📄 অনর্থক বিষয়
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, তোমরা অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলো না আর নির্বোধ ও সহনশীল কারও সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়ো না। অপরের সেই বিষয়গুলোই আলোচনা করবে যেগুলো তোমার ব্যাপারে অন্যরা আলোচনা করাকে তুমি পছন্দ করে থাকো।
টিকাঃ
[৯১৫] রিসালাতুল মুসতারশিদিন, ৭০
📄 নেককাজের নূর
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, নেককাজের ফলে অন্তরে নুর তৈরি হয়, চেহারায় উজ্জ্বলতা আসে, শরীরে শক্তি অর্জিত হয়, রিজিক বৃদ্ধি পায় এবং সৃষ্টিজীবের অন্তরে ভালোবাসা তৈরি হয়।
পক্ষান্তরে গুনাহ করলে অন্তরে এক ধরনের অন্ধকার তৈরি হয়, চেহারা কালো হয়ে যায়, শরীরে দুর্বলতা চলে আসে, রিজিক কমে যায় এবং তার প্রতি মানুষের অন্তরে ঘৃণা তৈরি হয়।
টিকাঃ
[৯১৬] ইবনে তাইমিয়া কৃত আল-ইসতিকামা, ১/৩৫১
📄 আমাদেরকে এমন করারই আদেশ দেওয়া হয়েছে
আম্মার ইবনে আবু আম্মার থেকে বর্ণিত, হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রা. একদিন বাহনে চড়ে বসলে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. জিনের রেকাব ধরে বসেন। তখন হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রা. বলেন, হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাতো ভাই, সরে দাঁড়ান!
ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আমাদের উলামায়ে কেরাম এবং বড়দের সাথে এমন করারই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমাদের। হজরত যায়েদ রা. তখন বলেন, আপনার হাত আমাকে দেখান! ইবনে আব্বাস রা. হাত বের করলে হজরত যায়েদ রা. তাতে চুমু খান। তারপর বলেন, আমাদের নবির পরিবারের সদস্যদের সাথে আমাদেরকে এমন করারই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে。
টিকাঃ
[৯১৭] কানযুল উম্মাল, ১৩/৩৯৬, হাদিস: ৩৭০৬১
📄 অন্যের দুঃখকষ্টে দুঃখিত হওয়া
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, অন্যের শরীরে কোনো মশা-মাছির আক্রমণ করলে যদি অপর মুসলিম ভাই ব্যথিত না হয় তাহলে সে আসলে ভাই নয়。
টিকাঃ
[৯১৮] তানবিহুল মুগতাররিন, পৃ. ১৪৩