📄 অন্তরের বিক্ষিপ্ততা
আবু দারদা রা. বলেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই অন্তরের বিক্ষিপ্ততা থেকে। তাকে বলা হলো, অন্তরের বিক্ষিপ্ততা কাকে বলে? তিনি বলেন, তা হলো সম্পদের প্রাচুর্য ঘটা। যে কারণে তা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায় আর সে প্রেক্ষিতে অন্তরও বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
টিকাঃ
[৭০৮] সিফাতুস সাফওয়া, ১/৩২৩
📄 আল্লাহর অবাধ্যতা
আবু দারদা রা. বলেন, সাবধান! যেন কারও অজান্তেই তার প্রতি মুমিনদের অন্তরগুলো বিদ্বেষী না হয়ে যায়। বলা হলো, এমনটা কীভাবে হতে পারে? তিনি বলেন, কেউ যখন আল্লাহর অবাধ্যতা করতে থাকে আল্লাহ তাআলা তখন তার অজান্তেই মুমিনদের অন্তরে তার প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ ঢেলে দেন।
টিকাঃ
[৭০৯] তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৭২
📄 পড়ে থাকা শস্য কুড়িয়ে এনে খাবে
উম্মে দারদা একদিন হজরত আবু দারদা রা.-কে বলেন, আপনার মৃত্যুর পর যদি আমি প্রয়োজনগ্রস্ত হয়ে যাই তাহলে কি জাকাত খেতে পারব? তিনি বলেন, না; বরং কাজ করে খাবে। উম্মে দারদা তখন বলেন, যদি কাজ করতেও অক্ষম হয়ে যাই তাহলে? আবু দারদা রা. বলেন, তাহলে পড়ে থাকা শস্য কুড়িয়ে এনে তা খাবে, তবুও জাকাত খাবে না।
টিকাঃ
[৭১০] সিফাতুস সাফওয়া, ১/৩২৫। ইমাম আহমাদ রচিত আয-যুহদে এসেছে, তিনি তখন উম্মে দারদাকে বলেছেন, প্রয়োজনগ্রস্ত হয়ে পড়লে তুমি ফসল কর্তনকারীদের জায়গায় যাবে। তাদের যেসব ফসল পড়ে থাকবে তা কুড়িয়ে এনে পিষে রুটি বানিয়ে খাবে। তবুও মানুষের নিকট কখনো হাত পাতবে না। ইমাম আহমাদ কৃত আয-যুহদ, পৃ. ১৭৫
📄 যাদের বোঝা হবে হালকা
উম্মে দারদা একবার হজরত আবু দারদা রা.-এর কাছে নিজের প্রয়োজনের কথা বললে আবু দারদা বলেন, ধৈর্যধারণ করো। কারণ আমাদের সামনে রয়েছে অত্যন্ত কঠিন এক ঘাঁটি, যা কেবল ওই ব্যক্তিরাই অতিক্রম করতে পারবে যাদের বোঝা হবে হালকা।
টিকাঃ
[৭১১] আল-ইকদুল ফারিদ, ৩/১২৫