📄 আহলে ইলম
আলি রা. বলেন, লোকসকল! তোমরা ইলম অর্জন করবে। তাহলে প্রকৃত হকের রাস্তা চিনতে পারবে। ইলম অনুযায়ী আমল করবে, তাহলে আহলে ইলম হতে পারবে। অচিরেই তোমাদের পর এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের ১০ ভাগের নয় ভাগেরই হকের পরিচয় জানা থাকবে না। সে সময় কেবল সে ব্যক্তিরাই রক্ষা পাবে যারা থাকবে লোকজনের কাছে অপরিচিত। জেনে রাখো, তারাই হলো হেদায়েতের ইমাম এবং ইলমের বাতি。
টিকাঃ
[৩০৪] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৬২
আলি রা. বলেন, লোকসকল! তোমরা ইলম অর্জন করবে। তাহলে প্রকৃত হকের রাস্তা চিনতে পারবে। ইলম অনুযায়ী আমল করবে, তাহলে আহলে ইলম হতে পারবে। অচিরেই তোমাদের পর এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের ১০ ভাগের নয় ভাগেরই হকের পরিচয় জানা থাকবে না। সে সময় কেবল সে ব্যক্তিরাই রক্ষা পাবে যারা থাকবে লোকজনের কাছে অপরিচিত। জেনে রাখো, তারাই হলো হেদায়েতের ইমাম এবং ইলমের বাতি。
টিকাঃ
[৩০৪] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৬২
📄 মানুষের তিন শ্রেণি
আলি রা. বলেন, মানুষের মধ্যে তিনটি শ্রেণি রয়েছে। এক. আল্লাহওয়ালা আলেম। দুই. ছাত্র। এ উভয় শ্রেণিই মুক্তি পেয়ে যাবে। আর বাকি যত মানুষ রয়েছে তারা হলো নির্বোধ শ্রেণির মানুষ। যারা যেকোনো স্থান থেকে ভেসে আসা কর্কশ আওয়াজের অনুসরণ করে চলে। যেদিক থেকেই বাতাস প্রবাহিত হয় তারা সেদিকে হেলে যায়।
টিকাঃ
[৩০৫] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৩৩৮
আলি রা. বলেন, মানুষের মধ্যে তিনটি শ্রেণি রয়েছে। এক. আল্লাহওয়ালা আলেম। দুই. ছাত্র। এ উভয় শ্রেণিই মুক্তি পেয়ে যাবে। আর বাকি যত মানুষ রয়েছে তারা হলো নির্বোধ শ্রেণির মানুষ। যারা যেকোনো স্থান থেকে ভেসে আসা কর্কশ আওয়াজের অনুসরণ করে চলে। যেদিক থেকেই বাতাস প্রবাহিত হয় তারা সেদিকে হেলে যায়।
টিকাঃ
[৩০৫] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ৩৩৮
📄 যাকে যার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে
আলি রা. বলেন, ভয়ের সাথে রয়েছে ব্যর্থতা আর লজ্জার সাথে রয়েছে বঞ্চনা。
টিকাঃ
[৩০৬] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১০৯
আলি রা. বলেন, ভয়ের সাথে রয়েছে ব্যর্থতা আর লজ্জার সাথে রয়েছে বঞ্চনা。
টিকাঃ
[৩০৬] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১০৯
📄 কবরের পাশে প্রদত্ত নসিহত
জাফর ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেন, হজরত আলি রা. এক জানাজার পেছনে পেছনে চলছিলেন। চলতে চলতে যখন সকলেই কবরস্থানে চলে আসে এবং লাশটি কবরে রাখা হয় তখন মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। হজরত আলি রা. তখন বলেন, তারা কেন কান্না করছে? আল্লাহর শপথ! যদি তারা সে বিষয়টি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করত যা এই মৃত ব্যক্তি প্রত্যক্ষ করছে, তাহলে তারা এতটাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ত যে, এ লোকটাকে দেখারই সাহস করতে পারত না। জেনে রাখো, এ মৃত্যু পুনরায় আসবে। এরপর আবার আসবে। এভাবে সময়ে সময়ে সে আসতেই থাকবে। এমনকি একসময় তাদের কেউই দুনিয়াতে বেঁচে থাকবে না।
