📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 ইসলাম গ্রহণে অতীতের গুনাহ ক্ষমা হয়

📄 ইসলাম গ্রহণে অতীতের গুনাহ ক্ষমা হয়


মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا : أَنَّ نَاسًا مِنْ أَهْلِ الشِّرْكِ قَتَلُوا فَأَكْثَرُوا وَزَنَوْا فَأَكْثَرُوا ثُمَّ أَتَوْا مُحَمَّدًا -صلى الله عليه وسلم- فَقَالُوا إِنَّ الَّذِي تَقُولُ وَتَدْعُو إِلَيْهِ لَحَسَنٌ لَوْ تُخْبِرُنَا أَنَّ لِمَا عَمِلْنَا كَفَّارَةً فَنَزَلَتْ (الَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ) وَنَزَلَتْ (يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ) الآيَةَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ

অর্থ: ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন কিছু সংখ্যক মুশরিক লোক যারা মুশরিক অবস্থায় ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে এবং যেনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে তারা মুহাম্মাদ (সা.) এর কাছে এসে বললেন, আপনি যা বলেন এবং যে দিকে আহবান করেন তা খুবই উত্তম। কিন্তু আমাদেরকে বলুন, অতীত জীবনে আমরা যে সমস্ত মন্দ কাজ করেছি তা মুছে যাবে কিনা? তাহলে আমরা ইসলাম গ্রহণ করবো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল: “যে সমস্ত লোক আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে ইলাহ মানে না। আল্লাহ্র হারাম করা কোন প্রাণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে না এবং যেনা করে না। যারা এসব কাজে লিপ্ত হবে তারা নিজেদের পাপের প্রতিফল পাবে। (সূরা: আল-ফুরক্বান, ৬৮) আরো অবতীর্ণ হল, “হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর বাড়াবাড়ি করেছ, তারা আল্লাহ্র রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন, তিনি ক্ষমাশীল”। (সূরা: মুসলিম হা/৩৩৭)।

মহানবী (সা.) বলে
لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا صَلَاةَ لَهُ ، وَلَا وُضُوءَ لَهُ ، وَلَا صَلَاةَ لِمَنْ لَا وُضُوءَ لَهُ ، وَلَا صَوْمَ لِمَنْ لَا يَصُومُ لَهُ ، وَلَا صَوْمَ إِلَّا بِالْكَفِّ عَنْ مَحَارِمِ اللَّهِ »

অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত মহানবী সা: বলেন: যে নামাজ পড়েনা তার কোন ঈমান নেই, আর যে অজু করেনা তার কোন নামাজ নেই। আর যে রোযা রাখেনা তার কোন অযুত নেই, নামাজও নেই।

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 ওযুর পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়

📄 ওযুর পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়


মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ ‏ "‏ إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ، أَوِ الْمُؤْمِنُ فَغَسَلَ وَجْهَهُ خَرَجَ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنَيْهِ مَعَ الْمَاءِ، أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ، فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ كَانَتْ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ الْمَاءِ، أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ، فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ خَرَجَتْ كُلُّ خَطِيئَةٍ مَشَتْهَا رِجْلَاهُ مَعَ الْمَاءِ أَوْ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنَ الذُّنُوبِ

অর্থ: আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোন মুসলিম বান্দা উযুর সময় যখন মুখমন্ডল ধুয়ে ফেলে তখন তার চোখ দিয়ে অর্জিত গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। যখন সে দুই হাত ধৌত করে তখন তার দুই হাতের স্পর্শের মাধ্যমে সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। এরপর যখন সে তা পা দু’খানা ধৌত করে তখন তার দুই পা দিয়ে হাঁটার মাধ্যমে অর্জিত সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝরে যায়, এভাবে সে যাবতীয় গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যায়। (মুসলিম হা/৬০০)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 আযান ও ইকামতের ফযীলত

📄 আযান ও ইকামতের ফযীলত


মহানবী (সা.) বলেছেন,
مَنْ أَذَّنَ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ ، وَكُتِبَ لَهُ بِتَأْذِينِهِ فِي كُلِّ يَوْمٍ سِتُّونَ حَسَنَةً وَبِإِقَامَتِهِ ثَلَاثُونَ حَسَنَةً

অর্থ: ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ১২ বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হয়ে যায় এবং তার জন্য তার প্রত্যেক আযানের বিনিময়ে ৬০ নেকী এবং এবং প্রত্যেক ইকামতের বিনিময়ে লিখা হয় ৩০ নেকী। (ইবনু মাজাহ হা/৭২৮)

