📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 তাওবার সালাতের বর্ণনা

📄 তাওবার সালাতের বর্ণনা


মহানবী সা. বলেছেন-
وَإِنَّهُ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَا مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا ثُمَّ يَقُومُ فَيَتَطَهَّرُ ثُمَّ يُصَلِّي ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ إِلاَّ غَفَرَ لَهُ ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ (١٣٥)

অর্থ: “আবু বকর রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন, আমি রাসূল সা. কে বলতে শুনেছি, যে কোন ব্যক্তি যখন কোন গুনাহ করে এরপর সে দণ্ডায়মান হয় এবং অজু করে, এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করে এরপর আল্লাহ্র কাছে ক্ষমার আবেদন করলে আল্লাহ তাকে মাফ করে দেন। হাদীসটি সুনানের ইমামগণ বর্ণনা করেছেন, সহিহুত তারগীব ওয়াত তারহীবঃ ১/২৮৪ এরপর তিনি রাসূল সা. এ আয়াতটি পাঠ করেন “আর তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেলে বা কোন মন্দ কাজে জড়িয়ে নিজের ওপর অবিচার করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ্ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবে? আর তারা জানা অবস্থায় নিজ কৃতকর্মে করতে থাকে না। (আল ইমরান-১৩৫)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 আল্লাহ্র দয়া কতটুকু

📄 আল্লাহ্র দয়া কতটুকু


কোন এক সৎ মানুষ একটি রাস্তায় চলছিল। পথে সে একটি দরজা খোলা দেখতে পেল। সে দরজার থেকে একটি হাত বের হল, একটি সাহায্য চাইছে ও কাঁদছে এবং তার মা তাকে পেছন থেকে তাড়াচ্ছে। এমনকি ছেলেটি বেরিয়ে পড়ে যা তার মুখোমুখি দরজাটি বন্ধ করে দিয়ে ঢুকে পড়ে। বাচ্চাটি সামান্য দূরে চলে যায়। এরপর চিন্তা করে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু ওর থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে এ ছাড়া সে কোন আশ্রয় জায়গা পেল না এবং তার মা ছাড়া কোন আশ্রয়দাতা পেল না। ফলে সে চিন্তিত ভগ্ন হৃদয়ে ফিরে এল। এসে দরজা বন্ধ পেল। তাই দরজাকে বালিশ বানিয়ে গাল দরজায় চৌকাঠে রেখে দেয় এবং তার দুই গালে অশ্রু ঝরঝর অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়ে। একটু পর তার মা বের হল। এবং ছেলেকে এ অবস্থায় দেখে নিজেকে আটকে রাখতে না পেরে ছেলের ওপর পড়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে চুমা দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে হে পুত্র, তুই আমাকে ছেড়ে কোথায় গিয়েছিলি। আমি ছাড়া তুই আর কে আশ্রয় দেবে? আমি কি তোকে বলিনি, আমার কথা অমান্য করিস না? তোর ওপর যে দয়া ও স্নেহ দিয়ে আল্লাহ্ আমাকে সৃষ্টি করেছেন এর বিপরীত আমি তোকে শাস্তি দিতে বাধ্য করিস না। এরপর মা তাকে ধরে ঘরে প্রবেশ করে।

অথচ রাসূল সা. বলেছেন,
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَلَّهُ أَرْحَمُ بِعِبَادِهِ مِنْ هَذِهِ بِوَلَدِهَا ‏

অর্থ: “অবশ্যই আল্লাহ তাঁর বান্দার ওপর এর চেয়ে বেশি দয়াবান।” (সহীহ মুসলিম-৭১১৫)

