📘 মৃত্যুকে স্বরন > 📄 মৃত্যু থেকে বাঁচার উপায় নেই

📄 মৃত্যু থেকে বাঁচার উপায় নেই


মৃত্যু থেকে বাঁচার উপায় নেই )لا مناص من الموت : দুনিয়ার পাগলেরা সুদৃঢ় ও সুউচ্চ প্রাসাদসমূহ নির্মাণ করে। অথচ তাকে চলে যেতে হবে সব ছেড়ে মাটির গর্তে। যেখানে তার নীচে-উপরে ও ডাইনে-বামে থাকবে স্রেফ মাটি আর মাটি। যা থেকে সে সারা জীবন গা বাঁচিয়ে চলেছে। আল্লাহ বলেন, أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِكْكُمُ الْمَوْتُ وَلَوْ كُنْتُمْ فِي - بُرُوْحِ مُّشَيَّدَةٍ 'যেখানেই তোমরা থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবেই। এমনকি যদি তোমরা সুদৃঢ় দুর্গেও অবস্থান কর' (নিসা ৪/৭৮)। كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ثُمَّ إِلَيْنَا تُرْجَعُونَ - তিনি বলেন, 'প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমাদের নিকটে প্রত্যাবর্তিত হবে' (আনকাবুত ২৯/৫৭)। তিনি আরও বলেন, كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ وَنَبْلُوكُمْ بِالشَّرِّ وَالْخَيْرِ فِتْنَةً وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ করবে। আর আমরা তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমাদের কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে' (আম্বিয়া ২১/৩৫)।
প্রাণী মাত্রই মৃত্যুবরণ করবে। জন্ম ও মৃত্যু অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। দু'টির কোনটিরই ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই। আল্লাহর হুকুমেই জন্ম হয়। আল্লাহ্ হুকুমেই মৃত্যু হয়। কখন হবে, কোথায় হবে, কিভাবে হবে, তা কারো জানা নেই। জীবনের সুইচ তাঁরই হাতে, যিনি জীবন দান করেছেন। অতঃপর জীবনদাতার সামনে হাযিরা দিয়ে জীবনের পূর্ণ হিসাব পেশ করতে হবে। হিসাব শেষে জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ধারিত হবে ও সেখানেই চিরকাল শান্তিতে বসবাস করবে অথবা শাস্তি ভোগ করবে। দুনিয়ার এ চাকচিক্যে আমরা পরকালকে ভুলে যাই। অথচ নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল শেষে আমাদের সেখানে যেতেই হবে। কেউ আমাদের জগত সংসারে ধরে রাখতে পারবে না।
কবি বলেন, أَلَا يَا سَاكِنَ الْقَصْرِ الْمُعَلَّى + سَتُدْفَنُ عَنْ قَرِيبٍ فِي التَّرَابِ قَلِيْلُ عُمْرُنَا فِي دَارِ دُنْيَا + وَمَرْجَعُنَا إِلَى بَيْتِ التَّرَابِ
(১) 'শোন হে সুউচ্চ প্রাসাদের অধিবাসী! + সত্বর তুমি দাফন হবে মাটিতে'। (২) 'ইহকালে আমরা আমাদের জীবনের অল্প সময়ই কাটিয়ে থাকি + আর আমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল হ'ল মাটির ঘরে (কবরে)'।

