📄 সৎকাজের আদেশ করা
আলি রা. বলেন, সর্বোত্তম আমল হলো সৎকাজের আদেশ করা, অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা এবং পাপাচারীদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা। সৎকাজের আদেশ করলে মূলত মুমিনদেরকেই শক্তিশালী করে তোলা হয় আর অসৎকাজের নিষেধে মুনাফিকরা অপমানিত হয়。
টিকাঃ
[৩৬০] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৬৫
📄 লেনদেনের বিধিমালা
আলি রা. বলেন, ব্যবসায়ী যদি ফকিহ না হয় তাহলে আশঙ্কা রয়েছে, সে অবশ্যই একসময় সুদি কারবারে জড়িয়ে পড়বে。
টিকাঃ
[৩৬১] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৩৫৭
📄 দুনিয়াবিমুখ ব্যক্তিরা
আলি রা. বলেন, দুনিয়াবিমুখ লোকেরা জমিনকে নিজেদের শয্যা বানিয়েছে। মাটিকে বানিয়েছে বিছানা। আর পানিকে বানিয়েছে শরবত।
জেনে রাখো, যে ব্যক্তি আখেরাতের প্রত্যাশী হয়ে থাকে সে প্রবৃত্তির লালসা থেকে নিজেকে বিরত রাখে। আর যে ব্যক্তি জাহান্নামের প্রতি ভয় রাখে সে হারাম ক্ষেত্র থেকে ফিরে আসে। যে ব্যক্তি জান্নাত তালাশ করে সে দ্রুত আল্লাহর বিধিনিষেধের আনুগত্য করে। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াবিমুখ হয়, বিপদ-মুসিবত তার জন্য সহজ হয়ে যায়。
টিকাঃ
[৩৬২] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৮/৭
📄 চার ও চার
হজরত আলি রা. ছেলে হাসান রা.-কে বলেন, হে বৎস! তুমি যদি আটটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখতে পারো, তাহলে কোনোকিছুই তোমার ক্ষতি করতে পারবে না। হাসান রা. বলেন, হে আব্বাজান! সেগুলো কী?
আলি রা. বলেন, ১. জেনে রাখো, সবচেয়ে বড় ধনাঢ্যতা হলো, মানুষের বিবেকবুদ্ধি। ২. আর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য হলো নির্বুদ্ধিতা। ৩. সবচেয়ে মারাত্মক বন্য স্বভাব হলো অহংকার। ৪. এবং সবচেয়ে বড় মহানুভবতা হলো উত্তম চরিত্র। হজরত হাসান রা. বলেন, আব্বাজান অপর চারটি বিষয় কী আমাকে বলুন।
হজরত আলি রা. বলেন,
১. সাবধান! কখনো নির্বোধ লোকদের ওপর আস্থা রাখবে না। কারণ তারা তোমার উপকার করতে গিয়ে উলটো ক্ষতি করে ফেলবে।
২. মিথ্যুকদের প্রতি আস্থা রাখবে না। কারণ তারা দূরবর্তী বিষয়কে তোমার হাতের নাগালে বলে চিত্রায়ণ করবে আর নিকটবর্তী বিষয়কে তোমার চোখে দূরবর্তী বানিয়ে দেবে।
৩. কৃপণকে কখনো সত্যায়ন করবে না। কারণ সে ওই বিষয়কে তোমার থেকে দূরবর্তী বানিয়ে দেবে, যার প্রয়োজন ছিল তোমার অনেক বেশি।
৪. গুনাহগারদের প্রতি আস্থা রাখবে না, তুচ্ছ বিষয়ের বিনিময়ে তারা তোমাকে বিক্রি করে দেবে。
টিকাঃ
[৩৬৩] কানযুল উম্মাল, ১৬/২৬৬, ক্রমিক নম্বর, ৪৪৩৮৮