📄 ফতোয়া এবং আমি জানি না বলা
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, লোকদের জিজ্ঞাসিত প্রতিটি বিষয়ে যে ফতোয়া দিয়ে দেয়, নিশ্চয়ই সে একটা পাগল।
তিনি আরও বলেন, আলেমের ঢাল হলো, এই কথা বলা যে, আমি জানি না।
টিকাঃ
[৫০৩] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ১/৯১
📄 মৃত্যুর পার্থক্য
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, শেষ জামানায় উত্তম পথনির্দেশনা করাটা বহু আমল থেকেও উত্তম।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এমন এক যুগে রয়েছেন যে যুগে আপনাদের সর্বশ্রেষ্ঠ হলো ওই ব্যক্তি, যে বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কিন্তু আপনাদের পরে অচিরেই এমন এক যুগ আসবে যাতে সর্বোত্তম বলে গণ্য হবে ওই ব্যক্তি, একের পরে এক সন্দেহ-সংশয়ের কারণে যে কোনো বিষয়ে স্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এখন এমন এক যুগে রয়েছেন, যাতে মানুষের প্রবৃত্তি তাদের ইলমের অনুগত হয়ে চলে আর শীঘ্রই এমন এক যুগ আসবে, যাতে মানুষের ইলম প্রবৃত্তির অনুগামী হয়ে চলবে。
টিকাঃ
[৫০৪] ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ১/১০৫
📄 আলেম, ছাত্র ও মূর্খ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, তুমি আলেম হও, নয়তো ছাত্র হও, এর মধ্যবর্তী কিছু হয়ো না। কারণ এর মাঝের শ্রেণির নাম হলো মূর্খ। নিশ্চয়ই ফেরেশতারা ওই ব্যক্তির জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন, যে আল্লাহ তাআলার ফয়সালায় সন্তুষ্ট থেকে ইলম অন্বেষণ করে থাকে。
টিকাঃ
[৫০৫] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/৩৫
📄 প্রজ্ঞা ও রহমত
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, সেই মজলিস কতই-না উত্তম যাতে হিকমাহ চর্চা হয়। এমন মজলিসের ওপর তো আল্লাহর রহমত নাজিল হয়ে থাকে।
টিকাঃ
[৫০৬] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/৬০