📄 সন্তানকে চুম্বন দান আল্লাহর রহমাতের কারণ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَبَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحَسَنَ بْنَ عَلِي رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَعِنْدَهُ الأَقْرَعُ بْنُ حَابِسِ التَّمِيمِي جَالِسٌ فَقَالَ الْأَقْرَعُ إِنَّ لِي عَشَرَةً مِّنَ الْوَلَدِ مَا قَبَّلْتُ مِنْهُمْ أَحَدًا فَنَظَرَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ مَنْ لا يَرْحَمْ لَا يُرْحَمْ -
"হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাতি হযরত হাসান ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে চুম্বন দিলেন এবং আদর করলেন। সে সময় আকরা বিন হাবিসও সেখানে বসেছিলেন। বলতে লাগলেন, আমার তো ১০টা বাচ্চা। কিন্তু আমি তো কখনো কোনো একটি বাচ্চাকেও আদর করিনি। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দিকে তাকালেন এবং বললেন, “যে রহম করে না, আল্লাহও তার প্রতি রহম করেন না।”
অর্থাৎ নিজের সন্তানকে চুমু দেয়া এবং আদর করা রহম ও মেহেরবানীর নিদর্শন। তারাই নিজের সন্তানকে চুমু ও আদর করে যাদের অন্তরে আল্লাহ দয়া দিয়েছেন এবং আল্লাহ তাদের উপরই রহম করেন যারা অন্যের উপর রহম করে থাকেন। যারা অন্যের উপর রহম করে না তারা নিজেও রহম থেকে বঞ্চিত হয়।
عَنْ أَسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ أَرْسَلَتِ ابْنَةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهِ إِنَّ ابْنَا لِي قُبِضَ فَأْتِنَا فَارْسَلَ يُقْرِئُ السَّلَامَ وَيَقُولُ إِنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَلَهُ مَا أعطى وَكُلُّ عِنْدَهُ بَاَجَلٍ مُّسَمًّى فَلْتَصْبِرُ وَلتَحْتَسِبُ فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ تُقْسِمُ عَلَيْهِ لَيَأْتِيَنَّهَا فَقَامَ وَمَعَهُ سَعْدُ بْنُ عِبَادَةَ وَمُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ وَأَبَى بَنْ كَعَبٍ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ وَرِجَالٌ فَرُفِعَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّبِيُّ وَنَفْسُهُ تتَقَقَعُ فَضَاضَتْ عَيْنَاهُ فَقَالَ سَعْدٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا هُذَا ؟ فَقَالَ هُذِهِ رَحْمَةٌ جَعَلَهَا اللهُ فِي قُلُوبِ عِبَادِهِ فَإِنَّمَا يَرْحَمُ اللَّهُ مِنْ عِبَادِهِ الرُّحَمَاء - بخاری، مسلم
"হযরত উসামা বিন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কন্যা যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁকে ডেকে আনার জন্য সংবাদ বাহক পাঠালেন এবং বলে পাঠালেন যে, "আমার বাচ্চার শেষ সময় সমুপস্থিত, আপনি একটু দীর্ঘক্ষণ থাকার জন্য তাশরীফ আনুন।" নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ বাহককে বলে পাঠালেন, "গিয়ে আমার সালাম বলবে এবং বলবে তিনি বলেছেন, যা তিনি নিয়ে নিয়েছেন তা আল্লাহর এবং যা দিয়েছেন তাও আল্লাহরই এবং প্রত্যেক জিনিসকেই এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকতে হবে। অতএব, তুমি ধৈর্য ধর এবং তার নিকট প্রতিদান ও সওয়াবের আশা রাখো।"-বুখারী ও মুসলিম
হযরত যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহা পুনরায় ডাকালেন এবং কসম দিলেন, "আপনি অবশ্যই তাশরীফ আনুন।” সুতরাং তিনি কন্যার নিকট যাওয়ার জন্য উঠলেন। তাঁর সাথে হযরত সায়াদ বিন উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু, মায়ায বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু, উবাই বিন কায়াব রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং যায়েদ বিন সাবেত রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া আরো কিছু লোক ছিলেন। তিনি হযরত যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহার গৃহে পৌঁছলে শিশুটিকে তাঁর কোলে দেয়া হলো। সে সময় শিশুটির রূহ কবজ করা হচ্ছিল। এ দৃশ্য দেখে তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়ে গেল। সায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি? আপনিও কাঁদছেন! তিনি বললেন, এটা রহম। যা আল্লাহ বান্দাদের অন্তরে সৃষ্টি করেছেন যারা পরস্পরের প্রতি রহম করে থাকেন।"
