📄 সর্বোত্তম চরিত্র
আয়েশা রা. বলেন, ১০টি বিষয় সর্বোত্তম আখলাক-চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত। তা হচ্ছে, সত্য বলা। আল্লাহ তাআলার আনুগত্যের ক্ষেত্রে কোনোকিছুর পরোয়া না করা। ভিক্ষুককে দান-সদকা করা। কেউ উপকার করলে তার উপকার করা। আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। আমানত আদায় করা। প্রতিবেশীর প্রতি সদয় আচরণ করা। মেহমানের সম্মান করা। এসবের মূল হল লজ্জাশীলতা। বর্ণনাকারী এই ১০টি বিষয়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে একটি বিষয় বাদ দিয়েছেন।
টিকাঃ
[৯৫৭] কানযুল উম্মাল, ৩/৬৬৬, ক্রমিক নম্বর, ৮৪০৭
📄 আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি
হজরত আয়েশা রা. বলেন, যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করে, মানুষের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহ তাআলাকে অসন্তুষ্ট করে ফেলে, আল্লাহ তাআলা তার বিষয়টি মানুষের ওপর সোপর্দ করে দেন।
টিকাঃ
[৯৫৮] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ২০৫
📄 জনপদ গড়ে ওঠে
হজরত আয়েশা রা. বলেন, নিশ্চয়ই উত্তম আচারব্যবহার, প্রতিবেশীর সাথে উত্তম সম্পর্ক, আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা, এগুলো মানুষের মধ্যে সজীবতা আনে, জনপদ গড়ে তোলে এবং তাতে সমৃদ্ধি আনে। পাপাচারীরা বিষয়গুলো অনুসরণ করলে তারাও এ ফল লাভ করবে。
টিকাঃ
[৯৫৯] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৩৬২
📄 আগ্রহ
হজরত আয়েশা রা. বলেন, হায়, পরকালের হিসাবের ব্যাপারে যদি আমি বিস্মৃত হয়ে যেতাম।
তিনি আরও বলেন, যদি আমি কোনো গাছ হতাম, যাকে লোকেরা কেটে ফেলত! হায়, যদি আমাকে সৃষ্টিই না করা হতো。
টিকাঃ
[৯৬০] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ২০৫, ২০৬