📄 ঈমানের সর্বোচ্চ চূড়া
আবু দারদা রা. বলেন, ঈমানের সর্বোচ্চ চূড়া হলো আল্লাহর ফয়সালার ওপর ধৈর্যধারণ করা। তাকদিরের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। তাওয়াক্কুলের ক্ষেত্রে একনিষ্ঠ থাকা এবং নিজেকে আল্লাহ তাআলার নিকট সঁপে দেওয়া。
টিকাঃ
[৬৭৪] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৭১
📄 আগে নিজের কথা চিন্তা করো
আবু দারদা রা. বলেন, নিজের থেকে আগে বেড়ে কারও দায়িত্ব নিতে যাবে না। কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যাবে না। হে বনি আদম! তুমি নিজের কথা ভাবো। কারণ যে ব্যক্তি মানুষের কথা ভাবতে যায় তার দুঃখ-বেদনা বেড়ে যায়, তার ক্রোধ ও রাগ কমে না।
টিকাঃ
[৬৭৫] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৬৮
📄 আল্লাহ তায়ালা তাকে ভালোবাসেন
আবু দারদা রা. একবার মাসলামা ইবনে মুখাল্লাদ আনসারিকে চিঠি লিখে বলেন, আপনার ওপর আল্লাহর সালাম হোক। পরকথা হলো, কেউ যখন আল্লাহর আনুগত্য করে আল্লাহ তাআলা তখন তাকে ভালোবাসেন। আর আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে তিনি মানুষের ভালোবাসার পাত্র বানিয়ে দেন। পক্ষান্তরে কেউ যখন আল্লাহর অবাধ্যতা করতে থাকে সে আল্লাহর ঘৃণার পাত্র হয়ে যায়। আর আল্লাহ যাকে ঘৃণা করেন তাকে তিনি মানুষের নিকটও ঘৃণিত বানিয়ে দেন。
টিকাঃ
[৬৭৬] আয-যুহদুল কাবির, ক্রমিক নম্বর, ৭৯৭
📄 যতক্ষণ তুমি নিজের নফসের প্রতি শত্রুতা না করবে
আবু দারদা রা. বলেন, তুমি ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ফকিহ হতে পারবে না যতক্ষণ কুরআন কারিমের আয়াতের ব্যাখ্যা না জানবে এবং আল্লাহর জন্য মানুষের সাথে শত্রুতা পোষণ করবে। এমনকি তুমি নিজের নফসের সাথেও শত্রুতা করতে থাকবে। যে শত্রুতা হবে মানুষের প্রতি শত্রুতার চেয়েও মারাত্মক。
টিকাঃ
[৬৭৭] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৬৮