📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 গুনাহ তওবাতে ক্ষমা করা হয়

📄 গুনাহ তওবাতে ক্ষমা করা হয়


যদি কোন বান্দাহ পাপ করে, পরে সে পাপ কাজ না করার সংকল্প করে। এমন গুনাহ আল্লাহ্ মাফ করবেন। তবে তাওবার মাধ্যমে ২টি সাওয়াব রয়েছে।
১. তাওবা করলে গুনাহ মাফ হয়।
২. যতগুলো গুনাহ মাফ হয়েছে ততগুলো সাওয়াব হয়।

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 আল্লাহ্ ৩ প্রকার গুনাহ তাওবা ছাড়াই মাফ করবেন

📄 আল্লাহ্ ৩ প্রকার গুনাহ তাওবা ছাড়াই মাফ করবেন


১। ভুলক্রমে গুনাহ করলে, ভুলক্রমে গুনাহ হল, একটির করার পাশাপাশি অন্য আরেকটি গুনাহ করলে, এমন গুনাহ আল্লাহ্ মাফ করবেন।
২। ভুলে থাকা। ব্যক্তি জানে যে এটি গুনাহের কাজ কিন্তু করার সময় ভুলে গেছে। পরে মনে পড়েছে যে এটা গুনাহের কাজ। এমন গুনাহ আল্লাহ্ মাফ করবেন। আল্লাহ্ বলেন -
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
অর্থ: “হে আল্লাহ্! যদি ভুলে গিয়ে করি অথবা ভুলক্রমে করি, এমন গুনাহের জন্য পাকড়াও করবেন না। (সূরা বাকারা-২৮৬)
৩। বা অজ্ঞাতবশতঃ যে গুনাহ্। ব্যক্তি জানেনা যে এটি করলে গুনাহ হবে। এমন গুনাহ আল্লাহ্ মাফ করবেন। দলিল: আল্লাহ্ বলেছেন,
إِنَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ
অর্থঃ “অবশ্যই আল্লাহ্ তাদের তাওবা কবুল করবেন যারা ভুলবশতঃ মন্দ কাজ করে।” (সূরা নিসা)

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 তিন প্রকার গুনাহ নামাযের মাধ্যমে মাফ হবে

📄 তিন প্রকার গুনাহ নামাযের মাধ্যমে মাফ হবে


১. ভুলের কারণে গুনাহ করা।
২. ভুলে গিয়ে করা।
৩. অজ্ঞতার কারণে গুনাহ আল্লাহ্ নামাযের মাধ্যমে মাফ করবেন।
দলিলঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ كَانَ يَقُولُ : اَلصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ وَ الْجُمُعَةُ إِلَى الْجُمُعَةِ وَ رَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ مُكَفِّرَاتٌ مَا بَيْنَهُمَا إِذَا اجْتُنِبَتِ الْكَبَائِرُ
“পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুময়া থেকে অপর জুময়া এবং এক রমযান থেকে অপর রমযান এর মধ্যবর্তী সময়ে যে গুনাহ হয় তা আল্লাহ্ মাফ করবেন।”

📘 মৃত্যুর কতক্ষণ আগে তওবা গ্রহণযোগ্য > 📄 জিহাদের মাধ্যমেও কবিরা গুনাহ মাফ হয়

📄 জিহাদের মাধ্যমেও কবিরা গুনাহ মাফ হয়


আল্লাহ্ তায়ালা বলেনঃ
لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فَضَّلَ اللَّهُ الْمُجَاهِدِينَ بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ عَلَى الْقَاعِدِينَ دَرَجَةً وَكُلًّا وَعَدَ اللَّهُ الْحُسْنَى وَفَضَّلَ اللَّهُ الْمُجَاهِدِينَ عَلَى الْقَاعِدِينَ أَجْرًا عَظِيمًا (۹۵) دَرَجَاتٍ مِنْهُ وَمَغْفِرَةً وَرَحْمَةً وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا
অর্থ: যে সব মুসলমান কোন অক্ষমতার কারণ ছাড়াই ঘরে বসে থাকে, আর যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, এ উভয় ধরনের লোকের মর্যাদা এক নয়। আল্লাহ্ বসে থাকা লোকদের অপেক্ষা জান মাল দ্বারা জিহাদকারীদের সম্মান অনেক উচ্চে রেখেছেন। তাদের প্রত্যেকেরই জন্য আল্লাহ্ কল্যাণেরই ওয়াদা করেছেন। কিন্তু তার দরবারে মুজাহিদদের কল্যাণকর কাজের ফল বসে থাকা লোকদের অপেক্ষা অনেক বেশী। তাদের জন্য আল্লাহর কাছে বড় সম্মান, ক্ষমা ও অনুগ্রহ রয়েছে। আল্লাহ্ বড়ই ক্ষমাশীল ও অনুগ্রহকারী। (সূরা নিসা-৯৫-৯৬)
وَلَيْسَتِ التَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ حَتَّى إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ إِنِّي تُبْتُ الْآنَ وَلَا الَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ
অর্থ: “আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমনকি যখন তাদের কারো সামনে মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে আমি এখন তাওবা করছি।” আর তাওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।” অর্থাৎ আজরাইল আ. এসে ধরলে তখন তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। আজরাইল আ. আসার এক মিনিট আগে তাওবা কবুল হওয়ার সময়।
২৬. অন্য হাদীসে নবী করীম সা. বলেন-
عن ابن عمرو قال : من تاب قبل موته بفواق تيب
অর্থ: যে ব্যক্তি মৃত্যুর এক মিনিট আগে তাওবা করবে তার তাওবা কবুল করা হবে। (বায়হাকি, শুয়াবুল ঈমান)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00