এরপর তিনি দাঁড়িয়ে বলেন, হে আল্লাহর বান্দারা! আমি তোমাদেরকে অসিয়ত করছি, আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। যিনি তোমাদের জন্য বিভিন্ন দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। তোমাদের মৃত্যুর সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে প্রাণ, চোখ ও অন্তর দিয়েছেন। যেগুলোর মাধ্যমে তোমরা শুনতে পারো, দেখতে পারো এবং অনুধাবন করতে পারো। জেনে রাখো, আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি আর তিনি তোমাদের ব্যাপারে উদাসীনও নন। বরং তিনি তোমাদের অফুরন্ত নেয়ামত প্রদান করেছেন। তোমাদেরকে তিনি প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন বিষয় দান করেছেন। সুখেদুঃখে তোমাদের জন্য তিনি প্রতিদানের ব্যবস্থা রেখেছেন।
অতএব, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। উত্তমরূপে পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণ করো। সকল ধরনের স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং স্বাদ নিঃশেষ করে দেয় এমন মৃত্যু চলে আসার পূর্বেই দ্রুত আমলে মনোযোগী হও। কারণ এ দুনিয়ার ভোগবিলাস কখনো স্থায়ী হবে না। যেকোনো সময় এতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এর পুরোটাই হলো প্রতারণা। তাই হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অতীত থেকে শিক্ষাগ্রহণ করো। পূর্ববর্তীদের নিদর্শনের মাধ্যমে উপদেশ গ্রহণ করো। কুরআন-হাদিসের সতর্কবার্তার মাধ্যমে সতর্ক হও। উপদেশাবলির মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করো।
আমার তো মনে হচ্ছে, সকল স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা ধুলিসাৎ করে মৃত্যুর থাবার মধ্যে তোমরা চলে গিয়েছ। মাটির ঘর কবর যেন তোমাদেরকে নিজের মধ্যে টেনে নিয়ে গিয়েছে। সবকিছু ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলবে যে শিঙার ফুৎকার তা যেন আকস্মিকভাবে তোমাদের ওপর আপতিত হয়েছে। তোমরা কবর থেকে উঠে এসেছ। হাশরের ময়দানের দিকে তোমাদের তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হিসাবনিকাশ শুরু হয়ে গেছে আর তোমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে রয়েছে একজন করে চালক, যে তোমাদেরকে হাশরের ময়দানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর রয়েছে একজন সাক্ষ্যদাতা, যে তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।
হজরত আলি রা. এরপর তেলাওয়াত করেন,
وَأَشْرَقَتِ الْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا وَوُضِعَ الْكِتَابُ وَجِيءَ بِالنَّبِيِّينَ وَالشُّهَدَاء وَقُضِيَ بَيْنَهُم بِالْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
পৃথিবী তার পালনকর্তার নুরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা স্থাপন করা হবে, নবিগণ ও সাক্ষীগণকে আনা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে। তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। (সুরা যুমার, ৬৯)
সেদিন গোটা পৃথিবী প্রকম্পিত হয়ে উঠবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা ঘোষণা প্রদান করবেন। সেটাই হলো আল্লাহ ও বান্দার মাঝে মুখোমুখি হওয়ার দিন। সূর্য সেদিন নিষ্প্রভ হয়ে যাবে। সকল প্রাণীকে জমায়েত করা হবে। সব ধরনের গোপন বিষয়সমূহ প্রকাশিত হয়ে যাবে। মন্দ লোকেরা ধ্বংস হয়ে যাবে। মানুষের অন্তর সেদিন কেঁপে উঠবে।
