📄 জাহান্নামের পরিচয়
জাহান্নামের পরিচয়: আল্লাহ বলেন, ،وَجِيءَ يَوْمَئِذٍ بِجَهَنَّمَ 'যেদিন জাহান্নামকে আনা হবে' (ফজর ৮৯/২৩)। এতে বুঝা যায় যে, আল্লাহ তা'আলা জাহান্নামকে আগেই সৃষ্টি করে রেখেছেন। (১) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, 'তোমাদের আগুনের উত্তাপ জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের সতুর ভাগের একভাগ অর্থাৎ ৬৯ ভাগ বেশী। ৪২ (২) তিনি বলেন, 'কিয়ামতের দিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে এমন অবস্থায় যে, তাতে সতুর হাযার লাগাম থাকবে। আর প্রতিটি লাগামের সাথে সতুর হাযার ফেরেশতা থাকবে, যারা জাহান্নামকে টেনে আনবে'। কিয়ামতের দিন সেখান থেকে টেনে এনে জান্নাতের গমনপথে রাখা হবে। আর তার উপরেই পুলছিরাত স্থাপন করা হবে। এর দ্বারা সহজে ধারণা করা যায় যে, জাহান্নাম অতীব বৃহৎ এবং সেখান থেকে বের হওয়াটাও অসম্ভব আল্লাহ্ হুকুম ছাড়া (মিরক্কাত)। (৩) রাসূল (ছাঃ) বলেন, 'জাহান্নামীদের মধ্যে কারু আগুন পায়ের টাখনু পর্যন্ত পৌঁছবে, কারু হাঁটু পর্যন্ত, কারু কোমর পর্যন্ত এবং কারু গর্দান পর্যন্ত পৌঁছবে। ৪৪ (৪) তিনি বলেন, 'জাহান্নামীদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির, যাকে আগুনের ফিতাসহ দুই পায়ে জুতা পরানো হবে। তাতে তার মাথার মগয এমনভাবে ফুটতে থাকবে, যেমনভাবে অগ্নিতপ্ত তামার পাত্রে উত্তপ্ত পানি ফুটতে থাকে। সে ধারণা করবে যে, তার চাইতে কঠিন শাস্তি আর কেউ ভোগ করছে না'। ৪৫ (৫) 'সেদিন সবচাইতে হালকা আযাব হবে আবু তালিবের। তার দুই পায়ে আগুনের জুতা পরানো হবে। তাতে তার মাথার মগয টগবগ করে ফুটতে থাকবে'। ৪৬
(৬) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
يَقُولُ اللَّهُ لِأَهْوَنِ أَهْلِ النَّارِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ : لَوْ أَنَّ لَكَ مَا فِي الْأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ أَكَنْتَ تَفْتَدِي بِهِ؟ فَيَقُولُ : نَعَمْ، فَيَقُولُ أَرَدْتُ مِنْكَ أَهْوَنَ مِنْ هَذَا وَأَنْتَ فِي صُلْبِ آدَمَ أَنْ لا تُشْرِكَ بِي شَيْئًا، فَأَبَيْتَ إِلَّا أَنْ تُشْرِكَ بِي - 'কিয়ামতের দিন সর্বাপেক্ষা সহজ শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আল্লাহ বলবেন, গোটা পৃথিবী পরিমাণ সম্পদের বিনিময়ে কি তুমি এই শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তোমার কাছ থেকে এর চাইতে সহজ একটি বিষয় কামনা করেছিলাম। যখন তুমি আদমের ঔরসে ছিলে, তখন আমি তোমাকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, তুমি আমার সাথে কাউকে শরীক করো না। কিন্তু তুমি তা অমান্য করেছিলে এবং আমার সাথে অন্যকে শরীক করেছিলে'। ৪৯ যাকে 'আহদে আলাস্তু' বলা হয়। যেদিন আল্লাহ সকল বনু আদমের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ؟ قَالُوا بَلَىٰ 'আমি কি তোমাদের প্রতিপালক নই? তারা বলেছিল, হ্যাঁ' (আ'রাফ ৭/১৭২)।
يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ (১১) وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ (১২) وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ (১৩) وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنْجِيهِ (১৪) كَلَّا إِنَّهَا لَظَىٰ (১৫) نَزَّاعَةً لِلشَّوَىٰ (১৬) পরস্পরকে ভালভাবে দেখানো হবে। অপরাধী ব্যক্তি সেদিনের শাস্তির বিনিময় হিসাবে দিতে চাইবে নিজের সন্তান-সন্ততিকে, (১১)। 'নিজের স্ত্রী ও ভাইকে; (১২)। 'তার গোত্র বা দলকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত; (১৩)। 'এবং পৃথিবীতে যত লোক আছে সবাইকে; যেন তিনি তাকে মুক্তি দেন' (১৪)। 'কখনই না। এটাতো লেলিহান অগ্নি' (১৫)। 'যা চামড়া তুলে নিবে' (মা'আরিজ ৭০/১১-১৬)।
টিকাঃ
৪২. বুখারী হা/৩২৬৫; মুসলিম হা/২৮৪৩; মিশকাত হা/৫৬৬৫, রাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)।
৪৩. মুসলিম হা/২৮৪২; মিশকাত হা/৫৬৬৬, রাবী ইবনু মাসউদ (রাঃ)।
৪৪. মুসলিম হা/২৮৪৫; মিশকাত হা/৫৬৭১, রাবী সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ)।
৪৫. বুখারী হা/৫৬৬১-৬২; মুসলিম হা/২১৩ (৩৬৪); মিশকাত হা/৫৬৬৭, রাবী নু'মান বিন বাশীর (রাঃ)।
৪৬. মুসলিম হা/২১২; মিশকাত হা/৫৬৬৮, রাবী আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)।
৪৯. বুখারী হা/৬৫৫৭; মুসলিম হা/২৮০৫; মিশকাত হা/৫৬৭০, রাবী আনাস (রাঃ)।
📄 জাহান্নামের গভীরতা
জাহান্নামের গভীরতা : আবু হুরায়রা ও ওৎবা বিন গাযওয়ান (রাঃ) হ'তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা একটি বড় পাথর খণ্ডের দিকে ইশারা করে বলেন, যদি ঐ পাথরখণ্ড জাহান্নামের কিনারা থেকে তার ভিতরে গড়িয়ে দেওয়া যায়, তবে ৭০ বছরেও সে তলা পাবে না।৪৮ অথচ আল্লাহ অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করবেন'। আল্লাহ সেদিন জাহান্নামকে বলবেন, هَلِ امْتَلَاتِ وَتَقُولُ هَلْ مِنْ مزید؟ 'তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছ? সে বলবে আরও কি আছে? (ক্বা-ফ ৫০/৩০)। অবশেষে আল্লাহ জাহান্নামে স্বীয় পা রাখবেন। তখন তার একাংশ অপরাংশের সাথে মিলে যাবে ও বলবে যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে'। ৪৯
টিকাঃ
৪৮. মুসলিম হা/২৯৬৭; মিশকাত হা/৫৬২৯ 'কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা' অধ্যায়, পৃ. ১১৬-১৭।
৪৯. বুখারী হা/৬৬৬১; মুসলিম হা/২৮৪৮; মিশকাত হা/৫৬৯৫, রাবী আনাস (রাঃ)।
📄 হায়রে ৯৯৯ জন জাহান্নামী: জান্নাতের পরিচয়
হাযারে ৯৯৯ জন জাহান্নামী:
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, 'আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন ডাক দিয়ে বলবেন, হে আদম! আদম বলবেন, আমি হাযির, আমি প্রস্তুত! অতঃপর ঘোষণা করা হবে, আল্লাহ আপনাকে আদেশ করেছেন যে, আপনি আপনার সন্তানদের মধ্য হ'তে জাহান্নামের দিকে একদলকে বের করে নিন। আদম বলবেন, হে আমার প্রতিপালক! তাদের সংখ্যা কত? আল্লাহ বলবেন, প্রতি হাযারে ৯৯৯ জন। ৫০
