📄 জ্ঞানের পাত্র
উমর রা. বলেন, তোমরা আল্লাহর কিতাবকে ধারণ করো, ইলমের ফোয়ারা হয়ে ওঠো। যেদিনের রিজিক সেদিনই তা আল্লাহর কাছে চাও। অধিক পরিমাণ রিজিক চাইতে যাবে না, কারণ তা তোমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
টিকাঃ
[১৫০] আহমাদ ইবনু হাম্বল কৃত আয-যুহদ, ১৪৯
📄 তাহলে রক্ষণাবেক্ষণ এবং মানুষের চোখের সজ্জিত হওয়ার বিষয়টি কোথায় যাবে?
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ইচ্ছা করে, ব্যাপারটা শুনে উমর রা. তাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেন তাকে তালাক দেবে? লোকটি বলে, তার প্রতি ভালোবাসার টান বোধ করি না। হজরত উমর রা. তখন বলেন, আরে, সমাজের প্রতিটি ঘরই কি ভালোবাসার ওপর দাঁড়িয়ে আছে? যদি এমনই হতো তাহলে কেন পরিবার-পরিজনকে চোখে চোখে রাখতে হয় তাদের জন্য মানুষের কাছে লজ্জিত হতে হয়?
টিকাঃ
[১৫১] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ২/৮৯
📄 তোমাদের সন্তানদের শিক্ষা দাও
উমর রা.-এর নিয়ন্ত্রিত সকল শহরে চিঠি লিখে বলেন, পরসমাচার, তোমরা সন্তানদেরকে সাঁতার শেখাও, তাদেরকে অশ্বপরিচালনায় দক্ষ করে তোলো। প্রবাদবাক্য ও ভালো ভালো কবিতা মুখস্থ করাও।
টিকাঃ
[১৫২] আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়িন, ২/১৮০
📄 উত্তম কথামালা
উমর রা. বলেন, যদি তিনটি বিষয় না থাকত তাহলে আমি কামনা করতাম, যেন আমার মৃত্যু হয়ে যায় এবং আমি আল্লাহর নিকট পৌঁছে যাই। তিনটি বিষয় হচ্ছে, আল্লাহর পথে জিহাদ, আল্লাহর দরবারে সেজদা এবং এমন সকল লোকদের মজলিসে বসতে পারা, যারা এমনভাবে উত্তম কথামালা নির্বাচন করে থাকে যেভাবে ভালো ও উৎকৃষ্ট খেজুর বাছাই করা হয়।
টিকাঃ
[১৫৩] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৭১