জাহান্নামিদের ওপর সেদিন আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি নেমে আসবে। জাহান্নাম সেদিন আপন বজ্রনিনাদ প্রকাশ করবে, হুংকার ছুড়বে। তার আগুন উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। গরম পানি বলক দিয়ে উঠবে। জাহান্নামের লু হাওয়া আগুনময় হয়ে উঠবে। সেদিন জাহান্নামিদের আফসোসের কোনো সীমা থাকবে না। এর পাশাপাশি তখন ফেরেশতারা তাদের সুসংবাদ শোনাতে থাকবে গরম পানি ও আগুনের মাধ্যমে আপ্যায়নের। তাদের মাঝে এবং আল্লাহ তাআলার মাঝে পর্দা পড়ে যাবে। আল্লাহর বন্ধুদের থেকে তাদের পার্থক্য টেনে দেওয়া হবে। জাহান্নামের পথে তারা হাঁটা শুরু করবে।
তাই হে আল্লাহর বান্দারা! আপনারা সেই ব্যক্তির মতো আল্লাহকে ভয় করুন, যে আল্লাহর ভয়ে সতর্ক হয়ে গিয়েছে। সত্য-মিথ্যা বুঝতে পেরেছে এবং গুনাহ থেকে বিরত হয়েছে। আমলের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেছে এবং গুনাহ থেকে পলায়ন করেছে। পরকালের প্রস্তুতি নিয়েছে এবং তার জন্য পাথেয় সংগ্রহ করেছে।
শাস্তিদাতা ও সাহায্যকারী হিসাবে আল্লাহ তাআলাই যথেষ্ট। দলিল-প্রমাণ হিসাবে আমলনামাই যথেষ্ট। প্রতিদান হিসাবে জান্নাতই যথেষ্ট। শাস্তি হিসাবে জাহান্নামই যথেষ্ট। আমি আমার এবং তোমাদের সকলের জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি。
টিকাঃ
[৩০৭] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৮৪; সিফাতুস সাফওয়া, ১/১৭১
জাফর ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেন, হজরত আলি রা. এক জানাজার পেছনে পেছনে চলছিলেন। চলতে চলতে যখন সকলেই কবরস্থানে চলে আসে এবং লাশটি কবরে রাখা হয় তখন মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। হজরত আলি রা. তখন বলেন, তারা কেন কান্না করছে? আল্লাহর শপথ! যদি তারা সে বিষয়টি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করত যা এই মৃত ব্যক্তি প্রত্যক্ষ করছে, তাহলে তারা এতটাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ত যে, এ লোকটাকে দেখারই সাহস করতে পারত না। জেনে রাখো, এ মৃত্যু পুনরায় আসবে। এরপর আবার আসবে। এভাবে সময়ে সময়ে সে আসতেই থাকবে। এমনকি একসময় তাদের কেউই দুনিয়াতে বেঁচে থাকবে না।
এরপর তিনি দাঁড়িয়ে বলেন, হে আল্লাহর বান্দারা! আমি তোমাদেরকে অসিয়ত করছি, আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। যিনি তোমাদের জন্য বিভিন্ন দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। তোমাদের মৃত্যুর সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে প্রাণ, চোখ ও অন্তর দিয়েছেন। যেগুলোর মাধ্যমে তোমরা শুনতে পারো, দেখতে পারো এবং অনুধাবন করতে পারো। জেনে রাখো, আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি আর তিনি তোমাদের ব্যাপারে উদাসীনও নন। বরং তিনি তোমাদের অফুরন্ত নেয়ামত প্রদান করেছেন। তোমাদেরকে তিনি প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন বিষয় দান করেছেন। সুখেদুঃখে তোমাদের জন্য তিনি প্রতিদানের ব্যবস্থা রেখেছেন।
অতএব, হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। উত্তমরূপে পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণ করো। সকল ধরনের স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং স্বাদ নিঃশেষ করে দেয় এমন মৃত্যু চলে আসার পূর্বেই দ্রুত আমলে মনোযোগী হও। কারণ এ দুনিয়ার ভোগবিলাস কখনো স্থায়ী হবে না। যেকোনো সময় এতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এর পুরোটাই হলো প্রতারণা। তাই হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অতীত থেকে শিক্ষাগ্রহণ করো। পূর্ববর্তীদের নিদর্শনের মাধ্যমে উপদেশ গ্রহণ করো। কুরআন-হাদিসের সতর্কবার্তার মাধ্যমে সতর্ক হও। উপদেশাবলির মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করো।
