📄 সালাম পৌঁছানো আমানত
এক ব্যক্তি এসে হজরত সালমান রা.-কে বলে, হে আবু আবদুল্লাহ! অমুক আপনাকে সালাম জানিয়েছে। তিনি তখন বলেন, যদি তুমি তার সালামটি আমার নিকট না পৌঁছাতে তাহলে এটা তোমার কাঁধে আমানত হিসাবে রয়ে যেত。
টিকাঃ
[৭৮৮] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ২/১০২
📄 অন্তর ও দেহ
সালমান রা. বলেন, অন্তর ও দেহের দৃষ্টান্ত হলো অন্ধ ও পঙ্গু দুই লোকের মতো। পঙ্গু বলে, আমি তো এখানে খেজুর দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু উঠে তা নিতে পারছি না, আমাকে সেটা এনে দাও। অন্ধ তখন পঙ্গুর নির্দেশিত স্থানে গিয়ে খেজুর নিয়ে আসে। এরপর পঙ্গু সেটা খায়। (তেমনই আমাদের অন্তরও পঙ্গু। দেহ তার চাহিদা পূরণ করলেই তবে সে কিছু ভোগ করতে পারে।)
টিকাঃ
[৭৮৯] সিফাতুস সাফওয়া, ১/২৮০
📄 কাফের থেকে শিক্ষা পাচ্ছি
হজরত হুজাইফা ও সালমান রা. একবার কাফেরের ঘরে মেহমান হন। নামাজের সময় হয়ে গেলে তারা কাফের লোকটিকে বলেন, এখানে কি এমন কোনো পবিত্র স্থান আছে যেখানে নামাজ আদায় করা যাবে? কাফের লোকটি তখন বলে, আগে আপনাদের অন্তর পবিত্র করুন। তখন হজরত হুজাইফা ও সালমান রা. একে অপরকে বলেন, দেখুন, একজন কাফের থেকেও আমরা প্রজ্ঞার শিক্ষা পাচ্ছি。
টিকাঃ
[৭৯০] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৬৫
📄 অসুস্থতার মাধ্যমে বান্দাকে সতর্ক করা হয়
হজরত সালমান রা. কিন্দায় অবস্থিত তার এক বন্ধুর শুশ্রূষা করতে যান। গিয়ে তাকে বলেন, আল্লাহ তাআলা তার মুমিন বান্দাকে বিভিন্ন বিপদ-আপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করে থাকেন। একসময় তিনি তাকে সুস্থও করে তোলেন। এ অসুস্থতা তার থেকে ঘটে যাওয়া গুনাহের প্রায়শ্চিত্ত হয়ে যায়। এরপর যতদিন সে সুস্থ থাকে ততদিন সেই বিপদ-আপদই তার জন্য উপদেশ বয়ে আনে।
পক্ষান্তরে আল্লাহ তাআলা পাপাচারীদেরকেও বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন। এরপর একসময় তাকে সুস্থ করে তোলেন। কিন্তু তার অবস্থা হয় ওই উটের মতো, মালিক যাকে বন্দি করে রেখে ছেড়ে দেয়। কিন্তু সে জানে না যে, কেন তাকে বাধা হয়েছিল আর কেনই-বা তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো。
টিকাঃ
[৭৯১] সিফাতুস সাফওয়া, ১/২৮২