'জাহান্নামীদের মধ্যে প্রতি হাযারে ৯৯৯ জন বাদে বাকী ১ জনের মধ্যে উম্মতে মুহাম্মাদী হবে জান্নাতবাসীদের অর্ধেক। রাবী বলেন, এ কথা শুনে আমরা 'আল্লাহু আকবার' বলে উঠলাম'। ৫১ অন্য বর্ণনায় এসেছে, أهْلُ الجَنَّة عِشْرُونَ وَمِائَةُ صَفٌ ثَمَانُونَ مِنْهَا مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ وَأَرْبَعُونَ مِنْ سَائِرِ الأُمَمِ 'জান্নাতীদের ১২০টি সারি হবে। তন্মধ্যে ৮০টি হবে এই উম্মতের এবং বাকী ৪০টি হবে পূর্ববর্তী সকল উম্মতের'। ৫২ অর্থাৎ ৬ ভাগের ৪ ভাগ। হ'তে পারে আল্লাহ পাক সদয় হয়ে তার রাসূলকে শেষোক্ত সুসংবাদ শুনিয়েছেন। এখানে 'এই উম্মত' বলতে মুসলিম উম্মাহকে বুঝানো হয়েছে। আল্লাহ আমাদের সকলকে জান্নাতুল ফেরদাউস লাভের তাওফীক দান করুন-আমীন!
জান্নাতের পরিচয় )صفة الجنة( :
)১) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَوْضِعُ سَوْطُ فِي الْجَنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا -فيها 'জান্নাতের একটি চাবুক রাখার স্থান সমস্ত দুনিয়া ও তার মধ্যস্থিত সকল নে'মত থেকে উত্তম'। ৫৩
টিকাঃ
৫০. বুখারী হা/৪৭৪১; মিশকাত হা/৫৫৪১ 'হাশর' অনুচ্ছেদ, রাবী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)।
৫১. বুখারী হা/৪৭৪১; মিশকাত হা/৫৫৪১ 'হাশর' অনুচ্ছেদ, রাবী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)।
৫২. তিরমিযী হা/২৫৪৬; ইবনু মাজাহ হা/৪২৮৯ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৫৬৪৪, রাবী বুরায়দা আসলামী (রাঃ)।
৫৩. বুখারী হা/৩২৫০; মিশকাত হা/৫৬১৩, রাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)।
📄 জান্নাতীদের নমুনা
فِي الْجَنَّةِ مِائَةُ دَرَجَةِ مَا بَيْنَ كُلِّ دَرَجَتَيْنِ كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ وَالْفِرْدَوْسُ أَعْلَاهَا دَرَجَةً مِنْهَا تُفَجَّرُ أَنْهَارُ الْجَنَّةِ الْأَرْبَعَةُ وَمِنْ فَوْقِهَا يَكُونُ الْعَرْشِ فَإِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ فَاسْأَلُوهُ الْفِرْدَوْسَ (২) তিনি বলেন, জান্নাতে একশত স্তর রয়েছে। প্রতিটি স্তরের মধ্যকার দূরত্ব আসমান ও যমীনের মধ্যকার দূরত্বের ন্যায়। ফেরদৌস হ'ল সর্বোচ্চ স্তর। সেখান থেকেই প্রবাহিত হয় চারটি ঝর্ণাধারা। আর তার উপরেই রয়েছে আল্লাহ্র আরশ। অতএব যখন তোমরা চাইবে, তখন জান্নাতুল ফেরদৌস চাইবে'। উক্ত চারটি ঝর্ণাধারা হ'ল: নির্মল পানি, দুধ, শারাব ও মধু (মুহাম্মাদ ৪৭/১৫)।
(৩) জান্নাতে মুমিনের জন্য যেসব পুরস্কার রয়েছে, তার কোন তুলনা নেই। হাদীছে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِينَ مَا لَا عَيْنُ رَأَتْ، وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ، وَلَا خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ. قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ (فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ) - مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ 'আমি আমার সৎকর্মশীল বান্দাদের জন্য জান্নাতে এমন সুখ-সম্ভার প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কান কখনো শুনেনি, মানুষের হৃদয় কখনো কল্পনা করেনি'। রাবী আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এ বিষয়ে তোমরা চাইলে পাঠ কর, 'কেউ জানেনা তাদের জন্য চক্ষু শীতলকারী কি কি বস্তু লুক্কায়িত রয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ' (সাজদাহ ৩২/১৭)।