অর্থ: “বান্দা যখন আল্লাহ্র কাছে তাওবা করে তখন তিনি তার ওপর এ ব্যক্তির চেয়ে অনেক বেশি খুশি হন যে তার মরুভূমিতে সফররত ছিল। এ সময় সে তার উপাসনারত অবতরণ করে। সাথে রয়েছে তার বাহন যার ওপর তার খাবার ও পানীয় রয়েছে। এরপর সে একটি গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেয় এবং তার মাথা গাছের নিচে নিচেই ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর সে জাগ্রত হল তখন দেখে তার বাহনসহ চলে গিয়েছে। সে তার সন্ধানে করতে এদিক ওদিক কিছুই দেখতে পেল না। এরপর আরেকটি উদ্যানে এসে বসে তবু কিছু দেখতে পেলনা। এমনকি যখন তাকে প্রচন্ড গরম ও পিপাসায় পেল সে বলে: আমি যে জায়গায় ছিলাম সেখানে ঘুমিয়ে পড়ব নতুবা মারা যাব। সে তার বাহনসহ থেকে নিরাশ হয়ে গাছটির নিচে এসে তার হাত দিয়ে দেয়ালের কাছে দাঁড়ানো, সে তার নাকে বাঁশি টানছে, বাহনের ওপর তার পাথেয় খাবার ও পানীয় রয়েছে। অতএব সে তার লাগামটি ধরে নেয়। আল্লাহ্ তাঁর মুমিন বান্দার তাওবায় এ বাহন ও পাথেয় পাওয়া থেকে বেশি খুশি হন।” কয়েকটি সহীহ বর্ণনার সমষ্টি, দেখুন তারতীব সহীহুল জামি-৪/৩৬৮ (সহীহুল বুখারী-৫৯৪৯, সহীহুল মুসলিম- ৭১৩১)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 এক মহিলার গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দৃষ্টান্ত

📄 এক মহিলার গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দৃষ্টান্ত


মহানবী (সা.) বলেছেন,
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ : أَنَّ امْرَأَةً مِنْ جُهَيْنَةَ أَتَتْ النَّبِيَّ -صلى الله عليه وسلم- وَهِيَ حُبْلَى مِنَ الزِّنَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْهُ عَلَىَّ. فَدَعَا نَبِيُّ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- وَلِيَّهَا فَقَالَ « أَحْسِنْ إِلَيْهَا فَإِذَا وَضَعَتْ فَأْتِنِي بِهَا ». فَفَعَلَ فَأَمَرَ بِهَا نَبِيُّ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فَشُكَّتْ عَلَيْهَا ثِيَابُهَا ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَرُجِمَتْ ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهَا فَقَالَ لَهُ عُمَرُ تُصَلِّى عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَقَدْ زَنَتْ فَقَالَ « لَقَدْ تَابَتْ تَوْبَةً لَوْ قُسِمَتْ بَيْنَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ لَوَسِعَتْهُمْ وَهَلْ وَجَدْتَ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْ أَنْ جَادَتْ بِنَفْسِهَا »

অর্থ: ইমরান ইবনু হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, জুহায়না গোত্রের এক মহিলা যিনার কারণে গর্ভবতী হয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সা.) এর কাছে এসে বলে, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি যিনার গুনাহ করেছি, আমাকে এর শাস্তি দিন। তার অভিভাবককে ডেকে এনে নবী (সা.) বললেন, এর সাথে ভাল ব্যবহার করবে। সে সন্তান প্রসব করার পর তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। এ ব্যক্তি তাই করে। এরপর নবী (সা.) তাকে যিনার শাস্তির আদেশ করলেন। তার শরীরের সাথে কাপড় ভালভাবে বেঁধে দেয়া হল এবং নির্দেশ অনুযায়ী তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্ (সা.) তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। ওমর (রা.) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! এতো যিনা করেছে, আপনি তবুও এর জানাযার সালাত আদায় করছেন? রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বললেন, সে এমন তাওবা করেছে যা ৭০ জন মদিনাবাসীর মাঝে ভাগ করে দেয়া হলেও তাদের জন্য তা যথেষ্ট হয়ে যেত। আল্লাহ্র জন্য নিজের প্রাণকে যে মহিলা স্বেচ্ছায় বিলিয়ে দেয় তার এমন তাওবার চেয়ে উত্তম কোন কাজ তোমার কাছে আছে কি? (মুসলিম হা/৪৫২৯)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 ১০০ ব্যক্তিকে হত্যা করার পরেও ক্ষমা পেল