আমার তো মনে হচ্ছে, সকল স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা ধুলিসাৎ করে মৃত্যুর থাবার মধ্যে তোমরা চলে গিয়েছ। মাটির ঘর কবর যেন তোমাদেরকে নিজের মধ্যে টেনে নিয়ে গিয়েছে। সবকিছু ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলবে যে শিঙার ফুৎকার তা যেন আকস্মিকভাবে তোমাদের ওপর আপতিত হয়েছে। তোমরা কবর থেকে উঠে এসেছ। হাশরের ময়দানের দিকে তোমাদের তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হিসাবনিকাশ শুরু হয়ে গেছে আর তোমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে রয়েছে একজন করে চালক, যে তোমাদেরকে হাশরের ময়দানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর রয়েছে একজন সাক্ষ্যদাতা, যে তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।
হজরত আলি রা. এরপর তেলাওয়াত করেন,
وَأَشْرَقَتِ الْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا وَوُضِعَ الْكِتَابُ وَجِيءَ بِالنَّبِيِّينَ وَالشُّهَدَاء وَقُضِيَ بَيْنَهُم بِالْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
পৃথিবী তার পালনকর্তার নুরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা স্থাপন করা হবে, নবিগণ ও সাক্ষীগণকে আনা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে। তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। (সুরা যুমার, ৬৯)
সেদিন গোটা পৃথিবী প্রকম্পিত হয়ে উঠবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা ঘোষণা প্রদান করবেন। সেটাই হলো আল্লাহ ও বান্দার মাঝে মুখোমুখি হওয়ার দিন। সূর্য সেদিন নিষ্প্রভ হয়ে যাবে। সকল প্রাণীকে জমায়েত করা হবে। সব ধরনের গোপন বিষয়সমূহ প্রকাশিত হয়ে যাবে। মন্দ লোকেরা ধ্বংস হয়ে যাবে। মানুষের অন্তর সেদিন কেঁপে উঠবে।
জাহান্নামিদের ওপর সেদিন আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি নেমে আসবে। জাহান্নাম সেদিন আপন বজ্রনিনাদ প্রকাশ করবে, হুংকার ছুড়বে। তার আগুন উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। গরম পানি বলক দিয়ে উঠবে। জাহান্নামের লু হাওয়া আগুনময় হয়ে উঠবে। সেদিন জাহান্নামিদের আফসোসের কোনো সীমা থাকবে না। এর পাশাপাশি তখন ফেরেশতারা তাদের সুসংবাদ শোনাতে থাকবে গরম পানি ও আগুনের মাধ্যমে আপ্যায়নের। তাদের মাঝে এবং আল্লাহ তাআলার মাঝে পর্দা পড়ে যাবে। আল্লাহর বন্ধুদের থেকে তাদের পার্থক্য টেনে দেওয়া হবে। জাহান্নামের পথে তারা হাঁটা শুরু করবে।
তাই হে আল্লাহর বান্দারা! আপনারা সেই ব্যক্তির মতো আল্লাহকে ভয় করুন, যে আল্লাহর ভয়ে সতর্ক হয়ে গিয়েছে। সত্য-মিথ্যা বুঝতে পেরেছে এবং গুনাহ থেকে বিরত হয়েছে। আমলের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেছে এবং গুনাহ থেকে পলায়ন করেছে। পরকালের প্রস্তুতি নিয়েছে এবং তার জন্য পাথেয় সংগ্রহ করেছে।
শাস্তিদাতা ও সাহায্যকারী হিসাবে আল্লাহ তাআলাই যথেষ্ট। দলিল-প্রমাণ হিসাবে আমলনামাই যথেষ্ট। প্রতিদান হিসাবে জান্নাতই যথেষ্ট। শাস্তি হিসাবে জাহান্নামই যথেষ্ট। আমি আমার এবং তোমাদের সকলের জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি。
টিকাঃ
[৩০৭] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৮৪; সিফাতুস সাফওয়া, ১/১৭১