জান্নাতীদের নমুনা: (১) বনু ইস্রাঈলের হাবীব নাজ্জারকে যখন তার অবিশ্বাসী কওম হত্যা করে এবং আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান, তখন তিনি সেখানে গিয়ে বলেন, يَالَيْتَ قَوْمِي يَعْلَمُونَ بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُكْرَمِينَ 'হায়! আমার কওম যদি জানতো'! 'একথা যে, আমার প্রতিপালক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন' (ইয়াসীন ৩৬/২৬-২৭)। (২) ঈমান কবুলকারী জাদুকরদের হুমকি দিয়ে ফেরাউন যখন বলেছিল, فَلَسَوْفَ تَعْلَمُوْنَ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ مِنْ خلاف - وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ 'শীঘ্রই তোমরা তোমাদের পরিণতি জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলব এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব' (৪৯)। জবাবে জাদুকররা বলেছিল, ضَيْرَ إِنَّا إِلَى رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَنْ كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ 'কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করব' (৫০)। 'আশা করি আমাদের প্রতিপালক আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। কেননা আমরা (ক্বিবতীদের মধ্যে) ঈমান আনয়নকারীদের অগ্রগামী' (শো'আরা ২৬/৪৯-৫১)। ৫৬ সকল ভয় ও দ্বিধা-সংকোচের ঊর্ধ্বে উঠে কেবলমাত্র মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তির মুখেই এটি বলা শোভা পায়। সেকারণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) প্রমুখ বিদ্বানগণ বলেন, أَصْبَحُوا سَحَرَةً وَأَمْسَوْا شُهَدَاءَ 'সকালে যারা ছিল জাদুকর, সন্ধ্যায় তারা হ'ল শহীদ' (নবীদের কাহিনী ২/৪৭)। মূলতঃ এটাই হ'ল প্রকৃত মা'রেফাত, যা যেকোন ভয়-ভীতির মুকাবিলায় মুমিনকে অবিচল রাখে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কামনায়। সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বেহামদিহী।
(৩) অন্যদিকে জাদুকরদের মুকাবিলায় মূসা ও হারূণের বিজয়ের খবর শুনে ফেরাউনের নেককার স্ত্রী ও মূসার পালক মাতা আসিয়া বিনতে মুযাহিম দ্ব্যর্থহীনভাবে আল্লাহ্র উপরে তার ঈমান ঘোষণা করেন। তখন ফেরাউন তাকে মর্মান্তিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে। এসময় আসিয়া আল্লাহ্ নিকট প্রার্থনা করে বলেন, رَبِّ ابْنِ لِي عِنْدَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِنْ فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ 'হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য তোমার নিকট জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ কর এবং আমাকে ফেরাঊন ও তার দুষ্কৃতি থেকে মুক্তি দাও' (তাহরীম ৬৬/১১)।
টিকাঃ
৫৪. তিরমিযী হা/২৫৩১; মিশকাত হা/৫৬১৭ 'জান্নাত ও তার অধিবাসীদের বিবরণ' অনুচ্ছেদ, রাবী উবাদাহ বিন ছামেত (রাঃ)।
৫৫. বুখারী হা/৪৭৭৯; মুসলিম হা/২৮২৫; মিশকাত হা/৫৬১২, রাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)।
৫৬. দ্রঃ নবীদের কাহিনী ২/৪৩-৪৪ 'মূসা ও হারুণ' অধ্যায়।