📄 ইয়েমেনবাসীর প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পত্র
আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আমর বিন হাযম রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত দিয়ে ইয়েমেনবাসীদের নিকট একটি স্মরণীয় পত্র প্রেরণ করেছিলেন। তাতেও তিনি তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে, "দেখ, আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বড়ো গুনাহ হবেঃ (১) আল্লাহর সাথে শরীক করা, (২) অন্যায়ভাবে মুমিনকে হত্যা করা, (৩) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা থেকে পলায়ন করা, (৪) মাতা-পিতার নাফরমানী করা, (৫) পূত-পবিত্রা শরীফ মহিলাদের উপর তোহমদ আরোপ করা, (৬) যাদুটোনা শিখা, (৭) সুদ খাওয়া এবং (৮) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা।
আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আমর বিন হাযম রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত দিয়ে ইয়েমেনবাসীদের নিকট একটি স্মরণীয় পত্র প্রেরণ করেছিলেন। তাতেও তিনি তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে, "দেখ, আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বড়ো গুনাহ হবেঃ (১) আল্লাহর সাথে শরীক করা, (২) অন্যায়ভাবে মুমিনকে হত্যা করা, (৩) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা থেকে پলায়ন করা, (৪) মাতা-পিতার নাফরমানী করা, (৫) পূত-পবিত্রা শরীফ মহিলাদের উপর তোহমদ আরোপ করা, (৬) যাদুটোনা শিখা, (৭) সুদ খাওয়া এবং (৮) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা।
📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসীয়ত
হযরত মায়াজ বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন জালিলুল কদর সাহাবী ছিলেন। হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, মায়াজ যদি না হতো তাহলে আমি অবধারিতভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক ওসীয়ত করেছেন। একবার তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ওসীয়ত করেছেন, "আল্লাহর সাথে কখনো কাউকে শরীক করবে না। যদি তোমাকে হত্যাও করা হয় এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়েও দেয়া হয় এবং কখনো মাতা-পিতার নাফরমানী করা উচিত নয় যদি তারা নিজের সম্পদ এবং পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দেয়।”
হযরত মায়াজ বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন জালিলুল কদর সাহাবী ছিলেন। হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, মায়াজ যদি না হতো তাহলে আমি অবধারিতভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক ওসীয়ত করেছেন। একবার তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ওসীয়ত করেছেন, "আল্লাহর সাথে কখনো কাউকে শরীক করবে না। যদি তোমাকে হত্যাও করা হয় এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়েও দেয়া হয় এবং কখনো মাতা-পিতার নাফরমানী করা উচিত নয় যদি তারা নিজের সম্পদ এবং পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দেয়।”
📄 মাতা-পিতাকে কাঁদানো
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার সাহাবী ছিলেন। তিনি একজন জবরদস্ত আলেম, আবেদ এবং যাহেদ ছিলেন। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সুন্নাতের অত্যন্ত পাবন্দ ছিলেন। ৬০ বছর ধরে তিনি ফতওয়া দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, মাতা-পিতাকে কাঁদানোর অর্থ হলো তাদের নাফরমানী করা এবং এ কাজ জবরদস্ত গুনাহর কাজ।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার সাহাবী ছিলেন। তিনি একজন জবরদস্ত আলেম, আবেদ এবং যাহেদ ছিলেন। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সুন্নাতের অত্যন্ত পাবন্দ ছিলেন। ৬০ বছর ধরে তিনি ফতওয়া দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, মাতা-পিতাকে কাঁদানোর অর্থ হলো তাদের নাফরমানী করা এবং এ কাজ জবরদস্ত গুনাহর কাজ।
📄 মাতা-পিতাকে গালমন্দ দেয়া
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِ بنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : مِنَ الكَبَائِرِ شَتْمُ الرَّجُلِ وَالِدَيْهِ قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ ! وَهَلْ يَشْتِمُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ ؟ قَالَ نَعَمْ يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَسُبُّ آبَاهُ وَيَسُبُّ أُمَّهُ فَيَسُبُّ أُمَّه - বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও র্আি
"হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরমিয়েছেন, মাতা-পিতার প্রতি গালি দান বড়ো গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। লোকজন (আশ্চর্য হয়ে) জিজ্ঞেস করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ভালো, কেউ কি নিজের মাতা-পিতাকে গালিও দেয়। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, জ্বী হাঁ। মানুষ অন্যের মাতা-পিতাকে গালি দেয়। তাহলে (ফিরে) তার মাতা-পিতাকে গালি দিয়ে দেয়। সে অন্যের মা'কে খারাপ নামে স্মরণ করে। তাহলে সে তার মা'কে গাল-মন্দ করে।
এ হাদীস থেকে এ শিক্ষা পাওয়া যায় যে, মাতা-পিতার মান-ইজ্জতের প্রতি আবশ্যিকভাবে নজর দিতে হবে। তারা যাতে কোনো ধরনের কষ্ট না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু তাই নয়, অন্যের মাতা-পিতার প্রতিও এমন উক্তি করা যাবে না যাতে সে উত্তেজিত হয়ে আপনার মাতা-পিতাকে এক হাত নিয়ে বসে।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِ بنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : مِنَ الكَبَائِرِ شَتْمُ الرَّجُلِ وَالِدَيْهِ قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ ! وَهَلْ يَشْتِمُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ ؟ قَالَ نَعَمْ يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَسُبُّ آبَاهُ وَيَسُبُّ أُمَّهُ فَيَسُبُّ أُمَّه - বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও র্আি
"হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরমিয়েছেন, মাতা-পিতার প্রতি গালি দান বড়ো গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। লোকজন (আশ্চর্য হয়ে) জিজ্ঞেস করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ভালো, কেউ কি নিজের মাতা-পিতাকে গালিও দেয়। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, জ্বী হাঁ। মানুষ অন্যের মাতা-পিতাকে গালি দেয়। তাহলে (ফিরে) তার মাতা-পিতাকে গালি দিয়ে দেয়। সে অন্যের মা'কে খারাপ নামে স্মরণ করে। তাহলে সে তার মা'কে গাল-মন্দ করে।
এ হাদীস থেকে এ শিক্ষা পাওয়া যায় যে, মাতা-পিতার মান-ইজ্জতের প্রতি আবশ্যিকভাবে নজর দিতে হবে। তারা যাতে কোনো ধরনের কষ্ট না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু তাই নয়, অন্যের মাতা-পিতার প্রতিও এমন উক্তি করা যাবে না যাতে সে উত্তেজিত হয়ে আপনার মাতা-পিতাকে এক হাত নিয়ে বসে।