📄 এগুলো তো মর্যাদার বিষয়
হজরত আনাস রা. বলেন, একবার আউস ও খাজরাজ গোত্রের লোকেরা পরস্পর গর্ব করা শুরু করে। আউস গোত্রের লোকেরা বলে, আমাদের মধ্যে রয়েছেন, হজরত হানজালা, যাকে ফেরেশতারা গোসল দিয়েছেন। আসেম বিন সাবেত ইবনে আবি আকলাহ, মৌমাছি যার দেহ রক্ষা করেছিল। খুজাইমা বিন সাবেত, সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে যিনি একাই দুইজনের মতো। সাদ ইবনে মুয়াজ, যার মৃত্যুতে রহমানের আরশ কেঁপে উঠেছিল।
খাজরাজ গোত্রের লোকেরা তখন বলে, আমাদের মধ্যে এমন চারজন ব্যক্তি রয়েছেন যারা ব্যতীত অন্য কেউই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে কুরআন কারিম শিক্ষা দিতে পারত না। তারা হলেন, হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত, আবু যায়েদ, মুয়াজ ইবনে জাবাল এবং উবাই ইবনে কাব, যিনি হলেন কারিদের সরদার।
এ ছাড়াও আমাদের মধ্যে রয়েছেন হাসসান বিন সাবেত, কবিতার ক্ষেত্রে যাকে আল্লাহ তাআলা জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সাহায্য করেছেন।
টিকাঃ
[৮৯৩] রজি অভিযানে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। হুজাইল গোত্রের লোকেরা চেয়েছিল তার মাথা কেটে বিক্রি করে দিতে, মৌমাছির মাধ্যমে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেন。
[৮৯৪] আল-ইকদুল ফারিদ, ৩/২৯৪
📄 আলেমদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে
আনাস রা. বলেন, আমি জানতে পেরেছি, যেভাবে ইসলাম প্রচার-প্রসার করা সম্পর্কে কেয়ামতের দিন নবিদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তেমনইভাবে আলেমদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
টিকাঃ
[৮৯৫] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১৪৯
📄 কবিরা গুনাহকে তুচ্ছ মনে করা
আনাস রা. বলেন, আপনারা এখন এমন সকল কাজ করে থাকেন যেগুলো আপনাদের নিকট চুলের চেয়েও সাধারণ ও তুচ্ছ মনে হয়, কিন্তু রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে আমরা সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক গুনাহ মনে করতাম।
টিকাঃ
[৮৯৬] সহিহ বুখারি, ৬৪৯২