📄 অন্তরকে প্রশান্তি দাও
আলি রা. বলেন, সময়ে সময়ে অন্তরকে বিশ্রাম দেবে। সেজন্য প্রজ্ঞাপূর্ণ চমৎকার কথামালা খুঁজে নেবে। কারণ যেভাবে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায় সেভাবে অন্তরও ক্লান্ত হয়ে যায়। নফস তো অসংখ্য চাহিদার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে থাকে, তা আরাম ও অবকাশ চায়। খেলাধুলার প্রতি তা উদ্বুদ্ধ করে থাকে। মন্দ কাজের আদেশ করে আর কল্যাণকাজের ক্ষেত্রে অক্ষম হয়ে যায়। আরাম-আয়েশ খুঁজে বেড়ায়। আমলের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে থাকে। নফসকে বাধ্য করেই তার মাধ্যমে কাজ নিতে হবে। নফসকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিলে সে ধ্বংস করে যাবে。
টিকাঃ
[২৮৫] আল-ইকদুল ফারিদ, ৬/৩৯৩
📄 মানুষের সর্দার
আলি রা. বলেন, দানবীররা হলেন দুনিয়ার সরদার আর খোদাভীরুরা হলেন আখেরাতের সরদার。
টিকাঃ
[২৮৬] আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়া, পৃ. ১০৮
📄 বিপদ-মুসিবত এক পরীক্ষার নাম
আলি রা. বলেন, হে বনি আদম! ধনী হয়েছ বলে আনন্দিত হয়ো না আর দারিদ্র্যে নিপতিত হয়ে নিরাশ হয়ে পড়ো না। বিপদ-আপদের কারণে ব্যথিত হয়ো না, সচ্ছলতায় উল্লসিত হয়ো না। কেননা যেভাবে আগুনের মাধ্যমে স্বর্ণ পরীক্ষা করা হয় তেমনই বিপদ-আপদের মাধ্যমে নেককার বান্দাদের পরীক্ষা করা হয়। তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত মনের চাহিদা পরিত্যাগ করতে না পারবে ততক্ষণ নিজের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন করতে পারবে না। কষ্টে ধৈর্যধারণের মাধ্যমেই তুমি নিজের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন করতে পারবে। তোমার ওপর যা ফরজ করা হয়েছে তা পালনের সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাও。
টিকাঃ
[২৮৭] রিসালাতুল মুসতারশিদিন, পৃ. ৫১
📄 তুমি নিজেই নিজের অভিভাবক হয়ে যাও
আলি রা. বলেন, হে আদমসন্তান, নিজের অর্থসম্পদের ব্যাপারে তুমি নিজেই দায়িত্বশীল হও। মৃত্যুর পর এই সম্পদ যেভাবে ব্যয় হওয়ার আশা করবে তুমি, জীবিত থাকা অবস্থায় সেভাবেই তা ব্যয় করো।'
টিকাঃ
[২৮৮] রিসালাতুল মুসতারশিদিন, টীকা প ৭.৬