মুয়াজ্জিনের সওয়াব
মহানবী (সা.) বলেছেন,
أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُهُ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ ‏:‏ « الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَّ صَوْتِهِ وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِسٍ وَشَاهِدُ الصَّلاَةِ يُكْتَبُ لَهُ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ حَسَنَةً وَيُكَفَّرُ عَنْهُ مَا بَيْنَهُمَا ‏»

অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, মুয়াজ্জিনের কন্ঠস্বর যতদূর পর্যন্ত যায় তাকে ততদূর ক্ষমা করে দেয়া হয়। তাজা ও শুষ্ক প্রতিটি জিনিসই কিয়ামতের দিন তার জন্য সাক্ষী হয়ে যাবে। আর কেউ জামাআতে হাজির হলে তার জন্য ২৫ ওয়াক্ত সালাতের সওয়াব লিখা হয় এবং এক সালাত থেকে আরেক সালাতের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (আবু দাউদ হা/৫১৫)

মুয়াজ্জিনের আযান দেওয়ার সওয়াব
মহানবী (সা.) বলেছেন,
وَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ صَلَّى مَعَهُ

অর্থ: বারাআ ইবনু আযিব (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, মুয়াজ্জিন ঐ ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব পায় যে তার সাথে সালাত আদায় করে। (নাসাঈ হা/৬৪৬)

মহানবী (সা.) বলেছেন,
أبي هريرة ( أن رسول الله قال ( الإمام ضامن والمؤذن مؤتمن اللهم أرشد الأئمة واغفر للمؤذنين
অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইমাম হচ্ছেন যিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন আমানতদার। ‘হে আল্লাহ্! ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দিন। (আবু দাউদ হা/৫১৭)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 মসজিদে গমনের ফযিলত

📄 মসজিদে গমনের ফযিলত


মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي غَسَّانَةَ أَنَّهُ سَمِعَ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ – صلى الله عليه وسلم- أَنَّهُ قَالَ ‏:‏ « إِذَا تَطَهَّرَ الرَّجُلُ ، ثُمَّ مَرَّ إِلَى الْمَسْجِدِ يَرْعَى الصَّلاَةَ كَتَبَ لَهُ كَاتِبَاهُ أَوْ كَاتِبُهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ يَخْطُوهَا إِلَى الْمَسْجِدِ عَشْرَ حَسَنَاتٍ ، وَالْقَاعِدُ يَرْعَى الصَّلاَةَ كَالْقَانِتِ وَيُكْتَبُ مِنَ الْمُصَلِّينَ مِنْ حِينِ يَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ حَتَّى يَرْجِعَ »

অর্থ: উক্ববাহ ইবনু আমির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন কোন ব্যক্তি পবিত্রতা হাসিল করে সালাতের জন্য মসজিদে আসে, তখন তার জন্য দু'জন কিংবা একজন ফিরিশতা মসজিদের উদ্দেশ্যে প্রতিটি কদমের বিনিময়ে ১০টি করে নেকী লিপিবদ্ধ করেন। (আহমাদ হা/১৭৪৪)

নামায পাপকে দূর করে দেয়
মহানবী (সা.) বলেছেন,
أن رسول الله صلى الله عليه و سلم قال : الصلوات الخمس والجمعة إلى الجمعة ورمضان إلى رمضان مكفرات لما بينهن إذا اجتنبت الكبائر
অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ৫ ওয়াক্ত সালাত, এক জুমআহ থেকে পরবর্তী জুমআহ এবং এক রমযান থেকে অপর রমযান পর্যন্ত তার মাঝখানে সংঘটিত গুনাহসমূহের কাফফারাহ্ হয়ে যায়। কিন্তু শর্ত হল, কবীরাহ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। (মুসলিম হা/৫৭৪)

নামাযের নিয়ম-কানুন আদায় না করার পরিণাম
মহানবী (সা.) বলেছেন,
إِنَّ الرَّجُلَ لَيَنْصَرِفُ وَمَا كُتِبَ لَهُ إِلاَّ عُشْرُ صَلاَتِهِ تُسْعُهَا ثُمُنُهَا سُبْعُهَا سُدُسُهَا خُمُسُهَا رُبُعُهَا ثُلُثُهَا نِصْفُهَا

