَحَيَاتِهِ يَلْحَقُهُ مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِ . وصحيح سنن ابن ماجة: ٢٤٢

অর্থঃ হযরত আবু হোরায়রা রা. বলেছেন, মহানবী সা. বলেছেন, মুমিনের মৃত্যুর পরেও তার আমল ও নেক কাজসমূহের মধ্যে যার সওয়াব তার কাছে বরাবর পৌঁছাতে থাকবে তা হচ্ছেঃ
(১) ইলম- যা সে শিক্ষা করেছে এবং তা বিস্তার করেছে।
(২) নেক সন্তান, যাকে সে দুনিয়ায় রেখে গিয়েছে।
(৩) কুরআন, যা মীরাসরূপে রেখে গিয়েছে।
(৪) মসজিদ, যা সে নির্মাণ করে গিয়েছে।
(৫) মুসাফির খানা, যা সে মুসাফিরদের জন্য তৈরী করে গিয়েছে।
(৬) খাল (কূপ, পুকুর, প্রভৃতি) যা সে খনন করে গিয়েছে।
(৭) দান, যা সে সুস্থ ও জীবিত অবস্থায় তার মাল থেকে খরচ করে গিয়েছে। (এগুলোর সওয়াব। তার মৃত্যুর পরেও তার কাছে পৌঁছাতে থাকবে। (ইবনু মাজাহ, বায়হাকী, মিশকাত হা/ ২৫৪)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00