📄 ইলম ও আমল
আলি রা. বলেন, হে ইলমের বাহকেরা! আপনারা ইলম অনুযায়ী আমল করুন। কারণ আলেম তো হলেন ওই ব্যক্তি, যিনি ইলম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমল করেন। এভাবে তার আমলগুলো ইলম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়ে থাকে।
শীঘ্রই এমন কিছু লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যারা ইলমের ধারকবাহক হবে কিন্তু ইলম তাদের কণ্ঠনালিও অতিক্রম করবে না। তাদের ভেতরগত অবস্থা হবে বাহ্যিক অবস্থার বিপরীত। তাদের আমল হবে ইলমের বিপরীত। তারা একত্র হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে একে অপরের ওপর গর্ব করতে থাকবে। এমনকি একপর্যায়ে তাদের কেউ কেউ নিজের সঙ্গীদের ওপর রাগান্বিত হয়ে মজলিস থেকেই উঠে যাবে। জেনে রাখো, তাদের আমলগুলো সেই মজলিসেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়, তা আর আল্লাহর নিকট পৌঁছে না。
টিকাঃ
[৩৩৪] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/৯
📄 আল্লাহ তায়ালাকে অধিক জানুন
আলি রা. বলেন, মানুষের স্পর্ধা কত বড়! লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করে, কেন এমন বলছেন? কী হয়েছে? তিনি বলেন, কাউকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সে যদি তার উত্তর দিতে না পারে, তাহলে সোজাসাপটা বলে দেয়, আল্লাহ তাআলাই অধিক জানেন।
টিকাঃ
[৩৩৫] প্রাগুক্ত, পৃ. ২/১৬
📄 কারও ওপর জুলুম করা থেকে বেঁচে থাকো
আলি রা. বলেন, সাধারণ কোনো মানুষের অনুসরণ করবে না। কারণ মানুষের অবস্থা তো হলো, সে এখন হয়তো জান্নাতের আমল করে যাচ্ছে, কিন্তু একপর্যায়ে সে জাহান্নাম অনিবার্য করে দেয় এমন কাজে জড়িয়ে পড়তে পারে এবং সেই অবস্থায়ই তার মৃত্যু ঘটে যেতে পারে। ফলে সে জাহান্নামি হয়ে যেতে পারে। আবার কেউ হয়তো জাহান্নামিদের মতো কাজ করতে থাকে, তারপর একসময় সে জান্নাতের আমল করা শুরু করে দেয় এবং সে অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়। ফলে সে জান্নাতি হয়ে যায়।
তাই যদি কারও অনুসরণ করতেই হয় তাহলে মৃতদের অনুসরণ করো, জীবিতদের নয়।
টিকাঃ
[৩৩৬] প্রাগুক্ত, পৃ. ২/১৩৯
📄 ফসল
আলি রা. বলেন, ফসল দুই ধরনের। দুনিয়ার ফসল হলো অর্থসম্পদ ও তাকওয়া। আর আখেরাতের ফসল হলো আমল। আল্লাহ তাআলা অনেককে এই উভয় ফসলই দান করে থাকেন।
টিকাঃ
[৩৩৭] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৮/৯