📄 সন্তানের প্রতি হজরত সাদ রা.-এর অসিয়ত
হজরত সাদ রা. নিজ ছেলেকে অসিয়ত করে বলেন, হে বৎস! জেনে রাখো, তোমার প্রতি আমার চেয়ে উত্তম হিতাকাঙ্ক্ষী আর কাউকে হয়তো তুমি পাবে না। তাই আমার উপদেশগুলো ভালো করে স্মরণ রাখবে। যখন নামাজ আদায়ের ইচ্ছা করবে তখন উত্তমভাবে অজু করবে। এমনভাবে নামাজ আদায় করবে যে, মনে হবে এটাই হচ্ছে তোমার জীবনের সর্বশেষ নামাজ। সাবধান! লোভ-লালসা রাখবে না, কারণ তা হলো উপস্থিত দারিদ্র্য। মানুষের অর্থসম্পদের প্রতি কোনো ধরনের আশা-আকাঙ্ক্ষা রাখবে না, এ নিরাশাই হলো ধনাঢ্যতা। এমন কোনো কথা বলবে না বা এমন কোনো কাজ করবে না, যে কারণে তোমাকে ক্ষমা চাইতে হয়।
টিকাঃ
[৩৯৬] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ২২৭
📄 ফিতনা থেকে বেঁচে থাকা
সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-কে (জঙ্গে সিফফিনের সময়) একদিন বলা হলো, আপনি তো হজরত উমর রা.-এর গঠন করে যাওয়া পরামর্শ কমিটির একজন, তাই এই খেলাফতের বিষয়ে অন্যদের তুলনায় তো আপনার হকই বেশি। আপনি কি এ হকের জন্য লড়াই করবেন না? তিনি উত্তরে বলেন, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই করব না যতক্ষণ না তোমরা আমার নিকট এমন এক তরবারি নিয়ে আসবে যার রয়েছে দুটি চোখ, একটি জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট। যা মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে। যদি এমন তরবারি আনতে পারো, তাহলে অবশ্যই আমি লড়াই করব। আর শোনো, কীভাবে লড়াই করতে হয়, তা আমি ভালো করেই জানি।
টিকাঃ
[৩৯৭] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৯৫
📄 তা আমাদের দ্বীন-ধর্মে প্রভাব ফেলেনি
হজরত খালিদ এবং সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.-এর মধ্যে একবার কিছুটা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল একবার। এরপর এক ব্যক্তি হজরত সাদ রা.-এর কাছে হজরত খালিদ রা.-এর দোষচর্চা করতে থাকে। তখন হজরত সাদ রা. বলেন, আমাদের মধ্যে যে মনোমালিন্য ঘটেছে তা আমাদের দ্বীন-ধর্মে প্রভাব ফেলার মতো নয়।
টিকাঃ
[৩৯৮] সিফাতুস সাফওয়া, ১/১৮৯
📄 অহংকার
হজরত সাদ রা. নিজ ছেলেকে বলেন, হে বৎস! অহংকার থেকে বেঁচে থাকবে। আর মানুষ কীভাবেই-বা অহংকার করতে পারে, অথচ তার সৃষ্টি হয়েছে এক ফোঁটা বীর্য থেকে।
টিকাঃ
[৩৯৯] আল-ইকদুল ফারিদ, ২/১৮৫