📄 সন্তানের প্রতি স্নেহ প্রদর্শন না করা নির্দয়তার নামান্তর
عَنْ عَائِشَةَ رَض قَالَتْ جَاءَ أَعْرَابِي إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اتُقَبِلُونَ الصَّبْيَانَ فَمَا نُقَبِلُهُمْ فَقَالَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوَ أَمْلِكُ لَكَ أَنْ نَزَعَ اللَّهُ مِنْ قَلْبِكَ الرَّحْمَةَ - بخاری، مسلم
"হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, জনৈক গ্রামবাসী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, তোমরা কি শিশুদেরকে চুমু দাও, আদর করো। আমরা তো শিশুদেরকে চুমু দিই না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথা শুনে বললেন, আমার কি ক্ষমতা! আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে রহম ঝেটিয়ে বিদায় করে থাকেন।"-বুখারী ও মুসলিম
শিশুদেরকে চুমু না দেয়া এবং আদর না করা কোনো ভালো কথা নয়। বরং তা নির্দয়তার নিদর্শন। শিশুদেরকে আদর না করার অর্থ হলো আল্লাহ অন্তর থেকে রহমতের উৎস বের করে দিয়েছেন। রহমতের উৎস যদি থেকেই থাকে তাহলে মানুষ নিজের সন্তানকে অবশ্যই আদর করবে।
📄 শিশুকে কোলে নেয়া
عَنْ عَدِي بْنِ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ يَقُولُ رَأَيْتُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْحَسَنُ صَلَواتُ اللهِ عَلَيْهِ عَلَى عَاتِقِهِ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أُحِبُّهُ فَاحِبَّه
"হযরত আদি ইবনে সাবেত রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি হযরত বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে শুনেছি তিনি বলতেন, "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর ঘরে হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সওয়ার অবস্থায় দেখেছি এবং তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ! আমি তাকে ভালোবাসি, তুমিও তাকে ভালোবাসো।"
একবার হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু অথবা হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর ঘাড়ে সওয়ার ছিলেন। জনৈক ব্যক্তি তা দেখে বললেন, বাঃ! খুব সুন্দর সওয়ারী পেয়েছে তো! নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একথা শুনে বললেন, "সওয়ারও খুব ভালো সওয়ার।”-সিরাতুন্নবী: দ্বিতীয় খণ্ড
হযরত উসামা বিন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে কোলে নিয়ে এক উরুর উপর আমাকে ও অন্য উরুর উপর হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুক বসাতেন এবং আমাদের দুজনকে বুকের সাথে চেপে ধরে বলতেন, হে আল্লাহ! এ দুজনের উপর রহম করো। আমি তাদের উপর দয়া দেখিয়ে থাকি। -বুখারী
হযরত হাসান এবং হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তিনি বলতেন, এরা আমার গলার মনি। তিনি কন্যা গৃহে গমন করে বলতেন, আমার বাচ্চাদেরকে আনো। তাদের আনা হলে তিনি তাদেরকে কোলে নিতেন, চুমু দিতেন এবং বুকের সাথে চেপে ধরতেন। -সিরাতুন্নবী: দ্বিতীয় খণ্ড
হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তিনি প্রায় কোলে নিতেন এবং তার মুখের উপর মুখ রেখে আদর করতেন। তিনি বলতেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালোবাসি এবং তাকেও ভালোবাসি যে একে ভালোবাসে। -সিরাতুন্নবী দ্বিতীয় খণ্ড
📄 সন্তানের প্রতি রাসূলের ভালোবাসা
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ খাদেম ছিলেন হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি দিন-রাত তাঁর খিদমতে লেগে থাকতেন। তিনি বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের আত্মীয়-স্বজনকে যেভাবে ভালোবাসতেন তেমন আর কাউকে ভালোবাসতে দেখেননি। -সিরাতুন্নবী: দ্বিতীয় খণ্ড
০ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্থায়ী নিয়ম ছিলো, যখনই তিনি সফরে যেতেন তখন সর্বশেষ নিজের প্রিয় কন্যা হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহার গৃহে যেতেন এবং সফর থেকে ফিরে সর্বপ্রথম মসজিদে দু রাকাত নামায আদায় করে হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহার গৃহে পৌছতেন।
