📄 ধৈর্য এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. তখন সফরে ছিলেন। এ সময় তার এক মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হয় তাকে। তিনি তখন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পাঠ করে বলেন, সে ছিল এক নারী, আল্লাহ তাআলা যাকে ডেকে নিয়ে গেছেন। তার মৃত্যুর কারণে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হতো আল্লাহ তাআলা নিজেই তা পূরণ করেছেন আর আমাকে দান করেছেন সাওয়াব।
এরপর তিনি বাহন থেকে নেমে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বলেন, আল্লাহ তাআলা নিম্নের আয়াতে আমাদেরকে যে আদেশ করেছেন আমরা তা পালন করেছি,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَ الصَّلَاةِ إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ
হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (সুরা বাকারা, ১৫৩)
টিকাঃ
[৯৩৬] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ১৯৯
📄 আল্লাহর ভয়ে সন্তুষ্ট
ইবনে আব্বাস রা.-কে আল্লাহর ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তারা হলো ওই সকল লোক, আল্লাহর ভয়ে যাদের অন্তরসমূহ কুঁকড়ে যায়। চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে এবং বলতে থাকে, আমরা কীভাবে আনন্দ করতে পারি যখন মৃত্যু আমাদের পেছনে পেছনে আসছে আর কবর রয়েছে আমাদের সামনে? কেয়ামত যখন আমাদের প্রতিশ্রুত ঘাঁটি, জাহান্নামের ওপর দিয়ে যখন আমাদের পথ অতিক্রম করতে হবে? আর আমাদের রবের সামনে আমাদের দণ্ডায়মান হতে হবে?
টিকাঃ
[৯৩৭] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/৪০
📄 আল্লাহ তায়ালার নির্বাচিত বান্দা
ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আল্লাহ তাআলার নির্বাচিত কিছু বান্দা রয়েছেন যারা ভালো কাজ সম্পাদন করে আনন্দিত হয়ে ওঠেন আর মন্দ কিছু ঘটে গেলে যারা আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। নেয়ামত দেওয়া হলে তারা কৃতজ্ঞতা আদায় করেন আর বিপদে নিপতিত হলে ধৈর্যধারণ করেন。
টিকাঃ
[৯৩৮] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৩৫২
📄 লোকদের বোধগম্য হওয়ার মতো কথা বলুন
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, সাধারণ মানুষের সামনে এমন সকল বিষয় বর্ণনা করুন যা তারা বোঝে। অন্যথায় আপনারা কি চান যে, লোকেরা আল্লাহ এবং তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করুক।
টিকাঃ
[৯৩৯] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১৬৩