📘 মৃত্যুকে স্বরন > 📄 মৃত্যুকাল পূর্ব নির্ধারিত

📄 মৃত্যুকাল পূর্ব নির্ধারিত


মৃত্যুকাল পূর্ব নির্ধারিত: وَمَا كَانَ لِنَفْسٍ أَنْ تَمُوْتَ إِلَّا بِإِذْنِ اللهِ كِتَابًا مُؤَجَّلاً (১) আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহ্ হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না। সেজন্য একটা নির্ধারিত সময়কাল রয়েছে...' (আলে ইমরান ৩/১৪৫)। (২) তিনি বলেন, إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَّاذَا تَكْسِبُ غَدًا، وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضِ تَمُوْتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيْمٌ خَبِيرٌ - আল্লাহর নিকটেই রয়েছে ক্বিয়ামতের জ্ঞান। আর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনিই জানেন মায়ের গর্ভাশয়ে কি আছে। কেউ জানে না আগামীকাল সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন মাটিতে তার মৃত্যু হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও সকল বিষয়ে সম্যক অবহিত' (লোকমান ৩১/৩৪)। (৩) তিনি আরও বলেন, - فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ لاَ يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً وَلاَ يَسْتَقْدِمُونَ
'...অতঃপর যখন তাদের সময়কাল এসে যাবে, তখন তারা সেখান থেকে এক মুহূর্ত পিছাতেও পারবেনা, আগাতেও পারবে না' (নাহল ১৬/৬১)।
(৪) স্বীয় কওমের প্রতি নূহ (আঃ)-এর দাওয়াতের বর্ণনা দিয়ে আল্লাহ বলেন, قَالَ يَا قَوْمِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ - أَنِ اعْبُدُوا اللهَ وَاتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ يَغْفِرْ * لَكُمْ مِنْ ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ إِلَى أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ أَجَلَ اللَّهِ إِذَا جَاءَ لَا يُؤَخِّرُ لَوْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ 'সে বলল, হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী' (২)। 'তোমরা আল্লাহ্ ইবাদত কর ও তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর' (৩)। 'তাহ'লে তিনি তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করবেন ও নির্ধারিত সময়কাল পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহর নির্ধারিত সময়কাল যখন এসে যাবে, তখন আর অবকাশ দেওয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে' (নূহ ৭১/২-৪)। অর্থাৎ তোমাদেরকে গযবে ধ্বংস না করে তোমাদের স্বাভাবিক মৃত্যুকাল অবধি দুনিয়ায় বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে।
এতে প্রমাণিত হয় যে, স্বাভাবিক মৃত্যুকালের আগেও আল্লাহ মানুষকে মারতে পারেন যুদ্ধ-বিগ্রহ, মহামারি ইত্যাদি নানা কারণে এবং সেটাও তার তাক্বদীরে পূর্বেই লিপিবদ্ধ থাকে। এ কারণেই হাদীছে এসেছে, صَدَقَةُ السِّر تُطْفِئُ غَضَبَ الرَّبِّ وَصِلَةُ الرَّحِمِ تَزِيدُ فِي الْعُمُرِ وَفِعْلُ الْمَعْرُوفِ يَقِي مَصَارِعَ السُّوْءِ 'গোপনে ছাদাক্বা আল্লাহ্ ক্রোধকে নিভিয়ে দেয়। আত্মীয়তার সুসম্পর্ক মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করে। সৎকর্ম মানুষকে মন্দ পতন থেকে রক্ষা করে'। ১২ অর্থাৎ স্বাভাবিক মৃত্যুকাল অবধি তার আয়ু প্রলম্বিত হয়' (মর্মার্থ: তাফসীর কুরতুবী, ইবনু কাছীর)।

টিকাঃ
১২. বায়হাক্বী শো'আব হা/৩৪৪২; ছহীহুল জামে' হা/ ৩৭৬০, রাবী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)।

📘 মৃত্যুকে স্বরন > 📄 আখেরাত

📄 আখেরাত


আখেরাত (الآخرة) : মৃত্যুকে স্মরণ ২০
প্রত্যেক মানুষ এ বিষয়ে একমত যে, তার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু মৃত্যুর পরবর্তী জীবন সম্পর্কে মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত। যারা নাস্তিক, তারা মনে করেন মৃত্যুই তাদের শেষ পরিণতি। তারা পরকালে বিশ্বাস করেন না। পক্ষান্তরে অধিকাংশ মানুষ যারা পরকালে বিশ্বাস করেন, তারাও দুই ভাগে বিভক্ত। একদল তাদের বানোয়াট ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী স্বর্গ ও নরক সম্পর্কে নানাবিধ কল্পনা করেন। যেমন হিন্দুরা জন্মান্তরবাদ ও বৌদ্ধরা নির্বাণবাদের ভ্রান্ত বিশ্বাস পোষণ করেন। এ যুগের খৃষ্টানরা ধারণা করেন যে, তাদের সকল পাপের প্রায়শ্চিত্তের জন্য যীশুখ্রীষ্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। অতএব খৃষ্টান হ'লে সে বিনা হিসাবে জান্নাত পাবে। যা মুসলমানদের তাওহীদ, রিসালা ও আখেরাত বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মূল তাওরাত-ইঞ্জীল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পরবর্তীতে তাদের আক্বীদায় অনুপ্রবেশ ঘটেছে দ্বিত্ববাদ ও ত্রিত্ববাদের (তওবা ৯/৩০-৩১) ও সেই সাথে বৈরাগ্যবাদের। যার নির্দেশ আল্লাহ তাদের দেননি (হাদীদ ৫৭/২৭)। তাছাড়া নিজেদের কিতাবে আল্লাহর নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপরে ঈমান আনেনি। বরং সর্বাত্মক বিরোধিতায় লিপ্ত হয়েছিল, যা আজও অব্যাহত রয়েছে। ফলে তারা আল্লাহ্ 'অভিশপ্ত' ও 'পথভ্রষ্ট' হিসাবে অভিহিত হয়েছে (তিরমিযী হা/২৯৫৪; সূরা ফাতিহা ৭ আয়াত)।
দেড় হাযার বছর পূর্বে নুযূলে কুরআনের যুগে আরবের নাস্তিকরা বলত, وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بِذَلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ 'আর তারা বলে, আমাদের এই পার্থিব জীবন ভিন্ন আর কিছু নেই। আমরা এখানেই মরি ও বাঁচি। কালের আবর্তনই আমাদেরকে ধ্বংস করে। অথচ এ ব্যাপারে তাদের কোনই জ্ঞান নেই। তারা স্রেফ ধারণা ভিত্তিক কথা বলে' (জাছিয়াহ ৪৫/২৪)। তাদের বিষয়ে আল্লাহ্ আরও বলেন, وَإِذَا قِيلَ إِنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَالسَّاعَةُ لَا رَيْبَ فِيهَا قُلْتُمْ مَا نَدْرِي مَا السَّاعَةُ إِنْ نَظُنُّ إِلَّا ظَنَّا وَمَا نَحْنُ بِمُسْتَيْقِنِينَ

