📄 যে কারণে মানুষের মধ্যে বিবাদবিসম্বাদ দেখা দেয়
আবু দারদা রা. বলেন, যদি তিনটি বিষয় না হতো তাহলে মানুষের মধ্যে সদ্ভাব ও সম্প্রীতি বজায় থাকত। তা হলো,
১. কার্পণ্য, লোকেরা যার পেছনে পড়ে থাকে।
২. প্রবৃত্তি, মানুষ যার অনুসরণ করে থাকে এবং
৩. প্রত্যেকেই আপন আপন মতামতকে বড় মনে করা।
টিকাঃ
[৭৫৭] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৬৯
📄 আপনাদের কি লজ্জা হয় না
হজরত আবু দারদা রা. হিমসের অধিবাসীদের বলেন, আপনাদের কি লজ্জা হয় না, আপনারা এমন সকল বাড়িঘর নির্মাণ করছেন যাতে বসবাস করতে পারবেন না! এমন এমন স্বপ্ন দেখছেন যা অর্জন করতে পারবেন না! এমন সকল অর্থসম্পদ জমা করে যাচ্ছেন যা ভোগ করতে পারবেন না! আপনাদের পূর্ববর্তী জাতিরা মজবুত অট্টালিকা নির্মাণ করেছিল। অঢেল অর্থসম্পদ জমা করেছিল। অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু তাদের বাড়িঘরগুলো এখন কবর হয়ে গেছে। তাদের স্বপ্নগুলো ধোঁকায় পরিণত হয়ে গেছে আর তাদের সঞ্চিত সমুদয় সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে।
টিকাঃ
[৭৫৮] তানবিহুল গাফিলিন, পৃ. ১৬৯
📄 সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ
আবু দারদা রা. বলেন, কেয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ হবে ওই আলেম, যে ইলমের মাধ্যমে উপকৃত হয়নি।
টিকাঃ
[৭৫৯] জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি, ১/১৯৬
📄 হালাল উপার্জনের খাত কম
আবু দারদা রা. বলেন, নিশ্চয়ই হালাল উপায়ে খুব কম সম্পদই অর্জন করা যায়। অবৈধ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে বৈধ পথে তার খরচ করা কিংবা অবৈধ পথে খরচ করা উভয়টাই হলো বিরাট সমস্যা। কিন্তু বৈধ উপায়ে উপার্জন করে বৈধ পথে তা খরচ করলে গুনাহ মোচন হয়ে যায়। তা গুনাহকে এমনভাবে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেয় যেভাবে বৃষ্টি মসৃণ পাথরের মাটি ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেয়।
টিকাঃ
[৭৬০] ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৭১