📄 পৌঁছতে হবে আসল উদ্দেশ্য
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, শীঘ্রই এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের সকল চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খাবে তার পেটকে ঘিরে। তখন নফসের চাহিদাই হবে তার দ্বীন-ধর্ম এবং জিহ্বা হবে তার তরবারি。
টিকাঃ
[৯২৭] তানবিহুল মুগতাররিন, পৃ. ৮৫
📄 হারাম থেকে বেঁচে থাকা
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, পেটে হারাম কিছু থাকলে আল্লাহ কোনো নামাজ কবুল করবেন না।
টিকাঃ
[৯২৮] তানবিহুল মুগতাররিন, পৃ. ৮৭
📄 যে ইলম প্রচার করা হয় না
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, যে ইলম নিজের কাছে রেখে দেওয়া হয়, কারও নিকট প্রকাশ করা হয় না, তার দৃষ্টান্ত হলো এমন ধনভান্ডারের মতো যা থেকে কোনো অর্থ খরচ করা হয় না。
টিকাঃ
[৯২৯] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিনি।
📄 জাহেলি স্বভাব
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, তিনটি বিষয় রয়েছে এমন, যা জাহেলি যুগে উত্তম স্বভাব ছিল। মুসলমানরাই তা পালনের অধিক হকদার।
১. যদি নিষ্ঠাবান কেউ সফরের যাত্রাপথে তাদের নিকট অবতরণ করত তাহলে তারা তার প্রতি সদাচরণের যথাসাধ্য চেষ্টা করত।
২. যদি তাদের কারও স্ত্রী বৃদ্ধা হয়ে যেত তাহলে তারা তাকে তালাক দিয়ে ছেড়ে দিত না, বরং তালাক দিলে সে ভীষণ কষ্টে নিপতিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল, এজন্য তাকে রেখে দিত।
৩. তাদের কোনো প্রতিবেশী ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়লে বা কোনো বিপদ-আপদে নিপতিত হলে তারা যথাসাধ্য তার ঋণ পরিশোধ করত এবং বিপদ থেকে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাত。
টিকাঃ
[৯৩০] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ১০৬