📄 জাহিলদের অনুশোচনা
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রা. বলেন, জান্নাতিরা কোনো বিষয়েই আফসোস-অনুশোচনা করবে না। তবে কেবল সেই মুহূর্তগুলোর ওপরই তাদের অনুশোচনা হবে যে মুহূর্তগুলোয় তারা আল্লাহর জিকির করেনি。
টিকাঃ
[৬৬২] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ১/৩৯২
📄 স্ত্রীডের সাথে ওঠা
হযরত মুয়াজ রা.-এর দুজন স্ত্রী ছিল। তিনি যেদিন যার ঘরে থাকতেন সেদিন তার থেকেই সবকিছু গ্রহণ করতেন, অন্য কারও থেকে সামান্য পানিটুকু পর্যন্ত পান করতেন না。
টিকাঃ
[৬৬৩] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ২২৮
📄 আলেমের ফিতনা
মুয়াজ ইবনে জাবাল রা. বলেন, হে আরবের লোকেরা! তিন অবস্থায় তোমরা কী করবে?
১. দুনিয়া যখন তোমাদের গর্দান কেটে ফেলবে।
২. যখন কোনো আলেমের পদস্খলন ঘটবে।
৩. মুনাফিকরা যখন কুরআন কারিম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করবে।
তার এ জিজ্ঞাসার কেউই কোনো উত্তর প্রদান করেনি। তখন তিনি বলেন, কোনো আলেম যদি সঠিক পথেও থাকেন তবুও তোমরা নিজেদের সকল দায়িত্ব তার কাঁধে অর্পণ করে চোখ বন্ধ করে বসে থেকো না। আর যদি তিনি ফিতনায় নিপতিত হয়ে যান তাহলে তোমরা তাড়াহুড়া করবে না, তার ব্যাপারে অধৈর্য হয়ে যাবে না। কারণ মুমিন কোনো সময় ফিতনা-ফাসাদে নিপতিত হলেও পরে তাওবা করে নেয়।
জেনে রাখুন, কুরআন হলো আপনাদের আলোকবর্তিকা, যা আপনাদের কারও নিকট অস্পষ্ট নয়। তাই কুরআনের যে বিষয়গুলো আপনারা নিশ্চিতভাবে জানেন সে বিষয়ে অন্যদের জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই। আর যে বিষয়ে সামান্য সন্দেহ হবে তা আলেমের নিকট জিজ্ঞেস করে নেবেন।
দুনিয়ার ব্যাপারে কথা হলো, আল্লাহ তাআলা যার অন্তরে ধনাঢ্যতা দান করে থাকেন সে সফলকাম হয়ে যায় আর যার অন্তরে ধনাঢ্যতা থাকে না, দুনিয়ার অঢেল সম্পদও তার কোনো উপকার করতে পারে না।
টিকাঃ
[৬৬৪] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/১৩৬
📄 নামাজের একাগ্রতা
হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রা. বলেন, নামাজে দাঁড়িয়ে কেউ যদি লক্ষ করলেই বুঝতে পারে যে, তার ডানে কে রয়েছে আর বামে কে আছে, তাহলে তার নামাজের খুশুখুজু বলতে কিছুই বাকি রইল না。
টিকাঃ
[৬৬৫] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ১/২১৩