📄 মানুষের সাথে উত্তম কথা বলুন
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, যদি ফেরাউনও আমাকে বলে, আল্লাহ তোমার ওপর বরকত নাজিল করুন, তাহলে আমি তার উত্তরে বলব, তোমার ওপরও。
টিকাঃ
[৮৯৯] হিলয়াতুল আউলিয়া, ১/৩২২
📄 হে গুনাহগার
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ওহে গুনাহগার, গুনাহের মন্দ পরিণামের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থেকো না। কারণ এই গুনাহ আরও মন্দ কোনো গুনাহকে টেনে আনতে পারে। যেমন গুনাহ করার সময় যদি তোমার ডানে-বামে নিযুক্ত ফেরেশতাদের প্রতি লজ্জাবোধ না হয় তাহলে এটা তোমার কৃত গুনাহের চেয়েও মারাত্মক ব্যাপার।
তোমার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা কী করবেন তা যখন জানা নেই তা সত্ত্বেও নিশ্চিন্ত মনে হাসাটা গুনাহের চেয়েও মারাত্মক ব্যাপার।
গুনাহ করে আনন্দবোধ করাটা গুনাহের চেয়েও মারাত্মক ব্যাপার।
কোনো গুনাহ করতে না পারায় সেজন্য দুঃখবোধ করাটা গুনাহের চেয়েও মারাত্মক।
যখন তুমি গুনাহ করে থাকো, তখন বাতাসের কারণে ঘরের পর্দা উঠে যায় কি না সে আশঙ্কা হয় তোমার, কিন্তু আল্লাহ তাআলা যে তোমাকে দেখছেন সে কারণে তোমার মনে কোনো ভয় তৈরি হয় না, এটা তো গুনাহের চেয়েও মারাত্মক।
টিকাঃ
[৯০০] সিফাতুস সাফওয়া, ১/৩৮৩
📄 প্রবৃত্তি মানুষের মাবুদ হয়ে যায় যখন
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, প্রবৃত্তিই অনেকের মাবুদ। তারা প্রবৃত্তির দাসত্ব করে থাকে। তারপর তিনি তেলাওয়াত করেন,
أَفَرَأَيْتَ مَنِ اتَّخَذَ إِلَهَهُ هَوَاهُ وَأَضَلَّهُ اللَّهُ عَلَى عِلْمٍ আপনি কি তার প্রতি লক্ষ করেছেন, যে তার খেয়ালখুশিকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনেশুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন। (সুরা জাসিয়া, ২৩)
টিকাঃ
[৯০১] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ১/২৩৫
📄 রিজিকের ওপর ধৈর্যধারণ করা
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মুমিন ও গুনাহগার নির্বিশেষে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেকের জন্যই হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। ওই রিজিক আসা পর্যন্ত যদি সে ধৈর্যধারণ করে তাহলে আল্লাহ তাআলা নিজে তার নিকট ওই রিজিক এনে দেন। আর যদি সে অধৈর্য হয়ে হারাম কিছু গ্রহণ করে ফেলে, তাহলে আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত হালাল রিজিক থেকে সেই অংশটি কেটে নেন।
টিকাঃ
[৯০২] হিলয়াতুল আউলিয়া, ১/৩২৬