📄 যখন তারা আল্লাহর নির্দেশের বাস্তবায়ন ছেড়ে দেবে
জুবায়ের ইবনে নুফাইর বলেন, কুবরুস বিজয়ের পর আমি দেখি আবু দারদা রা. একাকী বসে কান্না করছেন। তখন আমি তাকে বলি, হে আবু দারদা! আপনি আজ কেন কান্না করছেন, অথচ আজ আল্লাহ তাআলা ইসলাম এবং মুসলমানদের সম্মানিত করেছেন? তিনি তখন বলেন, জুবায়ের, তোমার অমঙ্গল হোক! মানুষ যখন আল্লাহর নির্দেশ পালন করা ছেড়ে দেয় তখন তাদের অবস্থা কত নিচে নেমে যায়। একসময় যারা থাকে শক্তিশালী কোনো জাতি, যাদের থাকে আলাদা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র, যখন তারা আল্লাহর নির্দেশ পালন করা ছেড়ে দেয় তখন তাদের এমনই পরিণতি ঘটে থাকে। (অর্থাৎ সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর নীতি হলো, যারা আল্লাহর অবাধ্যতা করে তাদের ওপর শাস্তি নেমে আসে।)
টিকাঃ
[৬৮৪] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৭৩
📄 মৃত্যুর মাধ্যমে উপদেশ গ্রহণ
আবু দারদা রা. যখন কোনো জানাজা দেখতে পেতেন তখন লাশকে লক্ষ করে বলতেন, এ সকালে তোমরা চলে যাচ্ছ, বিকালেই আমরা আসছি কিংবা তিনি বলতেন, এ বিকালে তোমরা চলে যাচ্ছ, কাল সকালেই আমরা আসছি।
তোমরা বড়ই মর্মস্পর্শী উপদেশ। উপদেশ প্রদানকারী হিসাবে মৃত্যুই যথেষ্ট। মানুষ একের পর এক বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছে।
টিকাঃ
[৬৮৫] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৭৪
📄 অর্থসম্পদ বাড়ছে আর জীবনের আয়ু কমছে
আবু দারদা রা. বলেন, সব মানুষের বিবেকবুদ্ধিই অপূর্ণ। কারণ দুনিয়ার সামান্যকিছু অর্থসম্পদ লাভ করতে পারলেই তারা আনন্দিত হয়ে ওঠে, অথচ দিবারাত্রির পালাবদলে কীভাবে যে তাদের জীবন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে, সে কারণে কোনো দুঃখবোধ করে না। তারা আসলে পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত যখন জীবনের আয়ু কমছে তখন অর্থসম্পদ বাড়লেও কী লাভ আছে?
টিকাঃ
[৬৮৬] সিফাতুস সাফওয়া, ১/৩২৩
📄 কবরই মুমিনকে রক্ষা করতে পারে
আবু দারদা রা. বলেন, মানুষের অনিষ্ট থেকে একজন মুমিনকে রক্ষা করতে পারে কেবল তার কবর।
টিকাঃ
[৬৮৭] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ৩/১৫০