📄 দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করা
হযরত আনাস রা. বলেন, রাস্তায় কোনো মহিলা সামনে চলে এলে সে চলে না যাওয়া পর্যন্ত তোমার চোখ বন্ধ করে রাখবে।
টিকাঃ
[৮৯০] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ২৫৯
📄 বাড়তিদের জাকাত
আনাস রা. বলেন, বাড়ির জাকাত হলো তাতে মেহমানদের জন্য একটি ঘর বরাদ্দ রাখা।
টিকাঃ
[৮৯১] তানবিহুল মুগতাররিন, পৃ. ১৪৫
📄 রোজার জন্য সহায়ক
হযরত আনাস রা.-এর কাছে একবার রোজার কথা আলোচনা করা হলে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তিনটি কাজ করতে পারল সে যেন নিজের সবগুলো বিষয় সঠিক করে নিল। তা হলো, শেষ রাতে সাহরি খাওয়া, দ্বিপ্রহরের সময় ঘুমানো এবং পান করার পূর্বে খাওয়া।
টিকাঃ
[৮৯২] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ৩/১২৮
📄 এগুলো তো মর্যাদার বিষয়
হজরত আনাস রা. বলেন, একবার আউস ও খাজরাজ গোত্রের লোকেরা পরস্পর গর্ব করা শুরু করে। আউস গোত্রের লোকেরা বলে, আমাদের মধ্যে রয়েছেন, হজরত হানজালা, যাকে ফেরেশতারা গোসল দিয়েছেন। আসেম বিন সাবেত ইবনে আবি আকলাহ, মৌমাছি যার দেহ রক্ষা করেছিল। খুজাইমা বিন সাবেত, সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে যিনি একাই দুইজনের মতো। সাদ ইবনে মুয়াজ, যার মৃত্যুতে রহমানের আরশ কেঁপে উঠেছিল।
খাজরাজ গোত্রের লোকেরা তখন বলে, আমাদের মধ্যে এমন চারজন ব্যক্তি রয়েছেন যারা ব্যতীত অন্য কেউই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে কুরআন কারিম শিক্ষা দিতে পারত না। তারা হলেন, হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত, আবু যায়েদ, মুয়াজ ইবনে জাবাল এবং উবাই ইবনে কাব, যিনি হলেন কারিদের সরদার।
এ ছাড়াও আমাদের মধ্যে রয়েছেন হাসসান বিন সাবেত, কবিতার ক্ষেত্রে যাকে আল্লাহ তাআলা জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সাহায্য করেছেন।
টিকাঃ
[৮৯৩] রজি অভিযানে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। হুজাইল গোত্রের লোকেরা চেয়েছিল তার মাথা কেটে বিক্রি করে দিতে, মৌমাছির মাধ্যমে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেন。
[৮৯৪] আল-ইকদুল ফারিদ, ৩/২৯৪