📄 যবারেই যেন আপনার বিচরণ সীমাবদ্ধ থাকে
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-কে বলে, আপনি আমাকে ওসিয়ত করুন। তিনি উত্তরে বলেন, ঘরেই আপনার বিচরণ সীমাবদ্ধ রাখুন, জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করুন এবং গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করুন।
টিকাঃ
[৪৬৬] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১২২
📄 ইয়াকিন ও সন্তুষ্টি
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, আল্লাহর প্রতি ইয়াকিনের অংশ হলো, আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে মানুষকে সন্তুষ্ট করতে না যাওয়া। আল্লাহ তাআলার প্রদত্ত রিজিকের ব্যাপারে কোনো মানুষের প্রশংসা না করা। আর আল্লাহ তোমাকে যা দেননি সে কারণে কাউকে তিরস্কার করবে না। কেউ যতই লোভ করুক না কেন সে কখনো আল্লাহর নির্ধারিত রিজিকের অতিরিক্ত লাভ করতে পারবে না এবং কেউ আল্লাহর ফয়সালার প্রতি যতই অসন্তুষ্ট হোক, কখনো তার জন্য নির্ধারিত রিজিক সে প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না।
আল্লাহ তাআলা আপন ইনসাফ, হিকমত, ন্যায়পরায়ণতা এবং জ্ঞানের ভিত্তিতে তাঁর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর ফয়সালায় সন্তুষ্টির মধ্যেই সুখশান্তি এবং জীবনের সজীবতা নিহিত রেখেছেন। আর তাঁর প্রতি সন্দেহ এবং তাঁর ফয়সালায় অসন্তোষের মধ্যেই তিনি দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা রেখেছেন।
টিকাঃ
[৪৬৭] সিফাতুস সাফওয়া, ১/২১৭
📄 শয়তান এবং জিকিরের মজলিস
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, জিকিরের মজলিসে অংশগ্রহণকারীদেরকে ফিতনায় ফেলার জন্য শয়তান তাদের আশপাশে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। কিন্তু তাদেরকে ধোঁকা দেওয়ার কোনো রাস্তা না পেয়ে সে ওইসব লোকদের নিকট চলে যায় যারা দুনিয়াবি আলোচনায় মত্ত ছিল। তাদের মধ্যে সে বিবাদ লাগিয়ে দেয়। এমনকি একপর্যায়ে তারা পরস্পরে লড়াই শুরু করে দেয়। তখন তাদের সংঘাত রোধ করার জন্য জিকিরের মজলিসে অংশগ্রহণকারীরা উঠে আসে। তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিয়ে তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে চলে যায়। এভাবে জিকিরের মজলিস শূন্য হয়ে যায়।
টিকাঃ
[৪৬৮] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৯৬
📄 হে মুমিনগণ!
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, যখন তুমি আল্লাহ তাআলার এই বাণী শুনতে পাবে যে, তিনি বলছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا
হে মুমিনগণ! তখন তুমি উৎকর্ণ হয়ে উঠো। কারণ তিনি তখন হয়তো কোনো কল্যাণের আদেশ করবেন কিংবা কোনো অকল্যাণ থেকে নিষেধ করবেন।
টিকাঃ
[৪৬৯] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১১৯