📄 কখনো অসুস্থ না হওয়ার ক্ষতি
হজরত আবু দারদা রা. এক ব্যক্তির ধৈর্যক্ষমতা দেখে আশ্চর্য হয়ে যান। তিনি তখন তাকে বলেন, তুমি কি কখনো জ্বরাক্রান্ত হওনি? সে বলে, না। আবু দারদা রা. তখন বলেন, তোমার বড়ই দুর্ভাগ্য! গুনাহ নিয়েই মৃত্যুবরণ করবে। (অর্থাৎ অসুস্থ না হওয়ায় তোমার গুনাহ মোচন হচ্ছে না। কারণ অসুস্থতা গুনাহ মোচন করে থাকে।)
টিকাঃ
[৭৬৪] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৭২
📄 এটাই অর্ধেক ইলম
আবু দারদা রা. বলেন, কোনো বিষয়ে জানা না থাকলে এটা বলে দেওয়া যে, আমি জানি না। এটাই অর্ধেক ইলম।
টিকাঃ
[৭৬৫] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ২/৬৮
📄 বিপদ কেটে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করো
আবু দারদা রা. বলেন, যদি তুমি কখনো জীবনজীবিকার ব্যাপারে এমন অবস্থায় নিপতিত হও যে, তা তোমার অবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়, তাহলে ধৈর্যধারণ করতে থাকো। আল্লাহ তাআলা এই অবস্থা থেকে উত্তরণের কোনো পথ খুলে দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে যাও।
টিকাঃ
[৭৬৬] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, প ১৭১
📄 কিছু বিষয়
আবু দারদা রা. বলেন,
• ঈমানের ব্যাপারে সন্দেহ করাটা কুফরিরই এক প্রকার।
• কারও মৃত্যুতে বিলাপ করা জাহেলি বিষয়।
• কবিতা হলো ইবলিসের বাঁশি।
• গনিমতের সম্পদ আত্মসাৎ করা হলো জাহান্নামের অঙ্গার মুখে দেওয়া।
• মদ হলো সকল গুনাহ ও পাপাচারের মূল।
• যৌবন হলো উন্মাদনার একটি প্রকার।
• নারীরা হলো শয়তানের ফাঁদ।
• অহংকার হলো সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয়।
• সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাবার হলো, এতিমের আত্মসাৎকৃত সম্পদ আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপার্জন হলো, সুদি কারবার থেকে অর্জিত সম্পদ।
• সৌভাগ্যবান তো ওই ব্যক্তি যে অন্যের মাধ্যমে সংশোধিত হয়ে যায়। আর হতভাগা হলো ওই ব্যক্তি, মায়ের পেটে থাকতেই যার হতভাগা হওয়ার ফয়সালা করে দেওয়া হয়।
টিকাঃ
[৭৬৭] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৭৫