📄 পৃথিবীর শাসকদের জন্য ভর্ৎসনা
কেয়ামতের দিন আরশের অধিপতির পক্ষ থেকে পৃথিবীর শাসকদের প্রতি ভর্ৎসনা করা হবে, তবে কেবল তারাই রক্ষা পাবে যারা ইনসাফের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপরিচালনা করেছে। সত্য ফয়সালা করেছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃত্তির অনুসরণ করেনি। স্বজনপ্রীতি করেনি। কোনোকিছুর আশা বা ভয়ের মাধ্যমে সে তাড়িত হয়নি। আল্লাহর কিতাবকে যে নিজের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বানিয়েছিল।
টিকাঃ
[১৬৩] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৫৫
📄 ফারায়েজ শিক্ষা করো
উমর রা. বলেন, তোমরা যেভাবে কুরআন শিখে থাকো সেভাবে ফারায়েজ তথা উত্তরাধিকার সম্পত্তির বণ্টন নীতিমালা এবং সুন্নাহসমূহ শিখে নাও।
টিকাঃ
[১৬৪] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি ২/৪২
📄 ধনসম্পদ দুনিয়াকে নষ্ট করে দাও
উমর রা. বলেন, আমি লক্ষ করে দেখেছি যে, দুনিয়ার প্রতি লক্ষ রাখতে গেলে আখেরাত নষ্ট হয়ে যায় আর আখেরাতের প্রতি লক্ষ রাখতে গেলে দুনিয়া নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টা যেহেতু এমনই তাহলে তোমরা ধ্বংসশীল এই দুনিয়াকেই নষ্ট করে দাও।
টিকাঃ
[১৬৫] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৫৫
📄 ইবাদতকারী
শিফা বিনতে আবদুল্লাহ কিছু যুবককে দেখতে পান যে, তারা ধীরে ধীরে হাঁটছে আর আস্তে আস্তে কথা বলছে। তখন তিনি তাদের বলেন, তোমরা কেন এমন করছ? তারা বলে, আমরা হলাম ইবাদতকারী। তিনি তখন বলেন, তোমরা নিজেদের ইবাদতকারী বলছ অথচ প্রকৃত ইবাদতকারী তো হলেন হজরত উমর। তার অবস্থাটা দেখো, আল্লাহর কসম, তিনি যখন কথা বলতেন তখন দ্রুত বলতেন। যখন হাঁটতেন তখন দ্রুত হাঁটতেন। আর যখন কাউকে আঘাত করতেন তখন তাকে ব্যথিত করে ফেলতেন।
টিকাঃ
[১৬৬] তাবাকাতে ইবনে সাদ, ৩/১৫৪