০ একবার কোনো কথায় হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মধ্যে মন কষাকষি হয়ে গেল। এ ঘটনা জানতে পেরে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের গৃহে গেলেন এবং উভয়ের মধ্যে মিলমিশ করিয়ে দিলেন। অতপর তিনি যখন বাইরে এলেন তখন খুব হাসি-খুশি ছিলেন। লোকজন জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যখন গৃহাভ্যন্তরে গমন করেছিলেন তখন খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন। আর যখন বাইরে আসছিলেন তখন খুব খুশী অবস্থায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "হাঁ আমি ঐ দু ব্যক্তিকে মিলিয়ে দিয়েছি। তাদেরকে আমি অত্যন্ত ভালোবাসি।" -সিরাতুন্নবী: দ্বিতীয় খণ্ড
০ একবার হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু দ্বিতীয় বিয়ে করার ইচ্ছা ব্যক্ত করলেন। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথা জানতে পেরে খুব দুঃখিত হলেন। তৎক্ষণাৎ মসজিদে গিয়ে খুতবা দিলেন। খুতবায় তিনি নিজের নাখোশের কথা উল্লেখ করে বললেন, ফাতেমা আমার প্রিয় কন্যা এবং কলিজার টুকরা। যে তাকে কষ্ট দেবে সে আমাকে কষ্ট দেবে। -বুখারী
• হযরত যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহার স্বামী আবুল আছ বদরের যুদ্ধে গ্রেফতার হয়ে এলেন। সিদ্ধান্ত হলো যে, এসব কয়েদীকে ফিদিয়া নিয়ে মুক্ত করে দেয়া হবে। আবুল আছের নিকট ফিদিয়া আদায় করার মতো অর্থ ছিল না। মুক্তির জন্য স্বগৃহে ফিদিয়ার অর্থ প্রেরণের খবর পাঠালেন। পতিভক্তা স্ত্রী নিজের মা হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার প্রদত্ত হার তৎক্ষণাৎ পাঠিয়ে দিলেন। আবুল আছ এ হার ফিদিয়া হিসেবে পেশ করলেন। হার যখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে এলো তখন তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। সাহাবীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, "তোমরা সম্মত হলে এ হার কি যয়নবকে ফিরিয়ে দেয়া যায়?" সাহাবীরা বললেন, অবশ্যই ফিরিয়ে দিন। অতপর তিনি সে হার হযরত যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহাকে ফিরিয়ে দিলেন।
• প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সবচেয়ে ছোট পুত্র হযরত ইবরাহীম মদীনার মফস্বল এলাকার এক কামার আবু ইউসুফের নিকট লালিত-পালিত হচ্ছিলেন। তিনি প্রায়ই পায়ে হেঁটে সেখানে যেতেন। আবু ইউসুফ ছিলেন কামার। এজন্য ঘর ধোয়ায় আচ্ছন্ন থাকতো। তিনি সে ধোয়ার মধ্যেই বসতেন। শিশুকে কোলে নিতেন এবং আদর করতেন। অতপর মদীনা ফিরে আসতেন। -সিরাতুন্নবী : দ্বিতীয় খণ্ড
০ একবার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোথাও যাচ্ছিলেন। হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু রাস্তার উপর খেলা করছিলেন। তিনি দু বাহু আন্তরিক স্নেহে প্রসারিত করে দিলেন। যাতে হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর নিকট চলে আসেন। হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু হাসতে হাসতে তাঁর নিকট আসতেন এবং দুষ্টুমী করে আবার সরে যেতেন। অবশেষে তিনি তাকে ধরে ফেললেন এবং এক হাত তার থুতনীর উপর ও অপর হাত মাথার উপর রেখে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। অতপর বললেন, হুসাইন আমার, আর আমি হুসাইনের। -সিরাতুন্নবী : দ্বিতীয় খণ্ড, বুখারী উদ্ধৃতিসহ
০ হযরত যয়নব রাদিয়াল্লাহু আনহার একটি প্রিয় শিশু কন্যা ছিল। তার নাম ছিল উমামাহ। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমামাকে খুব ভালোবাসতেন। প্রায় নামাযের সময়ই সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে থাকতো। তিনি নামাযে দাঁড়ালে সে কাঁধের উপর সওয়ার হয়ে যেত। রুকূ'র সময় তিনি তাকে নামিয়ে দিতেন। তিনি পুনরায় খাড়া হলে সে আবার সওয়ার হতো।
০ একবার এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে তোহফা হিসেবে কিছু জিনিস পাঠালেন। তার মধ্যে সোনার হারও ছিল। সে সময় সে সেখানে খেলছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম বললেন, এ হার আমি তাকে দিবো, ঘরে যে আমার সবচেয়ে প্রিয়। গৃহের মহিলারা মনে করলেন যে, তিনি এ হার হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকেই দেবেন। কিন্তু তিনি উমামাহকে নিজের কাছে ডাকলেন এবং স্বয়ং নিজের পবিত্র হাত দিয়ে তার গলায় সে হার পরিয়ে দিলেন। -সিরাতুন্নবী : দ্বিতীয় খণ্ড