📘 মৃত্যুকে স্বরন > 📄 মৃত্যুচিন্তা মানুষকে আধ্যাত্মিক ও সৎকর্মশীল বানায়

📄 মৃত্যুচিন্তা মানুষকে আধ্যাত্মিক ও সৎকর্মশীল বানায়


মৃত্যুচিন্তা মানুষকে আল্লাহভীরু ও সৎকর্মশীল বানায় (ذكر الموت يصبح الإنسان تقيا وصالحا)
হযরত ওছমান গণী (রাঃ)-এর গোলাম হানী (هانی) বলেন,
أَنَّهُ كَانَ إِذَا وَقَفَ عَلَى قَبْرٍ بَكَى حَتَّى يَيُلَّ لِحْيَتَهُ، فَقِيلَ لَهُ : تُذْكَرُ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ فَلَا تَبْكِي، وَتَبْكِي مِنْ هَذَا؟ فَقَالَ : إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : إِنَّ الْقَبْرَ أَوَّلُ مَنْزِلٍ مِنْ مَنَازِلِ الْآخِرَةِ، فَإِنْ نَجَا مِنْهُ فَمَا بَعْدَهُ أَيْسَرُ مِنْهُ، وَإِنْ لَمْ يَنْجُ مِنْهُ فَمَا بَعْدَهُ أَشَدُّ مِنْهُ. قَالَ : وَقَالَ رَسُولُ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مَا رَأَيْتُ مَنْظَرًا قَطُّ إِلَّا وَالْقَبْرُ أَفْضَعُ مِنْهُ، رَوَاهُ التَّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ
'যখন ওছমান (রাঃ) কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন, তখন কাঁদতেন। যাতে তাঁর দাড়ি ভিজে যেত। তাঁকে বলা হ'ল জান্নাত-জাহান্নামের কথা শুনে আপনি কাঁদেন না, অথচ কবরে এসে কাঁদেন? জবাবে তিনি বলেন, কবর হ'ল আখেরাতের মনযিল সমূহের প্রথম মনযিল। যদি কেউ এখানে মুক্তি পায়, তাহ'লে পরের মনযিলগুলি তার জন্য সহজ হয়ে যায়। আর এখানে মুক্তি না পেলে পরের মনযিলগুলি তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। অতঃপর ওছমান বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, কবরের চাইতে ভীতিকর দৃশ্য আমি আর কখনো দেখিনি'। ৩৭
বাড়ী-গাড়ী, সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়-স্বজন, ভক্তকুল সবাইকে রেখে সবকিছু ছেড়ে কেবল এক টুকরো কাফনের কাপড় সাথে নিয়ে কবরে প্রবেশ করতে হবে। সাবানে ধোয়া সুগন্ধিময় দেহটা পোকার খোরাক হবে। জীবনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা মুহূর্তের মধ্যে বিলীন হয়ে যাবে। মানুষ তাই মরতে চায় না। সর্বদা সে মৃত্যু থেকে পালিয়ে বাঁচতে চায়। অথচ আল্লাহ বলেন, قُلْ إِنَّ الْمَوْتَ الَّذِي تَفِرُّوْنَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيْكُمْ ثُمَّ تُرَدُّوْنَ إِلَى عَالِمِ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَيُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُوْنَ 'তুমি বলে দাও, নিশ্চয়ই যে মৃত্যু হ'তে তোমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছ, তা অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। অতঃপর তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে সেই সত্তার নিকটে, যিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সবকিছু জানেন। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবেন' (জুম'আ ৬২/৮)।
فَيَقُولَ رَبِّ لَوْلا أَخَرْتَنِي إِلَى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ وَأَكُنْ مِّنَ الصَّالِحِينَ - وَلَنْ يُؤَخِّرَ اللَّهُ نَفْسًا إِذَا جَاءَ أَجَلُهَا وَاللَّهُ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ 'হে আমার প্রতিপালক! যদি তুমি আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিতে, তাহ'লে আমি ছাদাক্বা করে আসতাম ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হ'তাম'। 'অথচ নির্ধারিত সময়কাল যখন এসে যাবে, তখন আল্লাহ কাউকে আর অবকাশ দিবেন না। বস্তুতঃ তোমরা যা কর, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবহিত' (মুনাফিকুন ৬৩/১০-১১)। অন্য আয়াতে এসেছে, حَتَّى إِذَا جَاءَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُوْنِ لَعَلِّي

টিকাঃ
৩৭. তিরমিযী হা/২৩০৮; ইবনু মাজাহ হা/৪২৬৭; মিশকাত হা/১৩২; ছহীহ আত-তারগীব হা/৩৫৫০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00