📄 সর্বোত্তম কথা
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, নিশ্চয়ই সর্বোত্তম কথা হলো আল্লাহর কিতাব আর সর্বোত্তম আদর্শ হলো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো, দ্বীনের মধ্যে যা উদ্ভাবন করা হয়। জেনে রাখো, তোমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই চলে আসবে। তোমরা কখনো তার হাত থেকে পলায়ন করতে পারবে না。
টিকাঃ
[৫২৬] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/২২১
📄 অন্যায় কাজের প্রতি সন্তোষ মনোভাব
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, অন্যায় কাজ না করেও অনেকে অন্যায়কারীর সমপরিমাণ গুনাহগার হয়ে যায়। জিজ্ঞেস করা হলো, এটা আবার কীভাবে হতে পারে? তিনি বলেন, অন্যের অন্যায় কাজের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশের মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, তোমাদের কেউ যদি কোনো অন্যায় কাজ দেখে কিন্তু তা পরিবর্তনের সাধ্য না রাখে, তাহলে তার জন্য এতটুকুই কর্তব্য যে, অন্তরে সেটার প্রতি ঘৃণা পোষণ করবে। আল্লাহর দরবারে ছাড়া পাওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট。
টিকাঃ
[৫২৭] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/২৫০
[৫২৮] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৭১
📄 যাকাতুল ইলম হলো কেরাম বিদায় নিয়ে নেবেন
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, সামনে এমন এক যুগ আসবে যা পূর্বের চেয়ে মন্দ হবে। আমি এটা বলছি না যে, এই সময়ের গভর্নররা পরবর্তী সময়ের গভর্নরদের চেয়ে উত্তম হবে, এই বছরগুলো পরবর্তী বছরগুলোর তুলনায় অধিক উর্বর হবে। বরং আমি বলছি যে, ফুকাহায়ে কেরাম বিদায় নিয়ে নেবেন। এরপর তোমরা তাদের কোনো উত্তরসূরি এবং স্থলাভিষিক্ত পাবে না। তখন এমন লোকেরা তাদের স্থানে চলে আসবে যারা নিজেদের মতো করে এক বিষয়কে আরেক বিষয়ের ওপর তুলনা করবে。
টিকাঃ
[৫২৯] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/১৬৫
📄 মানুষের দৃষ্টান্ত
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, বনি আদমের দৃষ্টান্ত হলো ওই বস্তুর মতো যাকে আল্লাহ তাআলা এবং শয়তানের সামনে ফেলে রাখা হয়েছে। ওই বস্তুর ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা যদি কল্যাণকর কিছু করতে চান তাহলে শয়তান তাতে অপচেষ্টা চালায়। আর যদি সে বস্তুর প্রতি আল্লাহ কিছু করতে না চান, তাহলে শয়তান নিজের মতো করে তাকে ব্যবহার করে。
টিকাঃ
[৫৩০] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৯৫