অর্থ: আমার ইবনু ইয়াসির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, এমন লোকও আছে যারা সালাত আদায় করা সত্ত্বেও সালাতের রুকন ও শর্তগুলো সঠিকভাবে আদায় না করায় এবং সালাতে পরিপূর্ণ একাগ্রতা ও খুশু-খুযু না থাকায় তারা সালাতের পরিপূর্ণ সওয়াব পায় না। বরং তারা ১০ ভাগের ১ ভাগ, ৯ ভাগের ১ ভাগ, ৮ ভাগের ১ ভাগ, ৭ ভাগের ১ ভাগ, ৬ ভাগের ১ ভাগ, ৫ ভাগের ১ ভাগ, ৪ ভাগের ১ ভাগ, ৩ ভাগের ১ ভাগ বা অর্ধাংশ সওয়াব প্রাপ্ত হয়। (আবু দাউদ হা/৭৯৬)

নামাযের কোন কাতার উত্তম
মহানবী (সা.) বলেছেন,
فقال النبي ( صلى الله عليه وسلم خير صفوف الرجال أولها وشرها آخرها ، وخير صفوف النساء آخرها وشرها أولها

অর্থ: আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পুরুষ লোকদের জন্য উত্তম কাতার হল, প্রথম কাতার আর অনুত্তম কাতার হল, সর্বশেষ কাতার। নারীদের জন্য সর্বোত্তম কাতার হল, শেষ কাতার এবং অনুত্তম কাতার হল, প্রথম কাতার। ( মুসলিম হা/১০১৩)

নামাযের প্রথম কাতারে ক্ষমা
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَسْتَغْفِرُ لِلصَّفِّ الأَوَّلِ ثَلاَثًا وَلِلثَّانِي مَرَّةً ‏.‏

অর্থ: ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রথম কাতারের জন্য তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, আর দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার। (ইবনু মাজাহ হা/৯৯৬)

ওযু করে মসজিদের দিকে বের হওয়ার সওয়াব
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ ‏:‏ « مَنْ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ مُتَطَهِّرًا إِلَى صَلاَةٍ مَكْتُوبَةٍ فَأَجْرُهُ كَأَجْرِ الْحَاجِّ الْمُحْرِمِ ، وَمَنْ خَرَجَ إِلَى تَسْبِيحِ الضُّحَى لاَ يَنْصِبُهُ إِلاَّ إِيَّاهُ فَأَجْرُهُ كَأَجْرِ الْمُعْتَمِرِ ، وَصَلاَةٌ عَلَى إِثْرِ صَلاَةٍ لاَ لَغْوَ بَيْنَهُمَا كِتَابٌ فِي عِلِّيِّينَ

অর্থ: আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ফরয সালাতের জন্য উযু করে নিজ ঘর থেকে বের হবে, সে একজন ইহরামধারী হাজীর সমান সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি চাশতের সালাত আদায় করার জন্য বের হবে, সে একজন উমরাহকারীর সমান সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত সালাত আদায়ের পর থেকে আরেক ওয়াক্ত সালাত আদায়ের মধ্যবর্তী সময়ে কোন বাজে কথা বা কাজ করবে না, তাকে ইল্লিয়্যুন-এ লিপিবদ্ধ করা হবে অর্থাৎ তার মর্যাদা সুউচ্চ হবে। (আবু দাউদ হা/৫৫৮)

জামাআত না পেলেও সওয়াব পাবে
মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم :‏ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ رَاحَ فَوَجَدَ النَّاسَ قَدْ صَلَّوْا، أَعْطَاهُ اللَّهُ مِثْلَ أَجْرِ مَنْ صَلاَّهَا وَحَضَرَهَا لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أَجْرِهِمْ شَيْئًا

অর্থ: আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে উযু করে মসজিদে গিয়ে দেখতে পেল লোকেরা সালাত আদায় করে ফেলেছে। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তা'আলা তাকেও জামাআতে সামিল হয়ে সালাত আদায়কারীদের সমান সওয়াব দান করবেন। অথচ তাদের সওয়াব থেকে কিছুই কমানো হবে না। (আবু দাউদ হা/৫৬৪)

খোলা ময়দানে সালাতের ফযিলত
মহানবী (সা.) বলেছেন,
( الصَّلَاةُ فِي جَمَاعَةٍ تَعْدِلُ خَمْسًا وَعِشْرِينَ صَلَاةً فَإِذَا صَلَّاهَا فِي فَلَاةٍ فَأَتَمَّ رُكُوعَهَا وَسُجُودَهَا بَلَغَتْ خَمْسِينَ صَلَاةً )

অর্থ: আবু সাঈদ আল খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জামাআতের সাথে সালাত আদায়ে ২৫ গুণ সওয়াব রয়েছে। কেউ যখন কোন খোলা মাঠে জামাআতের সাথে পূর্ণরূপে রুকু সাজদাহ সহকারে সালাত আদায় করবে সে ৫০ ওয়াক্ত সালাতের সওয়াব পাবে। (আবু দাউদ হা/৫৬০)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00