📄 যা নেই তার জন্য নিজেকে কষ্ট দেবেন না
হজরত আলি রা.-কে এক ব্যক্তি খাবারের দাওয়াত দিলে তিনি বলেন, আমি আপনার দাওয়াতে যাব তবে শর্ত হচ্ছে, আপনার কাছে খাবারের যে ধরন নেই আপনি তা তৈরির জন্য অযথা কষ্ট করবেন না, যে ধরনগুলো আছে তা আমাদের না দিয়ে রেখে দেবেন না。
টিকাঃ
[২৫৮] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ২/১৯৭
📄 প্রজ্ঞা অর্জন করো
আলি রা. বলেন, প্রজ্ঞা যেখানে পাবে সেখান থেকেই তা গ্রহণ করবে। কখনো কখনো প্রজ্ঞা মুনাফিকের অন্তরেও থাকতে পারে, যা তার অন্তর থেকে বের হওয়ার জন্য উশখুশ করতে থাকে, বের হয়ে তা যোগ্য ব্যক্তির নিকট স্থিরতা লাভ করে।'
টিকাঃ
[২৫৯] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ২/২৮৫
📄 আল্লাহর রহমত
আলি বিন আবু তালেব রা. বলেন, লোকসকল! আল্লাহর শপথ, যদি তোমরা সন্তানহারা দুঃখী মায়ের মতো কান্না করো, মুমূর্ষু অবস্থায় শয্যাশায়ী ব্যক্তির মতো আকুতি জানাতে থাকো, ভীতসন্ত্রস্ত ব্যক্তির মতো উচ্চৈঃস্বরে দুআ করতে থাকো, তারপর আল্লাহর নিকট তোমাদের মর্যাদা উঁচু হওয়ার জন্য কিংবা ঘটে যাওয়া কোনো গুনাহের ক্ষমার জন্য অর্থসম্পদ এবং সন্তানসন্ততি ছেড়ে বের হয়ে যাও, আমি মনে করি, তবুও তোমরা খুব কমই অধিক সাওয়াব পেতে পারো। আমি তখনও আশঙ্কা করি যে, আল্লাহর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তোমাদের ওপর আপতিত হয়ে যেতে পারে।
আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহর ভয়ে এবং তাঁর প্রতি আগ্রহে তোমাদের চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে আর যদি তোমাদেরকে দুনিয়াতে এরপর এক দীর্ঘ জীবন প্রদান করা হয় আর তোমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকো, তার ইবাদত করার কোনো পন্থাই যদি বাকি না রাখো, তবুও জেনে রাখো, তোমরা এসবের মাধ্যমে কস্মিনকালেও আল্লাহর নির্ধারিত জান্নাতের অধিকারী হতে পারবে না। তিনি ইসলামের প্রতি হেদায়েত দান করাটাই তোমাদের ওপর অনেক বড় অনুগ্রহ। জেনে রাখো, একমাত্র আল্লাহ তাআলার রহমত ও অনুগ্রহের মাধ্যমেই তোমরা জান্নাতে যেতে পারো। তিনি আমাদেরকে এবং তোমাদের সকলকে তাওবাকারী আবেদ হিসাবে কবুল করুন。
টিকাঃ
[২৬০] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৮৩
📄 আল্লাহ যা পছন্দ করেন
আলি রা. বলেন, আল্লাহ তাআলা এক নবিকে ওহির মাধ্যমে বলেছেন যে, যদি কোনো ঘর বা বাড়ির লোকেরা কিংবা গোটা শহরের অধিবাসীরা এমন অবস্থায় দিনযাপন করতে থাকে, যা আমার নিকট পছন্দনীয়, এরপর তারা আমি অপছন্দ করি এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমি অবশ্যই তাদের পার্থিব অবস্থা এমন করে দেবো, যা হবে তাদের জন্য অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে কোনো ঘর বা কোনো বাড়ি বা কোনো জনপদের অধিবাসীরা যদি এমন কাজ করতে থাকে যা আমার নিকট অপছন্দনীয়, এরপর তারা একসময় এমন সব কাজ করা শুরু করে যা আমার পছন্দনীয়, তাহলে আমি অবশ্যই তাদের অপছন্দনীয় অবস্থা পরিবর্তন করে এমন অবস্থায় তাদের উন্নীত করব যা হবে তাদের জন্য পছন্দনীয়。
টিকাঃ
[২৬১] সিফাতুস সাফওয়া, ১/১৭১