📄 এমন এক দূত যে দরজায় করাঘাত না করেই চলে আসবে
আলি রা. বলেন, ওহে খেলাধুলায় মত্ত ব্যক্তি, প্রতিনিয়ত নিজেকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছ, শোনো, তোমার নিকট তোমার প্রতিপালকের দূত এসে গেছেন। যে দূত তোমার দরজায় করাঘাত করবে না। যে তোমার পর্দার কোনো বাধা মানবে না। তোমার থেকে কোনো বিনিময় গ্রহণ করবে না। তোমার পক্ষ থেকে কাউকে কাফিল তথা জিম্মাদার হিসাবেও গ্রহণ করবে না। তোমার স্বার্থে ছোট কারও প্রতি রহম করবে না। বড়দের মর্যাদা দেবে না। অবশেষে তোমাকে অন্ধকার কুঠরিতে নিয়ে যাবে। যার চতুর্দিক হবে অত্যন্ত ভয়ংকর। সে বিগত জাতি এবং লোকদের সাথেও এমন আচরণ করেছে।
সে সকল লোকেরা আজ কোথায় যারা চেষ্টা-প্রচেষ্টা করেছে। অর্থসম্পদ জমা করেছে। শহর-নগর নির্মাণ করেছে। মজবুত দালানকোঠা বানিয়েছে। সেগুলোকে সুসজ্জিত করে তুলেছে এবং তাতে আসবাবপত্র বসিয়েছে। অল্পতেই তারা সন্তুষ্ট হয়নি আর অঢেল বস্তু পেয়ে তারা তা ভোগও করতে পারেনি। আমাকে বলো, সে সকল লোকেরা কোথায় গেল যারা বিশাল সৈন্যবাহিনী পরিচালনা করেছে এবং দিকে দিকে নিজেদের পতাকা স্থাপন করেছে।
তারা মরে মাটির নিচে বিলীন হয়ে গেছে। তাদের পানপাত্রে এখন তোমরা পানি পান করো এবং তাদের পথেই তোমরা আজ দিন কাটাচ্ছ。
টিকাঃ
[২৮৩] আল-ইকদুল ফারিদ, ৪/৬৪
📄 সবর
আলি রা. বলেন, সবর হলো এমন এক বাহন যা কখনো হোঁচট খায় না。
টিকাঃ
[২৮৪] আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়া, পৃ. ১৮৫
📄 অন্তরকে প্রশান্তি দাও
আলি রা. বলেন, সময়ে সময়ে অন্তরকে বিশ্রাম দেবে। সেজন্য প্রজ্ঞাপূর্ণ চমৎকার কথামালা খুঁজে নেবে। কারণ যেভাবে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায় সেভাবে অন্তরও ক্লান্ত হয়ে যায়। নফস তো অসংখ্য চাহিদার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে থাকে, তা আরাম ও অবকাশ চায়। খেলাধুলার প্রতি তা উদ্বুদ্ধ করে থাকে। মন্দ কাজের আদেশ করে আর কল্যাণকাজের ক্ষেত্রে অক্ষম হয়ে যায়। আরাম-আয়েশ খুঁজে বেড়ায়। আমলের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে থাকে। নফসকে বাধ্য করেই তার মাধ্যমে কাজ নিতে হবে। নফসকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিলে সে ধ্বংস করে যাবে。
টিকাঃ
[২৮৫] আল-ইকদুল ফারিদ, ৬/৩৯৩
📄 মানুষের সর্দার
আলি রা. বলেন, দানবীররা হলেন দুনিয়ার সরদার আর খোদাভীরুরা হলেন আখেরাতের সরদার。
টিকাঃ
[২৮৬] আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়া, পৃ. ১০৮