📄 সর্বশেষ খুতবা
হজরত আবু বকর রা. আপন খুতবায় সর্বশেষ যে দুআ করেছিলেন, তা হচ্ছে,
اللَّهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ زَمَانِي آخِرَهُ وَخَيْرَ عَمَلِي خَوَاتِمَهُ وَخَيْرَ أَيَّامِي يَوْمَ لِقَائِكَ.
হে আল্লাহ! আমার সর্বশেষ দিনগুলোকে সর্বোত্তম সময়ে পরিণত করুন। আমার পরিণতিকে সর্বোত্তম আমলমণ্ডিত করুন এবং যেদিন আপনার সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে সেদিনকে আমার সর্বোত্তম দিনে পরিণত করুন।
টিকাঃ
[৭৩] আল-ইকদুল ফারিদ, ৩/১৮৪
📄 খোদাতীতি
আবু বকর রা. বলেন, হারামে লিপ্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কায় আমরা হালাল সম্পদ উপার্জনের ৭০টি খাত থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিতাম।
টিকাঃ
[৭৪] আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়া, পৃ. ১১০
📄 অতীত থেকে শিক্ষাগ্রহণ
আবু বকর রা. বলেন, অতীতের সে সকল লোকেরা আজ কোথায়, যারা উজ্জ্বল চেহারার অধিকারী ছিল, নিজেদের টগবগে যৌবন নিয়ে গর্ব করত। সেসব প্রতাপশালী রাজাবাদশারা আজ কোথায়, যারা বহু শহর-নগর নির্মাণ করেছে এবং মজবুত দুর্গ নির্মাণ করে সেসব নগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে? যুদ্ধের ময়দানে যারা বীরত্বের সাথে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে দিত তারাও আজ কালপরিক্রমায় কোথায় হারিয়ে গেছে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে কবরের ঘোর অন্ধকারে। সুতরাং তোমরা এখনই জাগ্রত হও। সজাগ হয়ে ওঠো। মুক্তির পথ খোঁজো।
টিকাঃ
[৭৫] সিফাতুস সাফওয়া, ১/১৩৬; তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৫৮
📄 দুনিয়া থেকে সতর্ক থাকা
আবদুর রহমান ইবনে আওফ রা. বলেন, আবু বকর রা. যখন মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন তখন আমি তাঁর কাছে গিয়ে সালাম দিই। তিনি আমাকে তখন বলেন, আমি দেখতে পাচ্ছি, ধীরে ধীরে এমন সময় আসবে যখন দুনিয়া লোকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। সে সময় তোমরা রেশমের পর্দা ব্যবহার করতে শুরু করবে, রেশমের তৈরি বালিশে মাথা রেখে ঘুমাবে। আজারবাইজানের পশমি বিছানাগুলো তোমাদের কাছে হয়ে যাবে যন্ত্রণাদায়ক। তোমাদের নিকট তখন মনে হবে, যেন তোমরা কাঁটা-গুল্মবেষ্টিত কোনো জঙ্গলে রয়েছ। আল্লাহর কসম! দুনিয়ার এই ভোগবিলাসে সাঁতার কাটার তুলনায় তোমাদের কেউ বিধিবদ্ধ উপায়ে নিজের গর্দান উড়িয়ে দেওয়াই উত্তম।
টিকাঃ
[৭৬] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/৫৮