📄 নেককার ব্যক্তিদের বিদায়
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, পূর্ববর্তী নেককার ব্যক্তিগণ চলে যাবেন আর রয়ে যাবে কেবল দ্বীনের প্রতি সন্দেহ পোষণকারী ব্যক্তিরা। যারা কোনো ভালোকে ভালো বলে জানবে না এবং মন্দকে মন্দ বলে তাতে আপত্তি জানাবে না।
টিকাঃ
[৪৬৩] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১২২
📄 ক্ষমা প্রার্থনা
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, কুরআনে এমন দুটি আয়াত রয়েছে যে, যদি কেউ কোনো গুনাহ করে ফেলার পর তা তেলাওয়াত করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আয়াত দুটি হলো,
وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ
তারা কখনো কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোনো মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের ওপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনেশুনে তা করতে থাকে না। (সুরা আলে ইমরান, ১৩৫)
অপর আয়াত হলো,
وَمَن يَعْمَلْ سُوا أَوْ يَظْلِمُ نَفْسَهُ ثُمَّ يَسْتَغْفِ اللَّهَ يَجِدِ اللَّهَ غَفُورًا رَّحِيمًا যে গুনাহ করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়। (সূরা নিসা, ১১০)।
টিকাঃ
[৪৬৪] আল-ইকদুল ফারিদ, ৩/১৮৫
📄 অন্বেষণের মাধ্যমে ইলম অর্জিত হয়ে থাকে
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, কেউই তো আলেম হয়ে জন্ম নেয় না; বরং অন্বেষণের মাধ্যমে ইলম অর্জন করে আলেম হয়।
টিকাঃ
[৪৬৫] আল-ইকদুল ফারিদ, ২/৭৩
📄 যবারেই যেন আপনার বিচরণ সীমাবদ্ধ থাকে
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-কে বলে, আপনি আমাকে ওসিয়ত করুন। তিনি উত্তরে বলেন, ঘরেই আপনার বিচরণ সীমাবদ্ধ রাখুন, জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করুন এবং গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করুন।
টিকাঃ
[৪৬৬] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১২২