📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) > 📄 ধনসম্পদ দুনিয়াকে নষ্ট করে দাও

📄 ধনসম্পদ দুনিয়াকে নষ্ট করে দাও


উমর রা. বলেন, আমি লক্ষ করে দেখেছি যে, দুনিয়ার প্রতি লক্ষ রাখতে গেলে আখেরাত নষ্ট হয়ে যায় আর আখেরাতের প্রতি লক্ষ রাখতে গেলে দুনিয়া নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টা যেহেতু এমনই তাহলে তোমরা ধ্বংসশীল এই দুনিয়াকেই নষ্ট করে দাও।

টিকাঃ
[১৬৫] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৫৫

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) > 📄 ইবাদতকারী

📄 ইবাদতকারী


শিফা বিনতে আবদুল্লাহ কিছু যুবককে দেখতে পান যে, তারা ধীরে ধীরে হাঁটছে আর আস্তে আস্তে কথা বলছে। তখন তিনি তাদের বলেন, তোমরা কেন এমন করছ? তারা বলে, আমরা হলাম ইবাদতকারী। তিনি তখন বলেন, তোমরা নিজেদের ইবাদতকারী বলছ অথচ প্রকৃত ইবাদতকারী তো হলেন হজরত উমর। তার অবস্থাটা দেখো, আল্লাহর কসম, তিনি যখন কথা বলতেন তখন দ্রুত বলতেন। যখন হাঁটতেন তখন দ্রুত হাঁটতেন। আর যখন কাউকে আঘাত করতেন তখন তাকে ব্যথিত করে ফেলতেন।

টিকাঃ
[১৬৬] তাবাকাতে ইবনে সাদ, ৩/১৫৪

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) > 📄 মনের রোগ-ব্যাধির চিকিৎসা

📄 মনের রোগ-ব্যাধির চিকিৎসা


উমর রা. লোকজনকে জড়ো করে মিম্বারে আরোহণ করেন। আল্লাহ তাআলার প্রশংসা এবং তার গুণকীর্তন করে বলেন, লোকসকল! এমনও দিন গেছে যখন খাওয়ার মতো কিছুই জোটেনি। বনু মাখযুমে আমার মামারা ছিলেন, আমি তাদের জন্য মিঠা পানি নিয়ে আসতাম, এর বিনিময়ে তারা আমাকে এক মুঠো কিশমিশ দিতেন। এতটুকু বলেই তিনি মিম্বার থেকে নেমে যান। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আমিরুল মুমিনিন, এ কথা বলে আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছিলেন? হজরত উমর রা. তখন বলেন, কথাটা বলার পর আমার মধ্যে কিছুটা অহংবোধ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তাই আমি সামনে কথা না বাড়িয়ে মিম্বার থেকে নেমে সে অহংবোধ দূর করতে চেয়েছি।

টিকাঃ
[১৬৭] তাবাকাতে ইবনে সাদ, ৩/১৫৬

📘 মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) > 📄 দোষত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া

📄 দোষত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া


উমর রা. বলেন, যে আমার দোষত্রুটি ধরিয়ে দেয় সেই আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি।

টিকাঃ
[১৬৮] তাবাকাতে ইবনে সাদ, ৩/১৫৬

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00