📄 বলুন, আমি জানি না
উমর রা. এক ব্যক্তিকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে উত্তরে বলে, আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। এটা শুনে উমর রা. তখন বলেন, যদি আমাদের কোনো বিষয় জানা না থাকে, আর আমরা নিজেদের অজ্ঞতার কথা স্বীকার না করে বলি, 'আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন', তাহলে এটা হবে অত্যন্ত হতভাগ্যের বিষয়। বরং যদি আপনাদের কাউকে এমন কোনো বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়, যা তার জানা নেই, তাহলে সে যেন বলে, 'আমি জানি না'।
টিকাঃ
[২২২] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ১/২৬১
📄 অক্সিত কাজ
উমর রা. বলেন, উপদেশ ও নসিহতের মাধ্যমে তোমরা নিজেদের অশ্রু ঝরাও。
টিকাঃ
[২২৩] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ১/৯৭
📄 সাহস, সহনশীলতা, কৃপণতা ও অক্ষমতা
উমর রা. বলেন, সবচেয়ে সাহসী হলো ওই ব্যক্তি যে এমন ব্যক্তির প্রতি বদান্যতা প্রদর্শন করে, যার থেকে সে কোনো প্রতিদানের আশা করে না।
সবচেয়ে সহনশীল হলো ওই ব্যক্তি, সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যে ক্ষমা করে দেয়।
সবচেয়ে কৃপণ হলো ওই ব্যক্তি, যে সালাম দিতে কার্পণ্য করে।
সবচেয়ে অক্ষম হলো ওই ব্যক্তি, যে আল্লাহর নিকট দুআ করতে পারে না。
টিকাঃ
[২২৪] কানযুল উম্মাল, ১৬/২৬৬, ক্রমিক নম্বর, ৪৪৩৮৪
📄 মানুষ চেনার পদ্ধতি
খরশা বিন আবহুর বলেন, হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব রা.-এর নিকট এক ব্যক্তি কোনো এক বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলে তিনি বলেন, আমি তো তোমাকে চিনি না, অবশ্য আমি না চিনলেও সমস্যা নেই। তুমি এমন কাউকে নিয়ে এসো যে তোমাকে চেনে।
তখন এক ব্যক্তি বলে ওঠে, আমি এই ব্যক্তিকে চিনি। হজরত উমর রা. বলেন, তাকে কেমন চেনো? লোকটি উত্তর দেয়, সে ন্যায়পরায়ণ এবং মর্যাদাবান। হজরত উমর তখন জিজ্ঞেস করেন, সে কি তোমার নিকটবর্তী প্রতিবেশী যে, দিনরাত সে কী করে, কোথায় যায়, কোত্থেকে বের হয় এগুলোর সবই তোমার জানা? লোকটি বলে, না। তিনি তখন জিজ্ঞেস করেন, তার সাথে কি তোমার আর্থিক কোনো লেনদেন হয়েছে, যার ফলে তার খোদাভীরুতার ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়েছে তোমার কাছে? লোকটি উত্তরে বলে, না। উমর রা. পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, তুমি কি তার সাথে সফর করেছ, যার মাধ্যমে তার মহৎ চরিত্র সম্পর্কে জানতে পেরেছ? লোকটি উত্তর দেয়, না। হজরত উমর রা. তখন বলেন, তাহলে তো তুমি তাকে চেনোই না। এরপর তিনি সাক্ষ্যদাতা লোকটিকে বলেন, যাও, এমন কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে এসো, যে তোমার ব্যাপারে জানে。
টিকাঃ
[২২৫] আজলুনি কৃত কাশফুল খফা, শিরোনাম: আস-সাফারু উসফিরু আন আখলাকির রিজাল