📄 অহংকারী আলেম
আলি রা. বলেন, তোমরা ইলম অর্জন করো। এর পাশাপাশি গাম্ভীর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে নিজেদেরকে সুসজ্জিত করে তোলো। শিক্ষকদের সামনে বিনয়ী হয়ে যাও এবং ছাত্রদের সাথে বিনয় প্রদর্শন করো। অহংকারী আলেম হয়ো না। অন্যথায় তোমাদের এই অসৎ কর্মপন্থা তোমাদের হককে বিনষ্ট করে দেবে。
টিকাঃ
[৩২৮] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/১৭০
📄 ইসতেগফার
আলি রা. বলেন, সে ব্যক্তির প্রতি আশ্চর্য হতে হয়, যে মুক্তির উপায় থাকা সত্ত্বেও নিরাশ হয়ে বসে আছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, মুক্তির উপায়টা কী? তিনি বলেন, তা হচ্ছে অধিক পরিমাণে ইসতেগফার তথা ক্ষমাপ্রার্থনা করা。
টিকাঃ
[৩২৯] শারানি কৃত তানবিহুল মুগতাররিন, ১৫৯
📄 অন্যায় কাজে আপত্তিকারীদের সংখ্যাস্বল্পতা
আলি রা. বলেন, শীঘ্রই এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের এক-দশমাংশের চেয়েও কম লোক অন্যায় কাজে আপত্তি জানাবে। একসময় সেই এক-দশমাংশ লোকও থাকবে না। তখন অন্যায় কাজে বাধা প্রদান করার মতো আর কেউ বাকি রইবে না。
টিকাঃ
[৩৩০] প্রাগুক্ত, পৃ. ১৬৩
📄 ছাত্রের জন্য পালনীয় আদব-শিষ্টাচার
আলি রা. বলেন, একজন আলেমের হক হলো, তাকে অধিক পরিমাণে প্রশ্ন করা যাবে না। তার প্রদত্ত উত্তর মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে একগুঁয়েমি করা যাবে না। তিনি ক্লান্ত থাকলে বারবার তার সাথে পীড়াপীড়ি করা যাবে না। তিনি উঠতে শুরু করলে তার কাপড় ধরা যাবে না। তার কোনো গোপন বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করা যাবে না। তার নিকট কারও গিবত তথা পরনিন্দা করা যাবে না।
না। তার কোনো ত্রুটিবিচ্যুতি তালাশের পেছনে পড়া যাবে না। তার পদস্খলন ঘটে গেলে তার দর্শানো কারণ গ্রহণ করে নিতে হবে। তিনি যতদিন আল্লাহর নির্দেশের প্রতি যত্নবান থাকবেন ততদিন আবশ্যক হলো, তাকে সম্মান করা। তার সামনে না বসা। তার কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে মানুষের জন্য আবশ্যক হচ্ছে দ্রুত সেটা পূরণ করা。
টিকাঃ
[৩৩১] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১৫৬