📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) 📄 যারা মানুষ ছিল তারা সকলেই বিদায় নিয়ে চলে গেছে

📄 যারা মানুষ ছিল তারা সকলেই বিদায় নিয়ে চলে গেছে


আবু হুরাইরা রা. বলেন, যারা (নাস) মানুষ ছিল তারা সকলেই বিদায় নিয়ে চলে গেছে, এখন বাকি আছে কিছু নাসনাস। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, নাসনাস কাকে বলে? তিনি বলেন, এরা হলো ওই সকল লোক যারা মানুষ নয় কিন্তু দেখতে মানুষের মতোই。

টিকাঃ
[৮৪৩] প্রাগুক্ত, পৃ. ২১৯

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) 📄 কারও প্রতি বিরক্ত হলে

📄 কারও প্রতি বিরক্ত হলে


আবু হুরাইরা রা. যখন কারও প্রতি বিরক্ত হয়ে যেতেন তখন বলতেন, হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদেরকে তার থেকে মুক্তি দান করুন।

টিকাঃ
[৮৪৪] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ১/৪০৩

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) 📄 পরিমাণে অল্প হলেও তা অনেক বেশি

📄 পরিমাণে অল্প হলেও তা অনেক বেশি


আবু হুরাইরা রা. বলেন, তাওরাতে লেখা রয়েছে, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যা ব্যয় করা হয় তা সামান্য হলেও অনেক বেশি আর যা ব্যয় করা হয় আমি ছাড়া অন্য কারও সন্তুষ্টির জন্য সেটার পরিমাণ অনেক হলেও বাস্তবে তা অতি সামান্য।

টিকাঃ
[৮৪৫] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/২৬৮

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) 📄 গর্দভের যখন লাকড়ির বোঝা বহন করে আনে

📄 গর্দভের যখন লাকড়ির বোঝা বহন করে আনে


সালাবা ইবনে আবু মালেক আল-কুরাজি বলেন, একবার হজরত আবু হুরাইরা রা. লাকড়ির বোঝা মাথায় করে বাজারে আসছিলেন। সে সময় তিনি মারওয়ান ইবনুল হাকামের স্থলাভিষিক্ত হিসাবে মদিনায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। বোঝা মাথায় নিয়ে যখন রাস্তা চলছিলেন তখন আমি ছিলাম তার সামনে। তিনি আমাকে তখন বলেন, হে আবু মালেকের সন্তান, আমিরের জন্য রাস্তা প্রশস্ত করে দাও। আমি বললাম, আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন, এতটুকু রাস্তাই তো যথেষ্ট হয়ে যাবে। আমি বুঝতে পারিনি যে, তার মাথায় কোনো বোঝা রয়েছে, তাই আমি এমনটা বলেছিলাম। তখন তিনি বলেন, আমিরের জন্য রাস্তা প্রশস্ত করে দাও। কারণ তার মাথায় বিশাল বোঝা রয়েছে।

টিকাঃ
[৮৪৬] সিফাতুস সাফওয়া, ১/৩৫২

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية