📄 আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকা এবং ঈমান আনা
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, আল্লাহ তাআলার ফয়সালার ব্যাপারে এই কথা বলা যে, যদি এমন না হতো কিংবা যদি এমন হতো, এ ধরনের কথা বলার চেয়ে আমার নিকট অধিক প্রিয় হলো, জ্বলন্ত অঙ্গার জিহ্বায় নেওয়া। এতে আমার জিহা ঠিক থাকবে নাকি পুড়ে যাবে আমি এর কোনো পরোয়া করব না।
টিকাঃ
[৫২৪] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/২৪৩
📄 দারিদ্র এবং ধনাঢ্যতা হলো দুটি বাহন
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রা. বলেন, দারিদ্র্য ও ধনাঢ্যতা হলো দুটি বাহন, এর কোন বাহনে আমি আরোহণ করলাম আমি তার কোনো পরোয়া করি না। যদি দারিদ্র্য হয় আমার বাহন, তাহলে আমি ধৈর্যধারণ করব। আর যদি ধনাঢ্যতা হয় বাহন তাহলে আমি আল্লাহর রাস্তায় তা থেকে ব্যয় করব।
টিকাঃ
[৫২৫] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/২৪৭
📄 সর্বোত্তম কথা
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, নিশ্চয়ই সর্বোত্তম কথা হলো আল্লাহর কিতাব আর সর্বোত্তম আদর্শ হলো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো, দ্বীনের মধ্যে যা উদ্ভাবন করা হয়। জেনে রাখো, তোমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই চলে আসবে। তোমরা কখনো তার হাত থেকে পলায়ন করতে পারবে না。
টিকাঃ
[৫২৬] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/২২১
📄 অন্যায় কাজের প্রতি সন্তোষ মনোভাব
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, অন্যায় কাজ না করেও অনেকে অন্যায়কারীর সমপরিমাণ গুনাহগার হয়ে যায়। জিজ্ঞেস করা হলো, এটা আবার কীভাবে হতে পারে? তিনি বলেন, অন্যের অন্যায় কাজের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশের মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, তোমাদের কেউ যদি কোনো অন্যায় কাজ দেখে কিন্তু তা পরিবর্তনের সাধ্য না রাখে, তাহলে তার জন্য এতটুকুই কর্তব্য যে, অন্তরে সেটার প্রতি ঘৃণা পোষণ করবে। আল্লাহর দরবারে ছাড়া পাওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট。
টিকাঃ
[৫২৭] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৫/২৫০
[৫২৮] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৭১