📄 অন্তরের মুখপাত্র
হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রা. চিঠি লিখে হজরত উবাই ইবনে কাব রা.-কে বলেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের জিহ্বাকে বানিয়েছেন আমাদের অন্তরের মুখপাত্র আর অন্তরকে বানিয়েছেন পাত্র এবং রক্ষণাবেক্ষণকারী। অন্তর যেদিকে পথ দেখায় জিহ্বা সেদিকেই চলে। এভাবে অন্তর যখন জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করে তখন মুখ থেকে বের হওয়া কথাগুলো সঠিক হয়ে থাকে। মুখ ফসকে তখন উলটো ও ভুল কথা বের হয় না।
যার অন্তর তার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তার কোনো সহনশীলতা নেই। কেউ যখন অন্তরের নির্দেশনা না মেনে কথা বলতে থাকে তখন তার নাক কেটে যায় (সে অপমানিত হয়)। আর কেউ যখন কাজের মাধ্যমে কথার মূল্যায়ন করে তখন তার কথাগুলো সত্য হয়ে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, আপনি লক্ষ করলে দেখবেন, সকল কৃপণ মানুষই উত্তম কথা বলে, কিন্তু কাজেকর্মে তারা খোঁটা দেয়। কারণ তার জিহ্বা তার অন্তরের নির্দেশনা মানে না।
তিনি আরও বলেন, যে নিজের কথা রক্ষা করে না তার মধ্যে আভিজাত্য বা ব্যক্তিত্ব বলতে কি কিছু আছে?
এরপর তিনি বলেন, যারা মানুষের দোষত্রুটি তালাশ করে বেড়ায় তাদের নিকট নিজেদের দোষত্রুটি হালকা মনে হয়। ওয়াস-সালাম।
টিকাঃ
[৮১৪] কানযুল উম্মাল, ১৬/২১৯, ক্রমিক নম্বর, ৪৪২৪
📄 লজ্জা
হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রা. জুমার নামাজের জন্য বের হন। কিন্তু বের হয়ে দেখতে পান লোকেরা নামাজ পড়ে চলে আসছে। এ অবস্থা দেখে তিনি একটি ঘরে নিজেকে আড়াল করে নেন। তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি মানুষের থেকে লজ্জাবোধ করে না, সে আল্লাহ তাআলা থেকেও লজ্জাবোধ করে না।
টিকাঃ
[৮১৫] সিয়ারু আলামিন নুবালা, ২/৪৩৯