📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) > 📄 প্রথমে দ্বীন, এরপর নফস

📄 প্রথমে দ্বীন, এরপর নফস


জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাজালি রা. বলেন, আপনারা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করুন এবং কুরআন কারিম তেলাওয়াত করুন। কারণ এটাই হবে অন্ধকার রাতের আলো এবং দিবসের উজ্জ্বলতা। তাই কষ্ট-দুর্দশায় থাকলেও সবসময় এর ওপর আমল করুন। যখন আপনাদের জানের ওপর বিপদ-আপদ নেমে আসবে তখন প্রাণ বাঁচাতে মাল খরচ করুন। আর যখন শত্রুদের পক্ষ থেকে কোনো বিপদ আসবে তখন দ্বীন বাঁচাতে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করে দিন।
জেনে রাখুন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তো হলো ওই ব্যক্তি, যে দ্বীন-ধর্মের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর ধ্বংসপ্রাপ্ত তো হলো ওই ব্যক্তি, যার দ্বীন-ধর্ম ধ্বংসের সম্মুখীন হয়।
যদি কেউ জান্নাত লাভ করে তাহলে তার আর কোনোকিছুর অভাব থাকবে না আর যদি কেউ জাহান্নামে যায় তাহলে সে কোনোকিছুর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারবে না। কারণ জাহান্নাম তার বন্দিদেরকে ছেড়ে দেয় না এবং যে তাতে নিপতিত হয় সে তাকে নিষ্কৃতি দেয় না। যারা তার আগুনে নিক্ষিপ্ত হয় তাদের জন্য সে নির্বাপিত হয় না।
জেনে রাখুন, যদি কেউ কোনো মুসলমান ভাইয়ের সামান্য পরিমাণও রক্ত ঝরায় তাহলে এটাও তার জান্নাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয়ে যাবে। সে যখনই জান্নাতের কোনো দরজা দিয়ে ঢুকতে যাবে তখনই তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।
জেনে রাখুন, মৃত ব্যক্তির গোটা শরীরের মধ্যে তার পেটের অংশেই প্রথম পচন ধরে। তাই পেটে হারাম কিছু ঢুকিয়ে একে আরও অধিক দুর্গন্ধযুক্ত করে তুলবেন না। অর্থসম্পদের ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলাকে ভয় করুন এবং কারও রক্ত ঝরানো থেকে নিজেদের বিরত থাকুন।

টিকাঃ
[৮৩০] কানযুল উম্মাল, ১৬/২১৪, ক্রমিক নম্বর, ৪৪২৩৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00