📄 ১০০ ব্যক্তিকে হত্যা করার পরেও ক্ষমা পেল


মহানবী (সা.) বলেছেন,
كَانَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ رَجُلٌ قَتَلَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ إِنْسَانًا ثُمَّ خَرَجَ يَسْأَلُ فَأَتَى رَاهِبًا فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَهُ : هَلْ لِي تَوْبَةٌ ؟ قَالَ : لَا فَقَتَلَهُ فَجَعَلَ يَسْأَلُ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ : ائْتِ قَرْيَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَدْرَكَهُ الْمَوْتُ فَنَاءَ بِصَدْرِهِ نَحْوَهَا فَاخْتَصَمَتْ فِيهِ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ وَمَلَائِكَةُ الْعَذَابِ فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَى هَذِهِ أَنْ تَقَرَّبِي وَأَوْحَى اللَّهُ إِلَى هَذِهِ : أَنْ تَبَاعَدِي وَقَالَ : قِيسُوا مَا بَيْنَهُمَا فَوُجِدَ إِلَى هَذِهِ أَقْرَبَ بِشِبْرٍ فَغُفِرَ لَهُ

অর্থ: আবু সাঈদ আল খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, তোমাদের আগের যুগের এক ব্যক্তি ৯৯জনকে হত্যা করার পর পৃথিবীতে সর্বশ্রেষ্ঠ আলিমের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। তাকে এক খৃস্টান দরবেশের খোঁজ দেয়া হল। সে তার কাছে গিয়ে বললো যে, সে ৯৯জন লোককে হত্যা করেছে, তার জন্য এখন তাওবার সুযোগ আছে কি? দরবেশ বলেন, নেই। ফলে দরবেশকে হত্যা করে সে ১০০ সংখ্যা পূর্ণ করে। অতঃপর পুনরায় সে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ আলিমের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে তাকে এক আলিমের খোঁজ দেয়া হল। তার কাছে গিয়ে সে বললো, সে ১০০ লোককে হত্যা করেছে, এখন তার জন্য তাওবার সুযোগ আছে কি? আলিম বলে, হ্যাঁ, তাওবার সুযোগ আছে। তাওবার বাঁধা কে থেকে পারে? তুমি অমুক অমুক স্থানে চলে যাও। সেখানে কিছু সংখ্যক লোক আল্লাহ্র ইবাদত করছে। তাদের সাথে তুমিও ইবাদত কর। আর তোমার দেশে ফিরে যেও না। কারণ ওটা মন্দ এলাকা। ফলে নির্দেশ্মত স্থানের দিকে লোকটি চলতে থাকে। অর্ধেক রাস্তা যাবার পর তার মৃত্যুর সময় এসে পড়ে। তখন রহমতের ফিরিশতা ও আযাবের ফিরিশতা মধ্যে বিবাদ বেধে যায়। রহমতের ফিরিশতা বলেন, এ লোক তাওবা করে আল্লাহ্র দিকে ফিরে এসেছে। কিন্তু আযাবের ফিরিশতা বলেন, লোকটি কখনো কোন সৎকাজ করেনি। এমন সময় মানুষের রূপ ধারণ করে আরেক ফিরিশতা তাদের কাছে এলেন। তারা এ বিবাদে মধ্যে তাকেই বিচারক মেনে নেন। বিচারক বলেন, তোমরা উভয় দিকের রাস্তার দূরত্ব মেপে দেখ। যে দিকটি কাছে হবে সে সেটারই অন্তর্ভুক্ত। কাজেই জায়গা পরিমাপের পর যে দিকে উদ্দেশ্য সে এসেছিল সেদিককার কাছে পাওয়া যায়। ফলে রহমতের ফিরিশতাগণ তার জান কবয করেন। (মুসলিম হা/৭১৬৪)

মহানবী (সা.) বলেছেন,
يَا بَنِيَّ ، الْعَافِيَةُ عَشَرَةُ أَجْزَاءٍ : تِسْعَةٌ مِنْهَا فِي الصَّمْتِ إِلَّا عَنْ ذِكْرِ اللَّهِ ، وَوَاحِدٌ فِي تَرْكِ مُجَالَسَةِ السُّفَهَاءِ ، يَا بَنِيَّ ، زِينَةُ الْفَقْرِ الصَّبْرُ ، وَزِينَةُ الْغِنَى الشُّكْرُ ،

অর্থ: মুক্তির দশটি অংশ, নয়টি চুপ থাকার মধ্যে তাহলে আল্লাহ্ তায়ালার যিকির ব্যতিত, আর একটি নির্বোধ লোকদের মজলিশ থেকে পৃথক থাকা, হে আমার সন্তান! দরিদ্রদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ধৈর্য, আর ধনিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শোকর করার মধ্যে।

মহানবী (সা.) বলেছেন,
( الْعَافِيَةُ عَشْرَةُ أَجْزَاءٍ تِسْعَةٌ فِي الصَّمْتِ وَالْعَاشِرُ فِي الْفِرْلَةِ عَنِ النَّاسِ

অর্থ: মুক্তির দশটি অংশ। নয়টি চুপ থাকার মধ্যে আর দশ নম্বরটি হল মানুষদের থেকে পৃথক থাকা।

মহানবী (সা.) বলেছেন,
وَقَالَ صلى الله عليه وسلم : {الْحِكْمَةُ عَشَرَةُ أَجْزَاءٍ تِسْعَةٌ مِنْهَا فِي الْعُزْلَةِ وَوَاحِدٌ فِي الصَّمْتِ}

অর্থ: হেকমতের দশটি অংশ নয়টি সাধারণ মানুষদের থেকে পৃথক থাকা আর দশম হচ্ছে চুপ থাকা।

গুনাহের জন্য তাওবার ফযিলত
মহানবী (সা:) বলেছেনঃ আবু মূসা (রা:) হতে বর্ণিত। নবী (সা:) বলেছেনঃ পশ্চিম দিকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত মহান আল্লাহ প্রতি রাতে তাঁর রহমাতের হাত প্রসারিত করেন যাতে দিনের গুনাহগার তাওবাহ্ করে। আর তিনি প্রতিদিনই তাঁর হাত প্রসারিত করেন যেন রাতের গুনাহগার তাওবাহ্ করে। (সহীহ্ মুসলিম হা/৭১৬৫)

অন্য হাদীসে মহানবী (সা:) বলেছেন, ইমরান ইবনু হুসাইন (রা:) হতে বর্ণিত। জুহায়নাহ্ গোত্রের এক মহিলা যিনার কারণে গর্ভবতী হয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সা:) এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি যিনার গুনাহ্ করেছি, আমাকে এর শাস্তি দিন। তার অভিভাবককে ডেকে এনে নবী (সা:) বললেনঃ এর সাথে ভাল ব্যবহার করবে। সে সন্তান প্রসব করার পর তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। এ ব্যক্তি তাই করলো। (সা:) তাকে যিনার শাস্তির আদেশ করলেন। তার শরীরের সাথে কাপড় ভালভাবে বেঁধে দেয়া হল এবং নির্দেশ অনুযায়ী তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্ (সা:) তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। ‘উমার (রা:) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! এতো যিনা করেছে, আপনি তবুও এর জানাযার সালাত আদায় করছেন? রাসূলুল্লাহ্ (সা:) বললেনঃ সে এমন তাওবাহ্ করেছে যা সত্তরজন মদিনাবাসীর মাঝে বণ্টন করে দিলেও তাদের জন্য তা যথেষ্ট হয়ে যেত। (মুসলিম হা/৪৫২৯)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00