📄 মুমিনের মর্যাদা
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. কাবা শরিফের দিকে তাকিয়ে বলতেন, হে কাবা! আল্লাহ তাআলাই তোমাকে সম্মানিত করেছেন এবং মর্যাদা দান করেছেন, তবে জেনে রাখো, আল্লাহ তাআলার নিকট তোমার চেয়ে একজন মুমিনের মর্যাদাই বেশি。
টিকাঃ
[৯৩৩] তানবিহুল মুগতাররিন, পৃ. ২৯
📄 সাথিকে সম্মান করা
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, সর্বোত্তম পুণ্যের কাজ হলো, সাথিকে সম্মান করা。
টিকাঃ
[৯৩৪] প্রাগুক্ত, পৃ. ২৯
📄 সবরের প্রকার
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, কুরআন কারিমে তিন ধরনের সবরের কথা বলা হয়েছে,
১. আল্লাহ তাআলার ফরজ বিধিবিধান আদায়ে সবর করা। অর্থাৎ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তা আদায় করা। এর রয়েছে ৩০০ স্তর।
২. আল্লাহ তাআলার হারামকৃত বিষয় থেকে দূরে থাকা। অর্থাৎ তা থেকে নিজেকে বিরত রাখা। এর রয়েছে ৬০০ স্তর।
৩. বিপদের প্রথম আঘাতের সময় সবর করা। এর রয়েছে ৯০০ স্তর।
টিকাঃ
[৯৩৫] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৪/৩২৩
📄 ধৈর্য এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. তখন সফরে ছিলেন। এ সময় তার এক মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হয় তাকে। তিনি তখন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পাঠ করে বলেন, সে ছিল এক নারী, আল্লাহ তাআলা যাকে ডেকে নিয়ে গেছেন। তার মৃত্যুর কারণে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হতো আল্লাহ তাআলা নিজেই তা পূরণ করেছেন আর আমাকে দান করেছেন সাওয়াব।
এরপর তিনি বাহন থেকে নেমে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বলেন, আল্লাহ তাআলা নিম্নের আয়াতে আমাদেরকে যে আদেশ করেছেন আমরা তা পালন করেছি,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَ الصَّلَاةِ إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ
হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (সুরা বাকারা, ১৫৩)
টিকাঃ
[৯৩৬] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ১৯৯